ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমিক আমদানি ও ওয়ার্ক পারমিট স্থগিত করল লাওস
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি ক্লোজড
বিএনপি-জামায়াতপন্থি ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিতে বিভিন্ন দপ্তরে হুমকি-ধমকি: এমপি-মন্ত্রীদের চাপ
তিস্তা প্রকল্পে নতুন মেরুকরণ, বেইজিংয়ের পর নজর ওয়াশিংটনেরও: কৌশলগত নতুন ক্ষেত্র উত্তরাঞ্চল?
পাকিস্তানের ফুললি ফান্ডেড স্কলারশিপের মুলা: উচ্চশিক্ষা নিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের হাহাকার, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা চুরি করে ট্রান্সফরমার
৭ নেতার ফাঁসির রায়: সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের নীরব প্রতিবাদ
একটির খরচে ৫টি দূরে থাক, উল্টো মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ব্যয় বাড়ল ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা
আওয়ামী লীগ সরকার মেট্রোরেলসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ৫-১০ গুণ বেশি অর্থ খরচ করেছে, অপচয় কিংবা বিদেশে পাচার করেছে- এমন তথ্য শোনা গিয়েছিল বেশ কয়েক বছর ধরে। সমালোচকরা বলে এসেছিল, ১টি প্রকল্পের অর্থে ৫-১০টি প্রকল্প করা যেত। বিশেষ করে ৫ই আগস্টের পর আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির কথিত বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে উচ্চারিত হয়েছিল এমন বক্তব্য।
তবে বাস্তব চিত্র দেখা যাচ্ছে ভিন্ন। এমআরটি লাইন-৫-এর ব্যয় বাড়ছে ১২৬%, ৪১ হাজার কোটি থেকে এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার কোটি টাকা। লাইন-১-এর ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে ১৩০ শতাংশ। অর্থাৎ ৫২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি ১৩ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। যা
দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প- রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যয়ের কাছাকাছি। একটি প্রকল্পের টাকায় ৫টি মেট্রোরেল নির্মাণের যে আকাশকুসুম প্রস্তাবনা ছিল জুলাই আন্দোলনকারীদের, সেসব উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে চলছে তুমুল সমালোচনা। যদিও অর্থাভাবে চলমান প্রকল্প বন্ধের মতো সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সরকারকে। এরইমধ্যে ‘এমআরটি লাইন-২’ নামে আরেকটি নতুন মেট্রোরেল প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ব্যয় বাড়ল ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে তিনটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর মধ্যে জাপানের অর্থায়নে চলমান দুটি প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। ১৬ই সেপ্টেম্বর, বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায়
মেট্রোরেলের তিন প্রকল্পসহ মোট ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। অনুমোদিত তিন মেট্রোরেল প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা। ৩১.২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১ হাজার ৮৩৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় বেড়েছে ৯ হাজার ২৭২ কোটি ২ লাখ টাকা। প্রকল্পটি ২০৩৩ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্ন প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬
লাখ টাকা। এর মূল ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সংশোধনীতে ব্যয় বেড়েছে ৪৮ হাজার ৬০৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা। গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭.২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা। বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়ন সহায়তা তহবিল ইডিসিএফের ঋণ সহায়তা থেকে আসবে। প্রকল্পটির ১৩.১০ কিলোমিটার হবে ভূগর্ভস্থ এবং বাকি অংশ উড়ালপথে নির্মাণ করা হবে। গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও হয়ে হাতিরঝিলের তলদেশ দিয়ে আফতাবনগর
পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ অংশ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। একনেক সভায় বলা হয়েছে, নগরবাসীর যাতায়াত সহজ করা এবং ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিন প্রকল্প একসঙ্গে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প- রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যয়ের কাছাকাছি। একটি প্রকল্পের টাকায় ৫টি মেট্রোরেল নির্মাণের যে আকাশকুসুম প্রস্তাবনা ছিল জুলাই আন্দোলনকারীদের, সেসব উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে চলছে তুমুল সমালোচনা। যদিও অর্থাভাবে চলমান প্রকল্প বন্ধের মতো সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সরকারকে। এরইমধ্যে ‘এমআরটি লাইন-২’ নামে আরেকটি নতুন মেট্রোরেল প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ব্যয় বাড়ল ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে তিনটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর মধ্যে জাপানের অর্থায়নে চলমান দুটি প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। ১৬ই সেপ্টেম্বর, বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায়
মেট্রোরেলের তিন প্রকল্পসহ মোট ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। অনুমোদিত তিন মেট্রোরেল প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা। ৩১.২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১ হাজার ৮৩৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় বেড়েছে ৯ হাজার ২৭২ কোটি ২ লাখ টাকা। প্রকল্পটি ২০৩৩ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্ন প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬
লাখ টাকা। এর মূল ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সংশোধনীতে ব্যয় বেড়েছে ৪৮ হাজার ৬০৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা। গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭.২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা। বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়ন সহায়তা তহবিল ইডিসিএফের ঋণ সহায়তা থেকে আসবে। প্রকল্পটির ১৩.১০ কিলোমিটার হবে ভূগর্ভস্থ এবং বাকি অংশ উড়ালপথে নির্মাণ করা হবে। গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও হয়ে হাতিরঝিলের তলদেশ দিয়ে আফতাবনগর
পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ অংশ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। একনেক সভায় বলা হয়েছে, নগরবাসীর যাতায়াত সহজ করা এবং ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিন প্রকল্প একসঙ্গে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।



