ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডিপ স্টেটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিলেন জুলাই দাঙ্গাবাজরা: সত্য ফাঁস করলেন আসিফ!
স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতিতে মরিয়া বিএনপি-জামায়াত!
বিএনপির মিথ্যাচারে দিশেহারা জনগণ, চলছে লুটপাটের মহোৎসব
তারেক সিন্ডিকেটে বোবাকান্না, প্রাণহানির শঙ্কায় দেশ ছাড়লেন ব্যবসায়ী
মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর কোন অবদান ছিলো না বলায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ; জমিয়তে উলামায়ে নেতাকে গলাধাক্কা
জয় বাংলা বললে গ্রেপ্তার হতে হবে এমন বাস্তবতা কখনো কল্পনা করিনি: মুক্তিযোদ্ধা লুতফা হাসীন রোজী
জুলাই-আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে ডিপ স্টেটের সাথে যোগাযোগ ছিল, তাদের গাইডলাইন অনুসরণ করেই কাজ হয়েছে-আসিফ মাহমুদ
ভোলায় এবার এক্সেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হলো আওয়ামী লীগ কার্যালয়, শেখ মুজিবের ম্যুরাল
ভোলায় জেলা আওয়ামী লীগের দুই তলা বিশিষ্ট কার্যালয়, শেখ মুজিবুর রহমানের ৩টি ম্যুরাল এক্সেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা থেকে এ ভাংচুর কার্যক্রম শুরু হয়ে চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।
বাংলাদেশ থেকে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলার কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় এক্সেভেটর (ভেকু) দিয়ে পৌর ভানের সামনের থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের ভাঙা ম্যুরালের অবশিষ্টাংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়। এর পরে পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদ চত্বর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের ম্যুরাল গুড়িয়ে দেয়া হয়। এরপর রাত পৌনে ১১ টায় শহরের বাংলাস্কুল মোড়ের জেলা আওয়ামী লীগের দোতলা অফিস এক্সেভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।
ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলতেই বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা এমন উদ্যোগ
নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায় নি। এর আগে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভোলার গাজীপুর রোডের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও জনতা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় আগুন নিভাতে কাউকে দেখা যায়নি। পর দিন সকালেও আগুন জ্বলে এবং মানুষ ঘরের মালামাল ইচ্ছা মতো নিয়ে যায়।
নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায় নি। এর আগে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভোলার গাজীপুর রোডের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও জনতা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় আগুন নিভাতে কাউকে দেখা যায়নি। পর দিন সকালেও আগুন জ্বলে এবং মানুষ ঘরের মালামাল ইচ্ছা মতো নিয়ে যায়।



