ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মরুর বুকে বিন সালমানের উচ্চাভিলাষী মহাপরিকল্পনা কি ভেস্তে যেতে বসেছে?
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্নীতি কতো, আর ঋণ পরিশোধের দায়ভার কার?
ইউনূসের ‘মার্কিন চুক্তি’ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুতের ভবিষ্যতের পথে
গুলিতে নিহত টিটন ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, সাজা মাফ করে মুক্তি দেন আসিফ নজরুল
‘ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী’
সিন্ডিকেটে বিপর্যস্ত শ্রমরপ্তানি বাজার: দুই মাসে বিদেশগামী কর্মী কমেছে ৪২%
গুপ্ত হামলার ছক: ড্রোন-অস্ত্রসহ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘আকসা’র চার সদস্য গ্রেপ্তার
বিদ্যুৎ আমদানির বিল পরিশোধে সহজীকরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ শিথিল
বিদ্যুৎ আমদানির অর্থ পরিশোধে আর বাংলাদেশ ব্যাংকের আলাদা অনুমোদন লাগবে না। এখন থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সরকার অনুমোদিত আন্তসীমান্ত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির আওতায় সরাসরি বিল পরিশোধ করতে পারবে। আজ মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো আমদানিকৃত বিদ্যুতের মূল্য পরিশোধ প্রক্রিয়াকে সহজ করা—বিশেষ করে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে সরবরাহ হওয়া বিদ্যুৎ ক্রয়ের ক্ষেত্রে। এতে দ্বিপক্ষীয় বিদ্যুৎ চুক্তি অনুযায়ী বিদেশি সরবরাহকারীদের অর্থ পাঠানো দ্রুত হবে বলে মনে করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুমোদন প্রক্রিয়া তুলে নেওয়ার ফলে প্রশাসনিক জটিলতা যেমন কমবে, তেমনি আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নও নতুন করে উঠতে পারে। কারণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরাসরি
অনুমোদন না লাগলে বিদেশি সরবরাহকারীর কাছে অর্থ প্রেরণে নজরদারি দুর্বল হতে পারে—বিশেষ করে যদি তা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বড় চুক্তি হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে অর্থ পরিশোধের সময় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনবিষয়ক সব নিয়মকানুন, গ্রাহক যাচাই (KYC), এবং অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়মিত প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া যেখানে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা প্রযোজ্য হবে, সেখানে প্রচলিত আমদানি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ছে—ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তিগুলোও বহুমাত্রিক হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন শিথিল করা
আমলাতান্ত্রিক জট কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে স্বচ্ছতা রক্ষায় শক্ত মনিটরিং কাঠামো অপরিহার্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি নির্ধারণী পর্য়ায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, নিয়ম সহজ হলো, কিন্তু নজরদারি জোরদার না হলে রাষ্ট্রীয় অর্থপ্রবাহের স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
অনুমোদন না লাগলে বিদেশি সরবরাহকারীর কাছে অর্থ প্রেরণে নজরদারি দুর্বল হতে পারে—বিশেষ করে যদি তা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বড় চুক্তি হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে অর্থ পরিশোধের সময় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনবিষয়ক সব নিয়মকানুন, গ্রাহক যাচাই (KYC), এবং অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়মিত প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া যেখানে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা প্রযোজ্য হবে, সেখানে প্রচলিত আমদানি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ছে—ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তিগুলোও বহুমাত্রিক হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন শিথিল করা
আমলাতান্ত্রিক জট কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে স্বচ্ছতা রক্ষায় শক্ত মনিটরিং কাঠামো অপরিহার্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি নির্ধারণী পর্য়ায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, নিয়ম সহজ হলো, কিন্তু নজরদারি জোরদার না হলে রাষ্ট্রীয় অর্থপ্রবাহের স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।



