ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
যশোর-২ আসনে পরাজয়: বিএনপিতে প্রকাশ্য কোন্দল, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
বিএনপি ও জামায়াত ভেতরে ভেতরে এক, মাঠে তারা কৃত্রিম দ্বন্দ্ব দেখাচ্ছে।” শামীম হায়দার পাটোয়ারী, মহাসচিব, জাতীয় পার্টি।
শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে তৈরি সেই পাইপলাইনই এখন বিএনপির ভরসা
বিএনপির দুই গ্রুপের বোমাবাজি, আহত ৭
যশোরের শার্শায় সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি দুইগ্রুপের মধ্যে বোমাবাজি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৭জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের গোড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, সমাবেশকে ঘিরে পূর্ব থেকে উত্তেজনা ছিল। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যশোরের শার্শা উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতারা মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় নিজামপুর ইউনিয়নের গোড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের আয়োজন করে। প্রতিপক্ষ গ্রুপও একই মাঠে সমাবেশের ঘোষণা দেয়। সোমবার থেকেই এ নিয়ে গোড়পাড়া এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিলো।
এ কারণে সকাল থেকে সমাবেশ স্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। কিন্তু দুপুর একটার
দিকে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসান জহির গ্রুপ মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি গ্রুপের সমাবেশ মঞ্চে হামলা চালায়। এ সময় তারা সমাবেশ মঞ্চ ও চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে। একই সাথে অন্তত ১২টি ককটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি গ্রুপের নেতাকর্মীদের দাবি হামলায় তাদের ৭জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান জানান, সমাবেশকে কেন্দ্র করে পূর্ব থেকে উত্তেজনা ছিল। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দিকে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসান জহির গ্রুপ মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি গ্রুপের সমাবেশ মঞ্চে হামলা চালায়। এ সময় তারা সমাবেশ মঞ্চ ও চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে। একই সাথে অন্তত ১২টি ককটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি গ্রুপের নেতাকর্মীদের দাবি হামলায় তাদের ৭জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান জানান, সমাবেশকে কেন্দ্র করে পূর্ব থেকে উত্তেজনা ছিল। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



