ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেতানিয়াহুর ভয়ে পোস্ট ডিলিট করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী!
ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফার আলোচনা
ইসলামাবাদে বৈঠক নিয়ে যা জানাল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র
হরমুজ প্রণালি দ্রুতই খুলে যাবে: ট্রাম্প
ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা শুরু
ইরানের দাবি- জব্দ অর্থ ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র, অস্বীকার ওয়াশিংটনের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের ১০ দফা, কী চাইছে তেহরান
ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, কারণ ব্যাখ্যা করলেন রুবিও
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, মস্কোর সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক ভারত-মার্কিন বোঝাপোড়ার ক্ষেত্রে ‘বিরক্তিকর বিষয়’ হিসেবে রয়ে গেছে। ভারতের রুশ তেল আমদানি প্রসঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শুধু ভারত নয়, ট্রাম্প রুশ তেল আমদানিকারকদের শাস্তির আওতায় আনার হুমকি দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে রাশিয়া থেকে বিপুল তেল আমদানি করায় ভারতের নামটিই এখন আলোচনায়। এরপর ৩০ জুলাই রাতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ আরও সরাসরি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ও অতিরিক্ত জরিমানা আরোপ করা হবে।
রুবিওর এই বক্তব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির এক দিন পর এলো।
বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
রুবিও ভারতকে ‘মিত্র’ এবং ‘কৌশলগত অংশীদার’ বলে অভিহিত করেছেন । কিন্তু বলেছেন, দিল্লির রাশিয়ান তেল কেনা ওয়াশিংটনের সঙ্গে তার সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করছে। ২০২৪ সালে ভারতের তেল আমদানির ৩৫% থেকে ৪০% ছিল রাশিয়ান তেল, যা ২০২১ সালে ৩% ছিল। রুবিও রাশিয়ার তেল কেনার ভারতের কারণ স্বীকার করে বলেন, দেশটির প্রচুর জ্বালানি চাহিদা রয়েছে এবং দাম কম থাকার কারণে তারা মস্কো থেকে তেল কিনছে। তবে তিনি আরও বলেন, এটি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। তিনি রাশিয়ার তেল এবং অস্ত্র কেনার জন্য ভারতীয় কোম্পানিগুলোর উপর জরিমানা আরোপের ট্রাম্পের হুমকির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, আমি মনে করি রাষ্ট্রপতির প্রকাশ করা হতাশার কারণ হলো বিশ্বে অন্যান্য
তেল বিক্রেতা থাকা সত্ত্বেও, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে এত তেল কিনছে। যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের এক ‘বিরক্তিকর বিষয়’। রুবিওর বক্তব্যের বিষয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
রুবিও ভারতকে ‘মিত্র’ এবং ‘কৌশলগত অংশীদার’ বলে অভিহিত করেছেন । কিন্তু বলেছেন, দিল্লির রাশিয়ান তেল কেনা ওয়াশিংটনের সঙ্গে তার সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করছে। ২০২৪ সালে ভারতের তেল আমদানির ৩৫% থেকে ৪০% ছিল রাশিয়ান তেল, যা ২০২১ সালে ৩% ছিল। রুবিও রাশিয়ার তেল কেনার ভারতের কারণ স্বীকার করে বলেন, দেশটির প্রচুর জ্বালানি চাহিদা রয়েছে এবং দাম কম থাকার কারণে তারা মস্কো থেকে তেল কিনছে। তবে তিনি আরও বলেন, এটি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। তিনি রাশিয়ার তেল এবং অস্ত্র কেনার জন্য ভারতীয় কোম্পানিগুলোর উপর জরিমানা আরোপের ট্রাম্পের হুমকির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, আমি মনে করি রাষ্ট্রপতির প্রকাশ করা হতাশার কারণ হলো বিশ্বে অন্যান্য
তেল বিক্রেতা থাকা সত্ত্বেও, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে এত তেল কিনছে। যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের এক ‘বিরক্তিকর বিষয়’। রুবিওর বক্তব্যের বিষয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।



