ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাজেটে তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
দুই পুত্রের নামে ইউনিয়নের নামকরণের পর প্রতিমন্ত্রীর হাস্যকর ব্যাখ্যা ও কাকতালীয় দাবি সংসদে
থ্রি জিরো বাস্তবায়নের নামে দেশে গণতন্ত্রসহ সব সূচকই ‘জিরো’ করে দিয়ে গেছেন ইউনূস
ভারত, বাংলাদেশ এবং একটি অভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যতের উদয়
নিজের বংশনাম ও সন্তানদের নামে ইউনিয়ন — ইতিহাসে নজিরবিহীন কাণ্ড ঘটালেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়: অভিবাসী শ্রমিক ইস্যুতে আসিফ নজরুলের ব্যর্থতা পুষিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ
সাধারণ পাসপোর্ট বহন করে, ডিপ্লোমেটিক প্রটোকলের আবদার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ এর
বীর মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞা নিয়ে অংশীজন সভা স্থগিত
মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করে প্রণীত খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অংশীজন সভা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এ সভা স্থগিত করা হয়। আজ বুধবার সকাল ১১টায় মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা হওয়ার কথা ছিল।
জানা গেছে, অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন সভার বিষয়ে অবহিত নন। তাদের অনেকেই সভায় অংশগ্রহণের জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে যোগযোগ করেছেন। এমন পরিস্থিতি রাতে সভা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যামান আইন সংশোধন করে প্রণীত খসড়ায় রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের (সক্রিয়) পরিচিতি ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ রাখা হলেও অন্য সবার পরিচয় ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বাদ দেওয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উজ্জীবিত করা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানের বিষয়টিও। এছাড়া পাকিস্তান
বাহিনীর সহযোগী হিসেবে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ক্রমবিন্যাসও পুননির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত খসড়া অধ্যাদেশের বিষয়ে ইমেইলের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করে মন্ত্রণালয়। সূত্র জানায়, ২৬টি মতামত মন্ত্রণালয়ে জমা হয়েছে। এতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ করার প্রস্তাবকে ‘অপমানজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, সরকার আইনের আলোকে অতীতে তাদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ খসড়া অধ্যাদেশ বহালের পক্ষেও মত দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ১৬ ফেব্রুয়ারি অংশীজন সভা আহ্বান করে মন্ত্রণালয়।
বাহিনীর সহযোগী হিসেবে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ক্রমবিন্যাসও পুননির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত খসড়া অধ্যাদেশের বিষয়ে ইমেইলের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করে মন্ত্রণালয়। সূত্র জানায়, ২৬টি মতামত মন্ত্রণালয়ে জমা হয়েছে। এতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ করার প্রস্তাবকে ‘অপমানজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, সরকার আইনের আলোকে অতীতে তাদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ খসড়া অধ্যাদেশ বহালের পক্ষেও মত দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ১৬ ফেব্রুয়ারি অংশীজন সভা আহ্বান করে মন্ত্রণালয়।



