ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন ফুটবল দলের কোচের মতো
যুক্তরাজ্যে তাপপ্রবাহের ‘লাল সতর্কতা’, ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে তাপমাত্রা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
তৃণমূলের বিদায়ের পর প্রথম বাজেট বিজেপির
সৌদি আরব, আমিরাতে আটক ৯০% ভিক্ষুক, পকেটমার, চোরই পাকিস্তানি নাগরিক
সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক শুরু
বিমানে ‘ঘুমিয়ে’ ছিলেন বাইডেন : সেনাদের লাশ পেতে অপেক্ষায় স্বজনরা
২০২১ সালের ২৬ আগস্ট আফগানিস্তানের কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবে গেটে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট। ওই ঘটনায নিহত হন ১৩ জন আমেরিকান সৈনিক। নিহত সেনাদের দেহ ডেলাওয়্যারে ডোভার বিমান ঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছিল।
সেখানে নিহতদের সম্মান জানিয়ে দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই গোটা প্রক্রিয়ায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার স্ত্রী জিল বাইডেনের। স্বজনহারাদের অভিযোগ, বিমান ঘাঁটিতে সেনাদের মৃতদেহ পেতে অতিরিক্ত প্রায় তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল। কারণ, প্রেসিডেন্ট নিজের বিমানে ঘুমিয়ে ছিলেন। খবর ডেইলি মেইল।
কাবুলের বিস্ফোরণে ভাইকে হারিয়েছিলেন রয়েস ম্যাককোলাম।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র ডেইলি মেইলকে তিনি বলেন, “নিহত সেনাদের দেহ তুলে দিতে আমাদের অতিরিক্ত তিন ঘণ্টা
অপেক্ষা করিয়েছিলেন (বাইডেন)। কারণ তিনি ঘুম থেকে উঠতে পারছিলেন না।” রয়েস জানান, নিহতদের পরিবারেরা অপেক্ষা করছিলেন ঘাঁটিতে। এক সেনা কর্মকর্তা তাদের জানিয়েছিলেন, বাইডেন ঘুমিয়ে রয়েছেন। কাবুলে নিহত টেলর হুভারের বাবা ডারিন হুভারেরও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দপ্তরে বসেছিলাম। মনে হচ্ছিল অনন্তকাল ধরে প্রতীক্ষা করছি একটা জরাগ্রস্ত বোকা বুড়োর জন্য।” ওই কর্মসূচিতেই সেনাদের দেহ যখন পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল, তখন বাইডেনের বিরুদ্ধে বারবার ঘড়ি দেখার অভিযোগ উঠেছিল।
অপেক্ষা করিয়েছিলেন (বাইডেন)। কারণ তিনি ঘুম থেকে উঠতে পারছিলেন না।” রয়েস জানান, নিহতদের পরিবারেরা অপেক্ষা করছিলেন ঘাঁটিতে। এক সেনা কর্মকর্তা তাদের জানিয়েছিলেন, বাইডেন ঘুমিয়ে রয়েছেন। কাবুলে নিহত টেলর হুভারের বাবা ডারিন হুভারেরও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দপ্তরে বসেছিলাম। মনে হচ্ছিল অনন্তকাল ধরে প্রতীক্ষা করছি একটা জরাগ্রস্ত বোকা বুড়োর জন্য।” ওই কর্মসূচিতেই সেনাদের দেহ যখন পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল, তখন বাইডেনের বিরুদ্ধে বারবার ঘড়ি দেখার অভিযোগ উঠেছিল।



