ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
একটির খরচে ৫টি দূরে থাক, উল্টো মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ব্যয় বাড়ল ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি ক্লোজড
বিএনপি-জামায়াতপন্থি ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিতে বিভিন্ন দপ্তরে হুমকি-ধমকি: এমপি-মন্ত্রীদের চাপ
তিস্তা প্রকল্পে নতুন মেরুকরণ, বেইজিংয়ের পর নজর ওয়াশিংটনেরও: কৌশলগত নতুন ক্ষেত্র উত্তরাঞ্চল?
পাকিস্তানের ফুললি ফান্ডেড স্কলারশিপের মুলা: উচ্চশিক্ষা নিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের হাহাকার, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা চুরি করে ট্রান্সফরমার
৭ নেতার ফাঁসির রায়: সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের নীরব প্রতিবাদ
বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমিক আমদানি ও ওয়ার্ক পারমিট স্থগিত করল লাওস
বাংলাদেশি নাগরিকদের নতুন করে কাজের অনুমতিপত্র বা ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া, শ্রমিক আমদানির পরিকল্পনা এবং শ্রম প্রকল্পের অনুমোদন স্থগিত করেছে লাওস।
দেশটির শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এই স্থগিতাদেশ ২০২৬ সালের শেষ দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
গত ৯ই সেপ্টেম্বর জারি করা এক নির্দেশনায় লাওসের শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানায়, অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশ, মানবপাচার, অনুমোদন ছাড়া শ্রমিক সরবরাহকারী দালাল এবং বিদেশি শ্রমিক এনে পরবর্তীতে তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া নিয়োগকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্যই কেন আলাদাভাবে এই স্থগিতাদেশ আরোপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দেশনায় নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
তবে নির্দিষ্ট চুক্তির মেয়াদ রয়েছে—এমন বড়
এবং সরকারি অনুমোদন পাওয়া অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোকে এই স্থগিতাদেশের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। নতুন এই আদেশের কারণে ব্যক্তি, কোম্পানি, নিয়োগকর্তা কিংবা লেবার অপারেটররা নিজেদের উদ্যোগে কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে লাওসে প্রবেশ বা কর্মসংস্থানের অনুমতি দিতে পারবেন না। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য লেবার ভিসা পারমিট অনুমোদনের প্রক্রিয়াও বন্ধ থাকবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আইন বা বিধিনিষেধ অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে জরিমানা, বাধ্যতামূলকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের মতো ব্যবস্থা। অনুমোদন ছাড়া কোনো শ্রমিক আমদানি বা নিয়োগ করা হলে প্রতিটি শ্রমিক এবং প্রতিটি লঙ্ঘনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাকে ২৫ লাখ লাও কিপ,
যা প্রায় ১১০ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ, জরিমানা দিতে হবে। একইভাবে অন্য কোনো শ্রম ইউনিটে পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্যে শ্রমিক আমদানি করলেও প্রতি শ্রমিক ও প্রতি লঙ্ঘনের জন্য একই পরিমাণ জরিমানা আরোপ করা হবে। অন্যদিকে কোনো নিয়োগকর্তা যদি অন্য শ্রম ইউনিটে নিয়োজিত কর্মীকে অনুমোদন ছাড়া কাজে ব্যবহার বা গ্রহণ করেন, তাহলে প্রতি কর্মীর জন্য ২০ লাখ লাও কিপ বা প্রায় ৮৯ মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে হবে। এ ছাড়া কোনো শ্রমিক অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত কর্মস্থল ত্যাগ করে অন্য জায়গায় গিয়ে কাজ করলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের ক্ষেত্রে প্রতি ব্যক্তি ও প্রতি ঘটনার জন্য ১০ লাখ লাও কিপ, অর্থাৎ প্রায় ৪৪ মার্কিন ডলার জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি ওই শ্রমিককে ৩০
দিনের মধ্যে বহিষ্কারের বিধান রাখা হয়েছে। তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর যাবতীয় ব্যয় নিয়োগকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট লঙ্ঘনকারীকে বহন করতে হবে। একই ধরনের অপরাধ পুনরায় সংঘটিত হলে আগের তুলনায় তিন গুণ জরিমানা দিতে হবে। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আইনি ব্যবস্থারও মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে লাওসে বর্তমানে কতসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক কর্মরত রয়েছেন, সে বিষয়ে নির্দেশনায় কোনো পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি। একইভাবে, স্থগিতাদেশের কারণে কোন কোন শ্রম খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বা প্রভাবিত হতে পারে, সে বিষয়েও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে লাওসে শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিকভাবে নির্মাণ ও উৎপাদন খাতই প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে
আসছে।
এবং সরকারি অনুমোদন পাওয়া অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোকে এই স্থগিতাদেশের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। নতুন এই আদেশের কারণে ব্যক্তি, কোম্পানি, নিয়োগকর্তা কিংবা লেবার অপারেটররা নিজেদের উদ্যোগে কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে লাওসে প্রবেশ বা কর্মসংস্থানের অনুমতি দিতে পারবেন না। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য লেবার ভিসা পারমিট অনুমোদনের প্রক্রিয়াও বন্ধ থাকবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আইন বা বিধিনিষেধ অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে জরিমানা, বাধ্যতামূলকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের মতো ব্যবস্থা। অনুমোদন ছাড়া কোনো শ্রমিক আমদানি বা নিয়োগ করা হলে প্রতিটি শ্রমিক এবং প্রতিটি লঙ্ঘনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাকে ২৫ লাখ লাও কিপ,
যা প্রায় ১১০ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ, জরিমানা দিতে হবে। একইভাবে অন্য কোনো শ্রম ইউনিটে পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্যে শ্রমিক আমদানি করলেও প্রতি শ্রমিক ও প্রতি লঙ্ঘনের জন্য একই পরিমাণ জরিমানা আরোপ করা হবে। অন্যদিকে কোনো নিয়োগকর্তা যদি অন্য শ্রম ইউনিটে নিয়োজিত কর্মীকে অনুমোদন ছাড়া কাজে ব্যবহার বা গ্রহণ করেন, তাহলে প্রতি কর্মীর জন্য ২০ লাখ লাও কিপ বা প্রায় ৮৯ মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে হবে। এ ছাড়া কোনো শ্রমিক অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত কর্মস্থল ত্যাগ করে অন্য জায়গায় গিয়ে কাজ করলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের ক্ষেত্রে প্রতি ব্যক্তি ও প্রতি ঘটনার জন্য ১০ লাখ লাও কিপ, অর্থাৎ প্রায় ৪৪ মার্কিন ডলার জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি ওই শ্রমিককে ৩০
দিনের মধ্যে বহিষ্কারের বিধান রাখা হয়েছে। তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর যাবতীয় ব্যয় নিয়োগকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট লঙ্ঘনকারীকে বহন করতে হবে। একই ধরনের অপরাধ পুনরায় সংঘটিত হলে আগের তুলনায় তিন গুণ জরিমানা দিতে হবে। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আইনি ব্যবস্থারও মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে লাওসে বর্তমানে কতসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক কর্মরত রয়েছেন, সে বিষয়ে নির্দেশনায় কোনো পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি। একইভাবে, স্থগিতাদেশের কারণে কোন কোন শ্রম খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বা প্রভাবিত হতে পারে, সে বিষয়েও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে লাওসে শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিকভাবে নির্মাণ ও উৎপাদন খাতই প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে
আসছে।



