ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা রায়, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, বাংলাদেশের নতুন জাগরণ
বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ বাতিল : পাকিস্তানপন্থীদের কাছে বাপের পরাজয় উদযাপন বিব্রতকর!
অবৈধ সরকার হটাও — বন্দর রক্ষা করো
আমাদের দল সম্পূর্ণভাবে ইউনাইটেড আছে।” – বিবিসিকে সজীব ওয়াজেদ
হঠাও ইউনুস, বাঁচাও দেশ শেখ হাসিনার নির্দেশ
‘সাহস থাকলে প্লেন পাঠান, আমি চলে যাব’—ভাইরাল অডিওতে শেখ হাসিনার হুঙ্কার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ জানিয়ে ৫১২ জন আইনজীবীর বিবৃতি
বাংলাদেশের ওপর অনাস্থা? শিলিগুড়ি করিডর সুরক্ষায় ভারতের নতুন সামরিক ছক ও ভূ-রাজনীতির সমীকরণ
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযোগকারী অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সরু এলাকা ‘শিলিগুড়ি করিডর’ বা ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাচ্ছে নয়াদিল্লি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ওই অঞ্চলে তিনটি নতুন ‘ফরোয়ার্ড বেস’ বা সম্মুখবর্তী সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করছে ভারত। তবে কেবল অবকাঠামো নির্মাণ নয়, এই সিদ্ধান্তের পেছনে বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে প্রধান কারণ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে।
শিলিগুড়ি করিডর ভৌগোলিকভাবে ভারতের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২০-২২ কিলোমিটার চওড়া এই অংশটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সাতটি রাজ্যকে (সেভেন সিস্টার্স) যুক্ত রেখেছে। যুদ্ধের সময় এই করিডর বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
দীর্ঘদিন ধরে ভারতের সামরিক পরিকল্পনাকারীদের দুশ্চিন্তার মূল কারণ ছিল উত্তরের চীন এবং দক্ষিণের বাংলাদেশ সীমান্ত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক গতিপথ ‘চীন ও পাকিস্তানের’ দিকে ঝুঁকছে বলে মনে করছে নয়াদিল্লি। বিশ্লেষকদের মতে, বিগত সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে গভীর নিরাপত্তা সহযোগিতা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লি সেখানে আস্থার সংকট দেখছে। ভারত আশঙ্কা করছে, ভবিষ্যতের কোনো সংঘাতে বাংলাদেশ ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারত-বিরোধী তৎপরতা বা চীনের প্রভাব বাড়তে পারে। ফলে দক্ষিণ দিক থেকে যে নিশ্চিন্ত নিরাপত্তা বলয় ভারত উপভোগ করত, তা এখন আর কার্যকর মনে
করছে না তারা। ভারতের এই সামরিক প্রস্তুতির আরেকটি বড় কারণ চীন। ডোকলাম মালভূমি এবং চুম্বি উপত্যকা শিলিগুড়ি করিডরের খুব কাছে অবস্থিত। চীনের দীর্ঘদিনের নজর এই করিডরের ওপর। ভারতের আশঙ্কা, চীন যদি উত্তর দিক থেকে চাপ সৃষ্টি করে এবং একই সময়ে বাংলাদেশ যদি নিরপেক্ষ না থাকে বা পাকিস্তান-চীন ব্লকের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে ভারত ত্রিমুখী সংকটে পড়বে। নতুন তিনটি ঘাঁটি নির্মাণের মাধ্যমে ভারত মূলত এই সম্ভাব্য ‘টু-ফ্রন্ট ওয়ার’ বা দ্বিমুখী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন তিনটি ফরোয়ার্ড বেস তৈরির অর্থ হলো—ওই অঞ্চলে ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন আরও দ্রুত সেনা মোতায়েন করতে পারবে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defence), নজরদারি ড্রোন এবং আর্টিলারি সক্ষমতা সেখানে বৃদ্ধি করা
হবে। এর মাধ্যমে ভারত বার্তা দিতে চাইছে যে, প্রতিবেশি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা-ই হোক, নিজেদের ‘লাইফলাইন’ রক্ষায় তারা আপোষহীন এবং আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা (Aggressive Defence) অবস্থানে যাচ্ছে। শিলিগুড়ি করিডরে সামরিকায়ন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, প্রতিবেশি হিসেবে বাংলাদেশের ওপর ভারতের কৌশলগত ‘ট্রাস্ট ডেফিসিট’ বা আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। নয়াদিল্লি আর কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর ভরসা করে সীমান্তের নিরাপত্তা ছেড়ে রাখতে রাজি নয়। বরং পরিবর্তিত ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তারা এখন ‘হার্ড পাওয়ার’ বা সামরিক শক্তির ওপরই বেশি জোর দিচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে ভারতের সামরিক পরিকল্পনাকারীদের দুশ্চিন্তার মূল কারণ ছিল উত্তরের চীন এবং দক্ষিণের বাংলাদেশ সীমান্ত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক গতিপথ ‘চীন ও পাকিস্তানের’ দিকে ঝুঁকছে বলে মনে করছে নয়াদিল্লি। বিশ্লেষকদের মতে, বিগত সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে গভীর নিরাপত্তা সহযোগিতা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লি সেখানে আস্থার সংকট দেখছে। ভারত আশঙ্কা করছে, ভবিষ্যতের কোনো সংঘাতে বাংলাদেশ ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারত-বিরোধী তৎপরতা বা চীনের প্রভাব বাড়তে পারে। ফলে দক্ষিণ দিক থেকে যে নিশ্চিন্ত নিরাপত্তা বলয় ভারত উপভোগ করত, তা এখন আর কার্যকর মনে
করছে না তারা। ভারতের এই সামরিক প্রস্তুতির আরেকটি বড় কারণ চীন। ডোকলাম মালভূমি এবং চুম্বি উপত্যকা শিলিগুড়ি করিডরের খুব কাছে অবস্থিত। চীনের দীর্ঘদিনের নজর এই করিডরের ওপর। ভারতের আশঙ্কা, চীন যদি উত্তর দিক থেকে চাপ সৃষ্টি করে এবং একই সময়ে বাংলাদেশ যদি নিরপেক্ষ না থাকে বা পাকিস্তান-চীন ব্লকের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে ভারত ত্রিমুখী সংকটে পড়বে। নতুন তিনটি ঘাঁটি নির্মাণের মাধ্যমে ভারত মূলত এই সম্ভাব্য ‘টু-ফ্রন্ট ওয়ার’ বা দ্বিমুখী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন তিনটি ফরোয়ার্ড বেস তৈরির অর্থ হলো—ওই অঞ্চলে ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন আরও দ্রুত সেনা মোতায়েন করতে পারবে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defence), নজরদারি ড্রোন এবং আর্টিলারি সক্ষমতা সেখানে বৃদ্ধি করা
হবে। এর মাধ্যমে ভারত বার্তা দিতে চাইছে যে, প্রতিবেশি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা-ই হোক, নিজেদের ‘লাইফলাইন’ রক্ষায় তারা আপোষহীন এবং আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা (Aggressive Defence) অবস্থানে যাচ্ছে। শিলিগুড়ি করিডরে সামরিকায়ন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, প্রতিবেশি হিসেবে বাংলাদেশের ওপর ভারতের কৌশলগত ‘ট্রাস্ট ডেফিসিট’ বা আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। নয়াদিল্লি আর কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর ভরসা করে সীমান্তের নিরাপত্তা ছেড়ে রাখতে রাজি নয়। বরং পরিবর্তিত ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তারা এখন ‘হার্ড পাওয়ার’ বা সামরিক শক্তির ওপরই বেশি জোর দিচ্ছে।



