ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন
নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি
এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন
নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী
জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
মাদক রাখার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
কক্সবাজারে ৪ কেজি আইস ও ১ লাখ ইয়াবা রাখার দায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে এ রায় দেন আদালত।
কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন। একই আদালতের বেঞ্চ সহকারী দেলোয়ার হোসাইন এ তথ্য জানিয়েছেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং গ্রামের মৃত কাদের বকসুর পুত্র আবদুর রহমান (৩০) এবং একই ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার আবদুস সালামের পুত্র মোহাম্মদ নুর (২৫)।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্র পক্ষে একই আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম মামলাটি পরিচালনা করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৬ জুন কক্সবাজারের
হ্নীলা ইউনিয়নে কয়েকজন লোক মিয়ানমারের শূন্য রেখা অতিক্রম করে আসার সময় বিজিবির একটি টিমকে দেখে দুটি বস্তা ফেলে দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি সদস্যরা আবদুর রহমান এবং মোহাম্মদ নুরকে আটক করে। তাদের ফেলা দেওয়া একটি বস্তা থেকে ২১ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৪ কেজি ৩১৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং আরেকটি বস্তা থেকে ৩ কোটি টাকা মূল্যের এক লাখ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এ ঘটনায় টেকনাফ বিজিবির নায়েক মো. আনোয়ারুল হক বাদী হয়ে আবদুর রহমান এবং মোহাম্মদ নুরসহ ৬ জনকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টেকনাফ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিচারের জন্য ২০২৩ সালের
১৯ ফেব্রুয়ারি চার্জ (অভিযোগ) গঠন করে কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারকার্য শুরু হয়। মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামিদের পক্ষে তাদের জেরা, আলামত প্রদর্শন, রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা, যুক্তিতর্কসহ বিচারের জন্য সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য রোববার দিন ধার্য করা হয়। রায় ঘোষণার দিন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুর রহিম ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার ১০(গ) সারণি মতে ২ আসামিকে দোষী সাব্যস্থ করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
হ্নীলা ইউনিয়নে কয়েকজন লোক মিয়ানমারের শূন্য রেখা অতিক্রম করে আসার সময় বিজিবির একটি টিমকে দেখে দুটি বস্তা ফেলে দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি সদস্যরা আবদুর রহমান এবং মোহাম্মদ নুরকে আটক করে। তাদের ফেলা দেওয়া একটি বস্তা থেকে ২১ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৪ কেজি ৩১৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং আরেকটি বস্তা থেকে ৩ কোটি টাকা মূল্যের এক লাখ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এ ঘটনায় টেকনাফ বিজিবির নায়েক মো. আনোয়ারুল হক বাদী হয়ে আবদুর রহমান এবং মোহাম্মদ নুরসহ ৬ জনকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টেকনাফ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিচারের জন্য ২০২৩ সালের
১৯ ফেব্রুয়ারি চার্জ (অভিযোগ) গঠন করে কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারকার্য শুরু হয়। মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামিদের পক্ষে তাদের জেরা, আলামত প্রদর্শন, রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা, যুক্তিতর্কসহ বিচারের জন্য সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য রোববার দিন ধার্য করা হয়। রায় ঘোষণার দিন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুর রহিম ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার ১০(গ) সারণি মতে ২ আসামিকে দোষী সাব্যস্থ করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।



