ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জঙ্গি হামলার শঙ্কা: হযরত শাহজালালসহ ৮ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার
ফের ৩ দিনের রিমান্ডে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন
ইউনূসের ‘ভিভিআইপি’ মর্যাদা ৬ মাস কমল
জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান
রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ
টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট
বিয়ের স্বপ্নে মালয়েশিয়ায় যেতে মরিয়া রোহিঙ্গা তরুণীরা
রোহিঙ্গা শিবিরে বেড়ে ওঠা তরুণীদের অনেকের মতোই একটি ভালো জীবনের স্বপ্ন নিয়ে পথে নেমেছিলেন এক তরুণী। পরিবার আর সমাজের চাপে ভাগ্য বদলের আশায় তিনি পাড়ি জমাচ্ছিলেন দূর দেশে, নতুন জীবনের প্রত্যাশায়। বিয়ে করে সংসার পাততে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন ওই তরুণী। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাঁর বিয়ের স্বপ্ন পূরণ হলো না।
এমন যাত্রায় তরুণী একা নন। স্থানীয় কোস্টগার্ড ও এনজিও সূত্রে জানা গেছে, অনেক রোহিঙ্গা নারী দালালদের প্রলোভনে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু অধিকাংশই ফাঁদে পড়ে গহীন পাহাড়ে আটকা পড়ছেন। সেখানে তারা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন এবং মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এমন ৪৪ নারী-শিশুকে উদ্ধার
করেছে কোস্টগার্ড। তাদের মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে পাহাড়ে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। যাদের মধ্যে ২৪ নারীও ছিলেন, যারা বিয়ে করে সংসার পাততে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছেড়ে এসেছিলেন। রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ে করতে মালয়েশিয়া কেন গন্তব্য? জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের কাছে মালয়েশিয়া এখনো সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত আশ্রয়স্থল। সেখানে বৈধ এবং অবৈধভাবে তিন লাখের মত রোহিঙ্গা বসবাস করছেন, যাদের সিংহভাগই গেছেন সাগর-পথে মানব পাচারকারীদের হাত হয়ে। তাদের মধ্যে লাখ দেড়েক জাতিসংঘের চেষ্টায় শরণার্থী হিসাবে রয়েছেন, বাকিরা অবৈধভাবে লুকিয়ে থাকেন। মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গাদের অধিকাংশ দোকান-পাট, রেস্টুরেন্টে কাজ করেন। পাম বাগান এবং কৃষি খামারে কাজ করেন। এছাড়া, যারা অনেকদিন ধরে রয়েছেন তাদের কেউ কেউ দোকানপাট করেছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরে বিয়ে
করতে চাইলে বরপক্ষকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার বেশি নগদ দিতে হয়। বেশির ভাগ পরিবারের সে সামর্থ্য নেই। সে তুলনায় মালয়েশিয়ায় বিয়ের বাজারে রোহিঙ্গা নারীদের চাহিদা রয়েছে। কারণ সে দেশের শ্রমবাজারের একটি অংশ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা যুবকদের দখলে। রোহিঙ্গা পুরুষের তুলনায় সেখানে রয়েছে রোহিঙ্গা নারীর অভাব। রোহিঙ্গা নারীদের অনেকেই মালয়েশিয়া গিয়ে বিয়ে করার স্বপ্নে বিভোর। তারা মনে করেন যে, মালয়েশিয়া যেতে পারলে তাদের ভালো বিয়ে হবে। এ ধারণা তাদের ঢুকিয়ে দিয়েছে মানবপাচারকারী সিন্ডিকেট। এমনটাই বলছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নারীদের নিয়ে কাজ করা সংস্থার প্রধান নির্বাহী। এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্র দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় দরিদ্র মানুষদের বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে ফাঁদ পাতছে।
তারা উচ্চ বেতনের চাকরি, উন্নত জীবনের আশ্বাস এবং বিনা খরচে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে নারী ও শিশুদের পাহাড়ে এনে জিম্মি করে রাখে। এরপর তাদের পরিবার থেকে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করে এবং সুযোগ বুঝে সাগরপথে পাচারের পরিকল্পনা করে।
করেছে কোস্টগার্ড। তাদের মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে পাহাড়ে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। যাদের মধ্যে ২৪ নারীও ছিলেন, যারা বিয়ে করে সংসার পাততে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছেড়ে এসেছিলেন। রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ে করতে মালয়েশিয়া কেন গন্তব্য? জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের কাছে মালয়েশিয়া এখনো সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত আশ্রয়স্থল। সেখানে বৈধ এবং অবৈধভাবে তিন লাখের মত রোহিঙ্গা বসবাস করছেন, যাদের সিংহভাগই গেছেন সাগর-পথে মানব পাচারকারীদের হাত হয়ে। তাদের মধ্যে লাখ দেড়েক জাতিসংঘের চেষ্টায় শরণার্থী হিসাবে রয়েছেন, বাকিরা অবৈধভাবে লুকিয়ে থাকেন। মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গাদের অধিকাংশ দোকান-পাট, রেস্টুরেন্টে কাজ করেন। পাম বাগান এবং কৃষি খামারে কাজ করেন। এছাড়া, যারা অনেকদিন ধরে রয়েছেন তাদের কেউ কেউ দোকানপাট করেছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরে বিয়ে
করতে চাইলে বরপক্ষকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার বেশি নগদ দিতে হয়। বেশির ভাগ পরিবারের সে সামর্থ্য নেই। সে তুলনায় মালয়েশিয়ায় বিয়ের বাজারে রোহিঙ্গা নারীদের চাহিদা রয়েছে। কারণ সে দেশের শ্রমবাজারের একটি অংশ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা যুবকদের দখলে। রোহিঙ্গা পুরুষের তুলনায় সেখানে রয়েছে রোহিঙ্গা নারীর অভাব। রোহিঙ্গা নারীদের অনেকেই মালয়েশিয়া গিয়ে বিয়ে করার স্বপ্নে বিভোর। তারা মনে করেন যে, মালয়েশিয়া যেতে পারলে তাদের ভালো বিয়ে হবে। এ ধারণা তাদের ঢুকিয়ে দিয়েছে মানবপাচারকারী সিন্ডিকেট। এমনটাই বলছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নারীদের নিয়ে কাজ করা সংস্থার প্রধান নির্বাহী। এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্র দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় দরিদ্র মানুষদের বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে ফাঁদ পাতছে।
তারা উচ্চ বেতনের চাকরি, উন্নত জীবনের আশ্বাস এবং বিনা খরচে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে নারী ও শিশুদের পাহাড়ে এনে জিম্মি করে রাখে। এরপর তাদের পরিবার থেকে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করে এবং সুযোগ বুঝে সাগরপথে পাচারের পরিকল্পনা করে।



