ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়
পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ও পাঁচ শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা
বিদ্যালয় খুলছে পরশু, তীব্র গরম নিয়ে উদ্বেগ
স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা খুলবে কবে?
পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ, খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখের বেশি
বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে বাতিল হচ্ছে বয়সসীমা
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা অবশেষে নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে শিক্ষক নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রার্থীদের জন্য গণবিজ্ঞপ্তিতে বয়সসীমার আর কোনো বাধা থাকছে না। এমন সিদ্ধান্তই নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রোববার (২৫ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জানা গেছে, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা’ সংশোধনের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এখন থেকে শুধু নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় প্রার্থীর বয়স বিবেচনায় নেওয়া হবে। নিবন্ধন সনদ পাওয়ার পর প্রার্থীর বয়সসীমা অতিক্রম করলেও তিনি গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে পারবেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারা জানান, এতদিন এনটিআরসিএর (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও
প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বয়সসীমা দুইবার দেখা হতো—একবার নিবন্ধনে এবং আবার গণবিজ্ঞপ্তিতে। এটি অযৌক্তিক হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে সমালোচনা ও অসন্তোষ ছিল দীর্ঘদিন ধরে। শেষ পর্যন্ত সেটি বিবেচনায় এনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত বর্তমান বিধিমালায় সংশোধনের সুপারিশ করে তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণের মাধ্যমে নতুন বিধিমালাটি প্রকাশ করা হবে বলেও জানা গেছে।
প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বয়সসীমা দুইবার দেখা হতো—একবার নিবন্ধনে এবং আবার গণবিজ্ঞপ্তিতে। এটি অযৌক্তিক হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে সমালোচনা ও অসন্তোষ ছিল দীর্ঘদিন ধরে। শেষ পর্যন্ত সেটি বিবেচনায় এনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত বর্তমান বিধিমালায় সংশোধনের সুপারিশ করে তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণের মাধ্যমে নতুন বিধিমালাটি প্রকাশ করা হবে বলেও জানা গেছে।



