ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সক্ষমতা তলানিতে তিন বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের, ঘাটতি আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে
নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামে একদিনেই ছাত্রলীগের তিন মিছিল, উদ্দীপ্ত সারাদেশের নেতাকর্মীরা
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর আজ
শেখ হাাসিনা সরকারের এনসিডি সেবা বন্ধ, বিনামূল্যের ওষুধ বঞ্চিত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী
অর্থনৈতিক চাপে ধুঁকছে বাংলাদেশ: ‘১৪ বোয়িং’ ক্রয়—মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির জগদ্দল পাথর
প্রকল্প বাতিল, অথচ হদিস নেই ১৫৪ কোটি টাকার!
রাজধানীর ৪০ ভাগ খুনের নেপথ্যেই রাজনীতি
মার্কিন দূতাবাসের জন্য বিশেষ স্বতন্ত্র পুলিশ ইউনিটঃ বুরকিনা ফাসো’র কাতারে বাংলাদেশ
মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ স্বতন্ত্র পুলিশ ইউনিট SPEAR গঠনের জন্য MOU স্বাক্ষরিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সাথে। এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যাবস্থা বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার নির্দিষ্ট আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন অনেকে। তবে সরকারি ও কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এটি মূলত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মার্কিন কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার একটি প্রতিরোধমূলক ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কর্মসূচি।
SPEAR প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের স্পেশাল প্রোগ্রাম ফর অ্যাম্বাসি অগমেন্টেশন অ্যান্ড রেসপন্স (SPEAR) ২০১২ সালের বেনগাজি হামলার পর ২০১৪ সালে চালু হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ (high-threat/high-risk) দেশগুলোতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম ও মেন্টরিং দিয়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল (Quick Response) ইউনিট গড়ে তোলা, যাতে মার্কিন
দূতাবাস ও কর্মকর্তাদের ওপর সম্ভাব্য হামলা বা জরুরি পরিস্থিতিতে কয়েক মিনিটের মধ্যে সাড়া দেওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রস্তাবিত প্রায় ৩০ সদস্যের এই ইউনিট (ডিআইজি নেতৃত্বে) ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবে এবং মার্কিন ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিসের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করবে। এটি শুধু মার্কিন দূতাবাস নয়, গুলশান-বারিধারা কূটনৈতিক এলাকার সামগ্রিক নিরাপত্তায়ও সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা কতটা বাস্তব? মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি মোতাবেক বাংলাদেশকে Level 3: Reconsider Travel হিসেবে রেখেছে। এতে terrorism কে ঝুঁকির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, “Terrorist violence is a risk in Bangladesh. This includes terrorist attacks and other activity.” তবে বিদেশিদের জাতীয়তার কারণে নির্দিষ্টভাবে
টার্গেট করার কোনো প্রমাণ নেই। SPEAR প্রোগ্রামের প্রকৃতি: এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়। বিশ্বের ১৪টি দেশে চালু আছে, যেখানে সাধারণত সন্ত্রাসবাদী হুমকি, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। এটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা — অর্থাৎ হামলার আশঙ্কা থাকলে তা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া। এই ১৪ টি দেশ হচ্ছেঃ বুরকিনা ফাসো (Burkina Faso) সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক (Central African Republic) চাদ (Chad) ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (Democratic Republic of the Congo) ইরাক (Iraq) – বিশেষ করে এরবিল (Erbil) কেনিয়া (Kenya) মালি (Mali) মরিতানিয়া (Mauritania) নাইজার (Niger) নাইজেরিয়া (Nigeria) – আবুজা (Abuja) ও লাগোস (Lagos) সাউথ সুদান (South Sudan) তিউনিসিয়া (Tunisia) বেনিন (Benin) সেনেগাল (Senegal) – ডাকার (Dakar) সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক উত্তেজনা, গাজা ইস্যুতে প্রতিবাদ এবং আন্তর্জাতিক উত্তেজনার কারণে
কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন রয়েছে। মার্কিন দূতাবাস দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের dedicated unit চেয়ে আসছে, শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ সরকার কখনও আলাদা বিশেষ নিরাপত্তা দিতে রাজী হয় নাই। সাবেক কূটনীতিকরা বলছেন, শুধু একটি দূতাবাসের জন্য আলাদা বিশেষ ইউনিট গঠন করলে অন্যান্য বিদেশি মিশনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। তাই সার্বিক কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করাই যুক্তিযুক্ত। মার্চ ২০২৬-এ মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে SPEAR বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে বলেন, দ্রুত MoU স্বাক্ষর না হলে মার্কিন তহবিল অন্যত্র স্থানান্তরিত হতে পারে। সরকার উচ্চ পর্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষে এটি দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছে। বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা গুলশান ও
বারিধারা এলাকায় ইতিমধ্যে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত পুলিশ ফোর্সের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। সরকার বলছে, গ্লোবাল টেনশন ও স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ ইউনিট গঠন মার্কিন প্রশাসনের সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে ঠিকই, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক কোনো আসন্ন হামলার সতর্কতা নয় — বরং প্রতিরোধমূলক ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ। বাংলাদেশ পুলিশের একটি অংশ আধুনিক প্রশিক্ষণ পাবে, যা সামগ্রিক সন্ত্রাসবাদ দমনে সহায়ক হতে পারে। তবে সরকারকে সার্বভৌমত্ব ও অন্যান্য মিশনের সমতা রক্ষা করে এগোতে হবে।
দূতাবাস ও কর্মকর্তাদের ওপর সম্ভাব্য হামলা বা জরুরি পরিস্থিতিতে কয়েক মিনিটের মধ্যে সাড়া দেওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রস্তাবিত প্রায় ৩০ সদস্যের এই ইউনিট (ডিআইজি নেতৃত্বে) ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবে এবং মার্কিন ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিসের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করবে। এটি শুধু মার্কিন দূতাবাস নয়, গুলশান-বারিধারা কূটনৈতিক এলাকার সামগ্রিক নিরাপত্তায়ও সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা কতটা বাস্তব? মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি মোতাবেক বাংলাদেশকে Level 3: Reconsider Travel হিসেবে রেখেছে। এতে terrorism কে ঝুঁকির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, “Terrorist violence is a risk in Bangladesh. This includes terrorist attacks and other activity.” তবে বিদেশিদের জাতীয়তার কারণে নির্দিষ্টভাবে
টার্গেট করার কোনো প্রমাণ নেই। SPEAR প্রোগ্রামের প্রকৃতি: এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়। বিশ্বের ১৪টি দেশে চালু আছে, যেখানে সাধারণত সন্ত্রাসবাদী হুমকি, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। এটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা — অর্থাৎ হামলার আশঙ্কা থাকলে তা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া। এই ১৪ টি দেশ হচ্ছেঃ বুরকিনা ফাসো (Burkina Faso) সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক (Central African Republic) চাদ (Chad) ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (Democratic Republic of the Congo) ইরাক (Iraq) – বিশেষ করে এরবিল (Erbil) কেনিয়া (Kenya) মালি (Mali) মরিতানিয়া (Mauritania) নাইজার (Niger) নাইজেরিয়া (Nigeria) – আবুজা (Abuja) ও লাগোস (Lagos) সাউথ সুদান (South Sudan) তিউনিসিয়া (Tunisia) বেনিন (Benin) সেনেগাল (Senegal) – ডাকার (Dakar) সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক উত্তেজনা, গাজা ইস্যুতে প্রতিবাদ এবং আন্তর্জাতিক উত্তেজনার কারণে
কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন রয়েছে। মার্কিন দূতাবাস দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের dedicated unit চেয়ে আসছে, শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ সরকার কখনও আলাদা বিশেষ নিরাপত্তা দিতে রাজী হয় নাই। সাবেক কূটনীতিকরা বলছেন, শুধু একটি দূতাবাসের জন্য আলাদা বিশেষ ইউনিট গঠন করলে অন্যান্য বিদেশি মিশনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। তাই সার্বিক কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করাই যুক্তিযুক্ত। মার্চ ২০২৬-এ মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে SPEAR বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে বলেন, দ্রুত MoU স্বাক্ষর না হলে মার্কিন তহবিল অন্যত্র স্থানান্তরিত হতে পারে। সরকার উচ্চ পর্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষে এটি দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছে। বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা গুলশান ও
বারিধারা এলাকায় ইতিমধ্যে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত পুলিশ ফোর্সের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। সরকার বলছে, গ্লোবাল টেনশন ও স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ ইউনিট গঠন মার্কিন প্রশাসনের সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে ঠিকই, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক কোনো আসন্ন হামলার সতর্কতা নয় — বরং প্রতিরোধমূলক ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ। বাংলাদেশ পুলিশের একটি অংশ আধুনিক প্রশিক্ষণ পাবে, যা সামগ্রিক সন্ত্রাসবাদ দমনে সহায়ক হতে পারে। তবে সরকারকে সার্বভৌমত্ব ও অন্যান্য মিশনের সমতা রক্ষা করে এগোতে হবে।



