ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট নিয়ে রেলওয়ের জরুরি বার্তা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটঃ আসন্ন বাজেটে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অগ্রিম আয়করের প্রস্তাব
ড. ইউনুস সরকারকে ‘শিশু খুনি’ আখ্যা দিলেন ইমি
আরও ৯ মায়ের কোল খালি
৭৯ জনের বিশাল লটবহর নিয়ে ইউনূসের আজারবাইজান সফরে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থব্যয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সম্পর্কে অসত্য তথ্য দিচ্ছেন
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছেন নিহত উক্যছাইং-এর পিতা
বাণিজ্য সচিব নিয়োগে এনসিপি নেতা নাহিদকে ৩৫ কোটি টাকা ঘুষ প্রদানের অভিযোগ
ঘুষ–দুর্নীতি-চাঁদাবাজিতে অচল রাষ্ট্র, জড়িত অন্তর্বর্তী সরকারের ঊর্ধ্বতন এবং প্রশাসনের লোকজন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে বাণিজ্য সচিব নিয়োগে ৩৫ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্য পাচার মামলার আসামি মো. মাহবুবুর রহমানকে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সচিব পদে বসানোর জন্য বিপুল অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এসেছে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ফৌজদারি মামলার আসামিকে উচ্চপদে নিয়োগ দেওয়া যায় না, তবে এই নিয়োগ আইন লঙ্ঘন করে করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন।
মাহবুবুর রহমান পূর্বে আইসিটি বিভাগের ডেটা সেন্টারের দায়িত্বে ছিলেন। তার সময়ে কোটি কোটি নাগরিকের সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনা ঘটেছিল। তারপরও তাকে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায়
ঘুষ–চাঁদাবাজির অভিযোগ নতুন মাত্রা পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা বলছেন, দুর্নীতিবাজরা এখন ওপেন সিক্রেটের মতো কাজ করছে। অভিযোগে অর্থ লোপাট, চাঁদাবাজি, ভেজাল পণ্য ব্যবসা এবং মাদক কারবারেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ আছে। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি যোগ্যতার পরিবর্তে ঘুষ ও রাজনৈতিক তদবিরই নিয়োগের মূল মানদণ্ড হয়, তবে রাষ্ট্রীয় কাঠামো দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়বে, উন্নয়ন স্থবির হবে এবং জনগণের আস্থা ভেঙে যাবে। তাই দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচার করা এখন সময়ের দাবি।
ঘুষ–চাঁদাবাজির অভিযোগ নতুন মাত্রা পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা বলছেন, দুর্নীতিবাজরা এখন ওপেন সিক্রেটের মতো কাজ করছে। অভিযোগে অর্থ লোপাট, চাঁদাবাজি, ভেজাল পণ্য ব্যবসা এবং মাদক কারবারেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ আছে। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি যোগ্যতার পরিবর্তে ঘুষ ও রাজনৈতিক তদবিরই নিয়োগের মূল মানদণ্ড হয়, তবে রাষ্ট্রীয় কাঠামো দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়বে, উন্নয়ন স্থবির হবে এবং জনগণের আস্থা ভেঙে যাবে। তাই দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচার করা এখন সময়ের দাবি।



