‘ভারতকে যা দিয়েছি, তা তারা সারাজীবন মনে রাখবে’—প্রতিদানের প্রশ্নে শেখ হাসিনার সেই দ্ব্যর্থহীন বার্তা কি বলেছিল? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন

নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি

এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন

নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী

জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার

ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি

‘ভারতকে যা দিয়েছি, তা তারা সারাজীবন মনে রাখবে’—প্রতিদানের প্রশ্নে শেখ হাসিনার সেই দ্ব্যর্থহীন বার্তা কি বলেছিল?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৯:৪২ 47 ভিউ
বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণ এবং লেনদেনের প্রসঙ্গ উঠলেই বারবার সামনে আসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বিশেষ মন্তব্য। ভারতের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা-র একটি প্রতিবেদনের জেরে সেই সময় তিনি স্পষ্ট করেছিলেন যে, ভারতের কাছে বাংলাদেশের চাওয়ার কিছু নেই, বরং বাংলাদেশ ভারতকে যা দিয়েছে, তা দেশটির নিরাপত্তার ইতিহাসে এক মাইলফলক। ঘটনাটির সূত্রপাত হয়েছিল শেখ হাসিনার তৎকালীন একটি সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা-র একটি প্রতিবেদনের শিরোনামকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সাংবাদিক প্রশ্ন রেখেছিলেন: ‘‘ভারতীয় পত্রিকায় ছাপা হয়েছে যে, বাংলাদেশ এখন ভারতের কাছে প্রতিদান চায়। তা আসলে আপনি কি প্রতিদান চেয়েছেন? কোনো কিছু আশ্বাস পেয়েছেন কিনা? আনন্দবাজার পত্রিকার

শিরোনাম...’’ প্রশ্নে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের শিরোনামের প্রসঙ্গটি উঠে আসতেই শেখ হাসিনা এর কড়া জবাব দেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান, কূটনৈতিক বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি ‘প্রতিদান’ প্রত্যাশা করেন না। সাংবাদিকের সেই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেছিলেন, ‘‘আমি কোনো প্রতিদান চাই না। প্রতিদানের কি আছে এখানে? আর কারো কাছে চাওয়ার অভ্যাস আমার একটু কম। দেয়ার অভ্যাস বেশি।’’ তাঁর এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেবল বাণিজ্যিক লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা ও বাংলাদেশের উদারতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শেখ হাসিনা তাঁর বক্তব্যে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো বা ‘সেভেন সিস্টার্স’-এ শান্তি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে

বাংলাদেশের অবদানের কথা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, একসময় ওই অঞ্চলে নিয়মিত বোমাবাজি ও গুলির লড়াই চলত, যা ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি ছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমরা ভারতকে যা দিয়েছি, সেটা ভারত সারাজীবন মনে রাখবে। প্রতিদিনের বোমাবাজি, গুলি... আমরা কিন্তু তাদের শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছি। এটা তাদের মনে রাখতে হবে।’’ ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনার সরকার ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর (যেমন উলফা) বিরুদ্ধে যে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, তার ফলেই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে শান্তি ফিরে আসে। ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাও বিভিন্ন সময়ে স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশের এই সহযোগিতার ফলেই ভারত তার উত্তর-পূর্ব সীমান্তে অনেকটা নিশ্চিন্ত

হতে পেরেছে এবং বিপুল সামরিক ব্যয় ও প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছে। আনন্দবাজার পত্রিকা-র সেই প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ খারিজ করে শেখ হাসিনা সেদিন চূড়ান্তভাবে বলেছিলেন, ‘‘কাজেই আমরা কোনো প্রতিদান চাই না।’’ তাঁর এই বক্তব্যটি কেবল একটি পত্রিকার জবাব ছিল না, বরং এটি ছিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঢাকার শক্ত অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ—যেখানে বাংলাদেশ নিজেকে কেবল গ্রহীতা নয়, বরং বড় ‘নিরাপত্তা দাতা’ হিসেবেই উপস্থাপন করেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে? কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার ২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার খবর কী সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া রাজধানীতে আজ কোথায় কী