ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা
দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী
২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব
শেখ মুজিবকে প্রাপ্ত সম্মান দিতে হবে: শাহাদাত হোসেন
উৎপাদন বন্ধ হয়ে অচল দেশের সার কারখানাগুলো, আমদানি নির্ভরতায় বাংলাদেশ: জানালেন শিল্পমন্ত্রী
এবার বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানাটিও
তথ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে স্ক্রল আকারে সংবাদ প্রকাশের সমালোচনায় সাংবাদিক সায়ের
ভোটাধিকার হরণ ও ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের নাটক: গণতন্ত্রের নামে এক নির্মম রাষ্ট্রীয় প্রহসন
বাংলাদেশের ভেতরে প্রায় ৭ কোটি ভোটারকে কার্যত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে, প্রবাসীদের জন্য ডাকযোগে ভোটের ব্যবস্থা করে তথাকথিত নির্বাচনকে “গ্রহণযোগ্য” ও “অংশগ্রহণমূলক” বানানোর চেষ্টা প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়। দেশের অভ্যন্তরে যাদের ভোট দেওয়ার মৌলিক অধিকারই নিশ্চিত করা হয়নি, তাদের উপেক্ষা করে বিদেশে থাকা নাগরিকদের ভোটকে সামনে এনে গণতন্ত্রের মুখোশ পরানো এক নির্মম রসিকতা।
এর চেয়েও ভয়ংকর হলো, এই অবৈধ সরকার আবার “হ্যাঁ/না” ভোটের নামে আরেকটি নাটক মঞ্চস্থ করতে মাঠে নেমেছে। এখানে রাষ্ট্র নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বী, নিজেই প্রচারক, নিজেই রেফারি! প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি প্রচারযন্ত্র সবকিছু ব্যবহার করে “হ্যাঁ” ভোটকে জেতানোর অপচেষ্টা স্পষ্ট করে দেয়, এই ভোট আসলে জনগণের মতামত জানার কোনো
উদ্যোগ নয়; বরং ক্ষমতায় থাকার বৈধতার সনদ আদায়ের মরিয়া চেষ্টা। প্রশ্ন হলো যদি জনগণ সত্যিই এই সরকারের কাজে সন্তুষ্ট হতো, তাহলে কি “হ্যাঁ” জেতাতে রাষ্ট্রযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার প্রয়োজন হতো? যদি জনগণের আস্থা থাকতো, তাহলে কি ভয়, চাপ, প্রশাসনিক প্রভাব, একতরফা প্রচারণার আশ্রয় নিতে হতো? বাস্তবতা হলো, এই সরকার জানে জনগণের কাছে তাদের কোনো নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাই জনগণের রায় নয়,তারা চায় নিয়ন্ত্রিত ফলাফল। আর সেই লক্ষ্যেই সাজানো হচ্ছে একের পর এক হাস্যকর নির্বাচন ও ভোটের নাটক। এর ফলাফল কী হবে? আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এই আয়োজনের মধ্য দিয়েই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, কর্তৃত্ববাদী ও ভোটবিহীন রাষ্ট্রের ইমেজ চূড়ান্ত রূপ নিতে যাচ্ছে। যে দেশ একসময় গণতান্ত্রিক সংগ্রামের
উদাহরণ ছিল, সেই দেশ আজ ভোটাধিকার হরণ, সাজানো নির্বাচন আর রাষ্ট্রীয় প্রহসনের প্রতীকে পরিণত হচ্ছে। গণতন্ত্র কোনো ডাকযোগে ভোটের পোস্টকার্ড নয়, গণতন্ত্র কোনো “হ্যাঁ/না” নাটকের স্ক্রিপ্টও নয়। গণতন্ত্র মানে সকল দলের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা, জনগণের স্বাধীন মত, অবাধ ভোটাধিকার এবং ক্ষমতার জবাবদিহি। এই সত্য যতদিন অস্বীকার করা হবে, ততদিন কোনো নির্বাচনী প্রহসনই সরকারকে বৈধতা দিতে পারবে না। দেশের জনগণের কাছেও না, বিশ্বের কাছেও না।
উদ্যোগ নয়; বরং ক্ষমতায় থাকার বৈধতার সনদ আদায়ের মরিয়া চেষ্টা। প্রশ্ন হলো যদি জনগণ সত্যিই এই সরকারের কাজে সন্তুষ্ট হতো, তাহলে কি “হ্যাঁ” জেতাতে রাষ্ট্রযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার প্রয়োজন হতো? যদি জনগণের আস্থা থাকতো, তাহলে কি ভয়, চাপ, প্রশাসনিক প্রভাব, একতরফা প্রচারণার আশ্রয় নিতে হতো? বাস্তবতা হলো, এই সরকার জানে জনগণের কাছে তাদের কোনো নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাই জনগণের রায় নয়,তারা চায় নিয়ন্ত্রিত ফলাফল। আর সেই লক্ষ্যেই সাজানো হচ্ছে একের পর এক হাস্যকর নির্বাচন ও ভোটের নাটক। এর ফলাফল কী হবে? আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এই আয়োজনের মধ্য দিয়েই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, কর্তৃত্ববাদী ও ভোটবিহীন রাষ্ট্রের ইমেজ চূড়ান্ত রূপ নিতে যাচ্ছে। যে দেশ একসময় গণতান্ত্রিক সংগ্রামের
উদাহরণ ছিল, সেই দেশ আজ ভোটাধিকার হরণ, সাজানো নির্বাচন আর রাষ্ট্রীয় প্রহসনের প্রতীকে পরিণত হচ্ছে। গণতন্ত্র কোনো ডাকযোগে ভোটের পোস্টকার্ড নয়, গণতন্ত্র কোনো “হ্যাঁ/না” নাটকের স্ক্রিপ্টও নয়। গণতন্ত্র মানে সকল দলের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা, জনগণের স্বাধীন মত, অবাধ ভোটাধিকার এবং ক্ষমতার জবাবদিহি। এই সত্য যতদিন অস্বীকার করা হবে, ততদিন কোনো নির্বাচনী প্রহসনই সরকারকে বৈধতা দিতে পারবে না। দেশের জনগণের কাছেও না, বিশ্বের কাছেও না।



