বেক্সিমকোর শেয়ার কারসাজি, ৪২৮ কোটি টাকা জরিমানা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ অক্টোবর, ২০২৪

বেক্সিমকোর শেয়ার কারসাজি, ৪২৮ কোটি টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ অক্টোবর, ২০২৪ |
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানির (বেক্সিমকো) শেয়ার লেনদেনে কারসাজির ঘটনায় ৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৪২৮ কোটি ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়াও কমিশন সভায় আরও ৯টি কোম্পানির আইপিও (প্রাথমিক শেয়ার) অর্থ ব্যবহারের বিষয়টি পরিদর্শন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিএসইসির মুখপাত্র ফারহানা ফারুকী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে কারসাজির বিরুদ্ধে এটি সবচেয়ে বড় জরিমানা। কোম্পানিটির মালিক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা বহুল সমালোচিত ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান। যাদের জরিমানা করা হয়েছে, তারা হলেন- মারজানা রহমানকে ৩০ কোটি, ট্রেড

নেক্সট ইন্টারন্যাশনালকে ৪ কোটি ১ লাখ, মুশফিকুর রহমানকে ১২৫ কোটি, মমতাজুর রহমানকে ৫৮ কোটি, জুপিটার বিজনেসকে ২২ কোটি ৫০ লাখ, এপোলো ট্রেডিংকে ১৫ কোটি ১ লাখ, এআরটি ইন্টারন্যাশনালকে ৭০ কোটি, আব্দুর রউফকে ৩১ কোটি ও ক্রিসেন্টকে ৭৩ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এসব অভিযুক্তরা ২০২১ সালের ২৮ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ৭ মাস ১০ দিনে সংঘবদ্ধভাবে কোম্পানিটির শেয়ার অস্বাভাবিকভাবে লেনদেন করেন। এ ধরনের কাজ সিকিউরিটিজ আইনের লঙ্ঘন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তি করে সংশ্লিষ্টদের শুনানির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্র আরও জানায় কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজির বিষয়টি সবার জানা ছিল। কিন্তু

বেক্সিমকোর মালিক সালমান এফ রহমান অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ সময়ে অনেক বড় উদ্যোক্তাকে জোর করে শেয়ার কিনতে বাধ্য করেছেন। শেয়ারের দাম অনেক বেশি বেড়ে গেলে কেউ কেউ শেয়ার বিক্রি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরকে বিক্রি করতে না দিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৯৯৬ এবং ২০২০-১১ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারিতেও সালমান এফ রহমানের নাম আছে। গত ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হলে সালমান এফ রহমান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন তিনি। কয়েক দফার রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে আছেন আর্থিক খাতের বহু বির্তকিত এই ব্যবসায়ী। অন্যদিকে আরও ৯টি কোম্পানি

পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। এসব কোম্পানিগুলো আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে কোন কাজে ব্যবহার করেছে তা খতিয়ে দেখবে। কোম্পানিগুলো হলো- বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বেস্ট হোল্ডিংস (লা মেরিডিয়ান হোটেল), ইনডেক্স এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, জেএমআই হসপিটাল অ্যান্ড রিকুইজিট মেন্যুফ্যাকচারিং, লুব রেফ (বাংলাদেশ), নাভানা ফার্মাসিউটিক্যাল, রিং শাইন টেক্সটাইল, সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি এবং সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ বুকে পাঁচটা তারকা আর কারও নেই: ব্রুনো গিমারেস মেসির গোলে প্রস্তুতি সারল আর্জেন্টিনা নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ ‘সৎ লোকের শাসন’ দলের ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক এবং পরিচালনায় দুর্নীতি-জালিয়াতির আশ্রয় বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার সংসদে ইসলামী ব্যাংক দখল সংক্রান্ত আলোচনায় মনক্ষুণ্ন ইআবা নেতা গাজী আতাউর নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!