বিশ্বজিৎ দাস হত্যা: মৃত্যুর আগে বিচার দেখে যেতে চান বাবা-মা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ নভেম্বর, ২০২৪

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা: মৃত্যুর আগে বিচার দেখে যেতে চান বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ নভেম্বর, ২০২৪ |
ঘরের ভেতর টানানো রয়েছে বিশ্বজিৎ দাসের অনেক ছবি। ছবির মতোই মানুষটাও এখন শুধুই স্মৃতি। ছেলে আর বাড়ি ফিরবে না। তবু ছেলের জন্য দীর্ঘ এক যুগ ধরে চোখের জল ফেলে চলেছেন মা কল্পনা দাস। সেদিন প্রকাশ্যে বিশ্বজিত্কে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে নিষদ্ধি ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ঘটনার এক যুগ পার হলেও বিচার হয়নি এখনো। বাবা-মার আকুতি, অন্তত মৃতু্যর আগে ছেলের হত্যাকারীদের বিচার যেন দেখে যেতে পারেন। শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মশুরা এলাকার অনন্ত দাস ও কল্পনা দাসের ছোট ছেলে বিশ্বজিৎ। সরেজমিন বিশ্বজিৎ দাসের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ঘরে থাকা ছেলের ছবির দিকে অপলকভাবে তাকিয়ে আছেন মা কল্পনা। কিছুক্ষণ পর ছেলের একটি ছবি নামিয়ে পরম যত্নে

আঁচল দিয়ে পরিষ্কার করছেন। ছেলের কথা মনে পড়তেই ফুপিয়ে কেঁদে উঠছেন। কাঁদছেন বিশ্বজিতের বাবা অনন্তও। কল্পনা বলেন, আমার বিশ্ব (বিশ্বজিৎ) তো কখনো রাজনীতি করেনি। আমার ছেলে কাজ করে সংসার চালাত। ছেলেকে জগন্নাথের ছাত্রলীগের পোলাপাইন মেরে ফেলল। আজ ১২ বছর হয়ে গেল অপরাধীদের বিচার হলো না। তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর আমরা বিচার চাইতে চাইতে ক্লান্ত। আমার বিশ্ব হত্যার বিচার চাই। অনন্ত বলেন, এই সরকারের আমলে আমার ছেলে হত্যার বিচার যেন দেখে যেতে পারি। তাহলে মরে গেলেও অন্তত আত্মা শানি্ত পাবে। মানবাধিকার কমিশন শরীয়তপুরের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান বলেন, প্রকাশ্যে তাকে কারা হত্যা করে তা আমরা জানি। তারা স্বৈরাচার সরকারের দোসর ছিল। তাই

তারা অতি দ্রুত আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা চাই অতি দ্রুত সব অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাসি্ত কার্যকর করা হোক। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ছোটবেলা থেকে ঢাকার শাঁখারী বাজারে ভাইয়ের দোকানে দর্জির কাজ শিখেছিলেন বিশ্বজিৎ। এরপর ভাইয়ের পাশাপাশি নিজেও ধরেছিলেন সংসারের হাল। ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে শিবির সন্দেহে ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বিশ্বজিত্ দাসকে। এ ঘটনায় নাম উঠে আসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তখনকার শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, মীর নূরে আলম লিমন, শাকিলসহ বেশ কয়েকজনের। যারা সবাই নিষদ্ধি ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।

বিশ্বজিৎ হত্যায় ঢাকার দ্রুত বিচার টাইবু্যনালের রায়ে আটজনের মৃতু্যদণ্ড এবং ১৩ জনের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছিল। যদিও পরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আট আসামির মধ্যে ছয়জনেরই সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়। আর দুজনের ফাঁসির আদেশ হলেও কার্যকর হয়নি দীর্ঘ ১২ বছরে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে তিন দিনব্যাপী ফোবানা সম্মেলন ৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে মানববন্ধন: বাংলাদেশে আটক সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি ‘গুম’ থাকা আয়েশা ৭ বছর পর ফিরলেন জীবিত! চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৪ কর্মী গ্রেপ্তার, ‘পুলিশের বস্তাপচা নাটকের স্ক্রিপ্ট’ বদলের দাবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তিন জেলায় তুলকালাম: সড়ক অবরোধ, ককটেল নিক্ষেপ ও ১৪৪ ধারা মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে দেশান্তরি ঢাকা পোস্ট সম্পাদকের স্মৃতিচারণ: শফিক ও তার প্রেশারগ্রুপ থেকে সন্তানদের রক্ষায় দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যে দড়ি বেঁধে চলছে প্রশাসনের মেলা, শুকানো হচ্ছে লুঙ্গিও বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত আরও চার ব্যাংকের, ১০ ব্যাংক এক কাতারে উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে লভ্যাংশ দিতে পারবে না ১৭ ব্যাংক, বিধিনিষেধ আরোপ ফিফার তহবিলে উন্নয়নের জন্য তিনটি স্টেডিয়াম পাচ্ছে বাফুফে নীরবতাও অপরাধ: ইউনূসের অরাজকতা আর দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রে নীরব থাকা আনু মুহাম্মদ গংও অপরাধী ১৯৬৫-র যুদ্ধ থেকে তারেক রহমানের বর্তমান নীতি: জিয়া-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ব্যবচ্ছেদ হাম থেকে বেঁচে ফিরলেও শিশুদের মস্তিষ্কের ভয়ঙ্কর ঝুঁকি, আসছে বছরগুলোয় এসএসপিই’র শঙ্কা ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: হাম-রুবেলার হাত ধরে ফিরে এলো চার দশক আগে বিলুপ্ত গুটি বসন্ত, শিক্ষকের মৃত্যু দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে এক দিনে সর্বোচ্চ শিশু মৃত্যু বিধানসভা নির্বাচনে তারকাদের হাল যেমন আমিরাতের পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা ১০০টিরও বেশি আসন লুট করে নিয়েছে বিজেপি: মমতা শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা দেশের জন্য সতর্কবার্তা