ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মানুষ সুখী নারীকে সহ্য করতে পারে না: হানিয়া
জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমির সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনলাইন হয়রানি এবং বুলিং নিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি বিদ্রূপাত্মকভাবে লিখেছেন ‘অ্যাটেনশন সিকার’, সেখানে তিনি ডিজিটাল জগতের রূঢ় বাস্তবতা তুলে ধরেন।
‘কাভি ম্যাঁয় কাভি তুম’ (২০২৪) এবং ‘মেরি জিন্দেগি হ্যায় তু’ (২০২৫)-এর মতো জনপ্রিয় পাকিস্তানি ড্রামার এই অভিনেত্রী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সাম্প্রতিক অনুপস্থিতির কারণ ছিল ক্রমাগত নেতিবাচকতা। এমনিতে অনলাইন দুনিয়ায় এই অভিনেত্রী বেশ সরব থাকেন।
হানিয়া বলেন, ‘আমি বিতর্কের কাছে নতুন কেউ নই। কিন্তু এই নেতিবাচকতা আমাকে ভাবিয়ে তুলেছিল যে আমার নিজেকে বদলে ফেলা উচিত কিনা।’
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘মানুষ সুখী
নারীদের ঘৃণা করে। শুধু পুরুষরাই নয়, এমনকি নারীরাও এই তালিকায় রয়েছে।’ নারীদের প্রতি অন্য নারীদের নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে হানিয়া চরম হতাশাও প্রকাশ করেন। একে তিনি একটি ‘হেট ট্রেন’ বা ঘৃণার মিছিল হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘আমরা যেন অন্য নারীকে নিচু করার মধ্যেই এক ধরণের শান্তি খুঁজে পাই।’ তিনি আরও যোগ করেন, আগে এই সামাজিক বিচারগুলো ঘরে বা সমাজে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা ইনস্টাগ্রামে চলে এসেছে। এখনও মানুষের বর্ণ বা শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্য করা হচ্ছে। হানিয়া সম্প্রতি তার এবং এক বান্ধবীর পোশাকের মধ্যে করা একটি ‘দিস অর দ্যাট’ তুলনামূলক পোস্টের উদাহরণ টেনে প্রশ্ন তোলেন— কেন এই ধরণের কনটেন্ট তৈরি করা হয়? তার
ভাষায়, ‘যদি এটি ফ্যাশন নিয়েই হতো, তবে আপনারা কেন পুরুষদের সঙ্গে অন্য পুরুষের তুলনা করেন না?’ তার মতে, এই ধরণের তুলনা কেবল নারীদের মধ্যে অহেতুক প্রতিযোগিতাই বাড়িয়ে দেয়। খ্যাতি অর্জন করলে প্লাস্টিক সার্জারি বা অসৎ উপায়ের আশ্রয় নেওয়ার যে অপবাদ নারীদের দেওয়া হয়, তারও প্রতিবাদ জানান হানিয়া। তিনি বলেন, ‘কোনো নারী যখন প্রচলিত নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তখন সে নিরাপদ থাকে না। আপনারা একটু ভাবুন তো, একজন সুখী ও সন্তুষ্ট নারীকে দেখলে আপনাদের কেন খারাপ লাগে?’ হানিয়া তার অনুসারীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, ‘আমাদের একটু থামা উচিত এবং ভাবা উচিত— আমরা কি কাউকে কেবল সে জনপ্রিয় বলে ঘৃণা করছি? নাকি সে অনেক
কিছু অর্জন করেছে বলে? নাকি সে তার জীবনকে দারুণভাবে উপভোগ করছে বলে?’ হানিয়ার এই সাহসী পোস্টের নিচে দেশটির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তারকা অভিনেত্রীর প্রশংসা করেছেন। পরিশেষে তিনি সবাইকে ইতিবাচক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মানুষকে তার নিজের মতো থাকতে দিন।’ সূত্র: দ্র এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
নারীদের ঘৃণা করে। শুধু পুরুষরাই নয়, এমনকি নারীরাও এই তালিকায় রয়েছে।’ নারীদের প্রতি অন্য নারীদের নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে হানিয়া চরম হতাশাও প্রকাশ করেন। একে তিনি একটি ‘হেট ট্রেন’ বা ঘৃণার মিছিল হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘আমরা যেন অন্য নারীকে নিচু করার মধ্যেই এক ধরণের শান্তি খুঁজে পাই।’ তিনি আরও যোগ করেন, আগে এই সামাজিক বিচারগুলো ঘরে বা সমাজে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা ইনস্টাগ্রামে চলে এসেছে। এখনও মানুষের বর্ণ বা শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্য করা হচ্ছে। হানিয়া সম্প্রতি তার এবং এক বান্ধবীর পোশাকের মধ্যে করা একটি ‘দিস অর দ্যাট’ তুলনামূলক পোস্টের উদাহরণ টেনে প্রশ্ন তোলেন— কেন এই ধরণের কনটেন্ট তৈরি করা হয়? তার
ভাষায়, ‘যদি এটি ফ্যাশন নিয়েই হতো, তবে আপনারা কেন পুরুষদের সঙ্গে অন্য পুরুষের তুলনা করেন না?’ তার মতে, এই ধরণের তুলনা কেবল নারীদের মধ্যে অহেতুক প্রতিযোগিতাই বাড়িয়ে দেয়। খ্যাতি অর্জন করলে প্লাস্টিক সার্জারি বা অসৎ উপায়ের আশ্রয় নেওয়ার যে অপবাদ নারীদের দেওয়া হয়, তারও প্রতিবাদ জানান হানিয়া। তিনি বলেন, ‘কোনো নারী যখন প্রচলিত নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তখন সে নিরাপদ থাকে না। আপনারা একটু ভাবুন তো, একজন সুখী ও সন্তুষ্ট নারীকে দেখলে আপনাদের কেন খারাপ লাগে?’ হানিয়া তার অনুসারীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, ‘আমাদের একটু থামা উচিত এবং ভাবা উচিত— আমরা কি কাউকে কেবল সে জনপ্রিয় বলে ঘৃণা করছি? নাকি সে অনেক
কিছু অর্জন করেছে বলে? নাকি সে তার জীবনকে দারুণভাবে উপভোগ করছে বলে?’ হানিয়ার এই সাহসী পোস্টের নিচে দেশটির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তারকা অভিনেত্রীর প্রশংসা করেছেন। পরিশেষে তিনি সবাইকে ইতিবাচক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মানুষকে তার নিজের মতো থাকতে দিন।’ সূত্র: দ্র এক্সপ্রেস ট্রিবিউন



