ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ইরানিরা আমাকে তাদের সর্বোচ্চ নেতা বানাতে চেয়েছিল : ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর দাবি করে বলেছেন, ইরানের নেতৃত্ব তাকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।
২৬শে মার্চ, বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল রিপাবলিকান কংগ্রেসনাল কমিটির (এনআরসিসি) বার্ষিক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প এই দাবি করেন।
তিনি বলেন, আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই নিহত হওয়ার পর তেহরানের পক্ষ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে তাকে এই পদের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প রসিকতা করে বলেন, ‘বিশ্বের কোনো দেশের প্রধানই ইরানের প্রধান হওয়ার মতো কম আকর্ষণীয় কাজ আর চাইবেন না। তারা আমাকে বলেছিল যে তারা আমাকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা বানাতে চায়, কিন্তু আমি বলেছি— না ধন্যবাদ,
আমি এটি চাই না।’ এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের এই দাবির বিপরীতে বাস্তব চিত্র হলো— আলী খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরান ইতিমধ্যে তার ছেলে মোজতবা খামেনেইকে দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করেছে। তবে ট্রাম্প তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেছেন, তেহরান বর্তমানে পর্দার আড়ালে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের জন্য মরিয়া হয়ে আলোচনা করছে, যদিও জনসমক্ষে তারা তা অস্বীকার করছে। ট্রাম্পের মতে, ইরানি কর্মকর্তারা চুক্তির জন্য অত্যন্ত আগ্রহী হলেও তারা নিজেদের দেশের জনগণের হাতে নিহত হওয়ার ভয়ে বা অভ্যুত্থানের আশঙ্কায় সেটি স্বীকার করতে পারছেন না। একই সঙ্গে তারা মার্কিন বাহিনীর হাতেও প্রাণ হারানোর ভয়ে তটস্থ রয়েছেন বলে ট্রাম্প দাবি করেন। এদিকে হোয়াইট হাউজ থেকেও দাবি করা হয়েছে,
ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। যদিও তেহরান প্রকাশ্যে আমেরিকার সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সংঘাত নিরসনে নিজেদের নতুন কিছু কঠোর শর্তারোপ করেছে। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’-র তথ্যমতে, তেহরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য বেশ কিছু গ্যারান্টি চেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতে আমেরিকা ও ইসরায়েল আর কখনো হামলা করবে না এমন নিশ্চয়তা, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্বের স্বীকৃতি। তবে এই দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে পিছু হটার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না। গত এক মাস ধরে চলা এই ভয়াবহ যুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের নিরবচ্ছিন্ন বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও ইরান তাদের সামরিক অবস্থান বজায় রেখেছে। ট্রাম্পের
দাবি অনুযায়ী ইরানে বর্তমানে একটি বড় ধরনের ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্ব চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের ‘সর্বোচ্চ নেতা’ হওয়ার এই দাবি মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি এবং অভ্যন্তরীণ বিভেদ উসকে দেওয়ার একটি কৌশল। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই স্নায়ুযুদ্ধের ওপর নির্ভর করছে।
আমি এটি চাই না।’ এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের এই দাবির বিপরীতে বাস্তব চিত্র হলো— আলী খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরান ইতিমধ্যে তার ছেলে মোজতবা খামেনেইকে দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করেছে। তবে ট্রাম্প তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেছেন, তেহরান বর্তমানে পর্দার আড়ালে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের জন্য মরিয়া হয়ে আলোচনা করছে, যদিও জনসমক্ষে তারা তা অস্বীকার করছে। ট্রাম্পের মতে, ইরানি কর্মকর্তারা চুক্তির জন্য অত্যন্ত আগ্রহী হলেও তারা নিজেদের দেশের জনগণের হাতে নিহত হওয়ার ভয়ে বা অভ্যুত্থানের আশঙ্কায় সেটি স্বীকার করতে পারছেন না। একই সঙ্গে তারা মার্কিন বাহিনীর হাতেও প্রাণ হারানোর ভয়ে তটস্থ রয়েছেন বলে ট্রাম্প দাবি করেন। এদিকে হোয়াইট হাউজ থেকেও দাবি করা হয়েছে,
ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। যদিও তেহরান প্রকাশ্যে আমেরিকার সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সংঘাত নিরসনে নিজেদের নতুন কিছু কঠোর শর্তারোপ করেছে। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’-র তথ্যমতে, তেহরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য বেশ কিছু গ্যারান্টি চেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতে আমেরিকা ও ইসরায়েল আর কখনো হামলা করবে না এমন নিশ্চয়তা, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্বের স্বীকৃতি। তবে এই দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে পিছু হটার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না। গত এক মাস ধরে চলা এই ভয়াবহ যুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের নিরবচ্ছিন্ন বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও ইরান তাদের সামরিক অবস্থান বজায় রেখেছে। ট্রাম্পের
দাবি অনুযায়ী ইরানে বর্তমানে একটি বড় ধরনের ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্ব চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের ‘সর্বোচ্চ নেতা’ হওয়ার এই দাবি মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি এবং অভ্যন্তরীণ বিভেদ উসকে দেওয়ার একটি কৌশল। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই স্নায়ুযুদ্ধের ওপর নির্ভর করছে।



