ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাটিং বিপর্যয়, ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ
বাংলাদেশ সফরে দল পাঠাচ্ছে না ভারত
অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় সারির দলের কাছে ৫৪ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ব্যবধানে হার বাংলাদেশের
লিওনেল মেসির বাবা আর নেই
রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সাকিবের দেশে ফেরার আর সুযোগ নেই: আমিনুল
রিয়ালের সঙ্গে আরও ছয় বছরের চুক্তি বাড়ালেন ভিনিসিউস
রিয়াল মাদ্রিদ নাকি বার্সেলোনা: কোথায় যাবেন রদ্রি?
ভারত সিরিজের আশা ফিকে, তবু অপেক্ষায় বিসিবি
সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে ভারতের সাদা বলের সিরিজ আয়োজনের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনে নির্ধারিত এই সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। তারপরও আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিজ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আশায় বুক বেঁধে আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের পর সেপ্টেম্বরে ভারতকে আতিথেয়তা দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বিসিবির কর্মকর্তারাও এখন যথেষ্ট সন্দিহান।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের কয়েকজন নেতার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করার পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন মাত্রা পেয়েছে। ৮ আগস্ট বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদও এ বিষয়ে ভারতের সমালোচনা করেন।
বিসিবি একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্রিকবাজকে বলেছেন,
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের পর ভারত সিরিজ নিয়ে তারাও এখন সংশয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সব ঘটনার পর এখন সিরিজটি নিয়ে আমি সন্দিহান।’ সিরিজটি আয়োজনের সময়ও দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে মনে করছেন ওই কর্মকর্তা। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় না এ বিষয়ে আমরা অন্য পক্ষের (ভারত) কাছ থেকে কোনো সাড়া পাব। সত্যি বলতে, এটি ২৮ আগস্টের মধ্যে হওয়ার কথা, আমাদের হাতে আর কত দিন আছে?’ তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিজ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত বিসিবির পক্ষ থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ‘আমার মনে হয় না সিরিজটি পরিকল্পনা অনুযায়ী হবে। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু এই মুহূর্তে বিষয়টি আমাদের সবার নিয়ন্ত্রণের
বাইরে’, বলেন বিসিবির ওই কর্মকর্তা। বিসিবির বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবালও সিরিজটি আয়োজনের বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন। একান্ত সাক্ষাৎকারে তামিম বলেছেন, ‘আমি আগেও বলেছি, আমার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বোর্ড সভাপতি হিসেবে যতটা যাওয়ার, আমি ততটা গিয়েছি। আমাদের সীমা অতিক্রম করতে চাই না। বিসিসিআইর সঙ্গে ক্রিকেট বোর্ডের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সিরিজ আনন্দদায়ক হয়। এ মুহূর্তে আরও নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না।’ এখন পর্যন্ত সিরিজটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি। তাই বিসিবির হাতে আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া খুব বেশি কিছু নেই। তবে হাতে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসায় সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত সিরিজটি বাস্তবে মাঠে গড়াবে কি না, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের পর ভারত সিরিজ নিয়ে তারাও এখন সংশয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সব ঘটনার পর এখন সিরিজটি নিয়ে আমি সন্দিহান।’ সিরিজটি আয়োজনের সময়ও দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে মনে করছেন ওই কর্মকর্তা। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় না এ বিষয়ে আমরা অন্য পক্ষের (ভারত) কাছ থেকে কোনো সাড়া পাব। সত্যি বলতে, এটি ২৮ আগস্টের মধ্যে হওয়ার কথা, আমাদের হাতে আর কত দিন আছে?’ তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিজ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত বিসিবির পক্ষ থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ‘আমার মনে হয় না সিরিজটি পরিকল্পনা অনুযায়ী হবে। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু এই মুহূর্তে বিষয়টি আমাদের সবার নিয়ন্ত্রণের
বাইরে’, বলেন বিসিবির ওই কর্মকর্তা। বিসিবির বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবালও সিরিজটি আয়োজনের বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন। একান্ত সাক্ষাৎকারে তামিম বলেছেন, ‘আমি আগেও বলেছি, আমার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বোর্ড সভাপতি হিসেবে যতটা যাওয়ার, আমি ততটা গিয়েছি। আমাদের সীমা অতিক্রম করতে চাই না। বিসিসিআইর সঙ্গে ক্রিকেট বোর্ডের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সিরিজ আনন্দদায়ক হয়। এ মুহূর্তে আরও নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না।’ এখন পর্যন্ত সিরিজটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি। তাই বিসিবির হাতে আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া খুব বেশি কিছু নেই। তবে হাতে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসায় সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত সিরিজটি বাস্তবে মাঠে গড়াবে কি না, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠেছে।



