ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাস ভাড়া বাড়াল সরকার
সেচ সংকটে বিপর্যয়: “কৃষি কার্ড” নিয়ে পাম্পে পাম্পে ঘুরেও ডিজেল পাচ্ছেন না কৃষক, বোরো ধানে চিটা পড়ার আশঙ্কা
আদানির ইউনিট বন্ধ, জ্বালানি সংকটে লোডশেডিং বেড়েই চলেছে
তেলের লাইনে দাঁড়াতেও ‘ভাড়া চালক’ সংকটে নতুন ব্যবসা
গ্যাস সংকটের দায় আওয়ামী লীগ সরকারের ঘাড়ে চাপানো তথ্যমন্ত্রীর বিভ্রান্তিকর বক্তব্য: ফ্যাক্টস কী বলছে
ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে
বাসভাড়া বাড়ছে বৃহস্পতিবার
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় থমকে যাচ্ছে গার্মেন্টস খাত, ক্রয়াদেশ চলে যাচ্ছে ভারতে
বাংলাদেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে—এমন ধারণা থেকে বিদেশি ক্রেতারা নতুন ক্রয়াদেশ দেওয়া থেকে সরে আসছেন এবং অনেক অর্ডার ইতোমধ্যে ভারতসহ অন্যান্য দেশে সরিয়ে নিচ্ছেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় শিল্প সংশ্লিষ্ট নেতারা এ উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ জানান, বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, কিছু ক্রেতা সরাসরি জানিয়ে দিচ্ছেন—বাংলাদেশে অদূর ভবিষ্যতে
বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হতে পারে, তাই তাদের শীর্ষ ব্যবস্থাপনা এখানকার অর্ডার অনুমোদন করছে না। এর ফলে জুলাই-আগস্ট মৌসুমের সম্ভাব্য বড় অর্ডারগুলো ইতোমধ্যে ধীর হয়ে গেছে কিংবা অন্য দেশে চলে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আরও জানান, গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যা বিদেশি ক্রেতাদের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অনেক ক্রেতা ঝুঁকি এড়াতে বিকল্প বাজার হিসেবে ভারতকে বেছে নিচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের রপ্তানি আয়েও নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে রপ্তানি আয় প্রায় ৪.৮৫ শতাংশ কমেছে এবং তৈরি পোশাক খাতেও নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করা না গেলে বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত
বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। একই সঙ্গে তারা নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কর ছাড়সহ নীতিগত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন, যাতে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নির্ভরতা কমানো যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন শুধু শিল্প খাত নয়, সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। অন্যথায় আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হতে পারে, তাই তাদের শীর্ষ ব্যবস্থাপনা এখানকার অর্ডার অনুমোদন করছে না। এর ফলে জুলাই-আগস্ট মৌসুমের সম্ভাব্য বড় অর্ডারগুলো ইতোমধ্যে ধীর হয়ে গেছে কিংবা অন্য দেশে চলে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আরও জানান, গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যা বিদেশি ক্রেতাদের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অনেক ক্রেতা ঝুঁকি এড়াতে বিকল্প বাজার হিসেবে ভারতকে বেছে নিচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের রপ্তানি আয়েও নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে রপ্তানি আয় প্রায় ৪.৮৫ শতাংশ কমেছে এবং তৈরি পোশাক খাতেও নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করা না গেলে বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত
বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। একই সঙ্গে তারা নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কর ছাড়সহ নীতিগত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন, যাতে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নির্ভরতা কমানো যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন শুধু শিল্প খাত নয়, সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। অন্যথায় আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।



