ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪২৪
গভীর রাতে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল সভাপতিকে উত্তম-মধ্যম, দল থেকেও বহিষ্কার
দরিদ্র ছাত্রের বরাদ্দ সাইকেল নাতনিকে, ধরা পড়ে ফেরত জামায়াত নেতার: ছাগল-ফুটবল-সেলাই মেশিনও লোপাট
হাজারীবাগে বাথরুমের সিলিংয়ে থানা লুটের শটগান: ভাড়াটিয়াদের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ
চট্টগ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে পিঠে গুলি করে যুবককে হত্যা, ধোঁয়াশায় পুলিশ
১ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় পটিয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
রণক্ষেত্র সাতকানিয়া: সশস্ত্র জামায়াত-শিবির কর্মীদের গুলিতে রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ কর্মী, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ
ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কর্তৃক ধর্ষিত নুসরাত জাহান রাফির কথা মনে আছে?
আপনাদের মনে আছে? ফেনীর সোনাগাজীর নুসরাত জাহান রাফির কথা? ২০১৯ সালের মার্চ মাসে নুসরাত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন। নুসরাতের মা বাদী হয়ে মামলা করেন এবং অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার হন।
পরবর্তীতে মামলা প্রত্যাহারের জন্য নুসরাত ও তাঁর পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়, কিন্তু তিনি রাজি হননি। একই বছর, অর্থাৎ ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল নুসরাত আলিম পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসায় গেলে তাকে ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাতে নুসরাত মারা যান। পর্দা, রক্ষণশীল জীবনযাপন, মাদ্রাসার শিক্ষা কোনোকিছুই তাকে বাঁচতে দেয়নি। নুসরাত জাহান রাফি শরীর ভরা দগদগে ক্ষত
আর বুকভরা যন্ত্রণা নিয়ে মারা গেছে। এদিকে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে নুসরাত হত্যার সাত বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে, প্রতিবেদন অনুযায়ী, দণ্ডিত আসামিদের ফাঁসির রায় এখনো কার্যকর হয়নি, যা নিয়ে পরিবার ও মানবাধিকার কর্মীরা আজও উদ্বেগ প্রকাশ করে চলেছেন। আমাদের এই উদ্বেগটুকুই সম্বল। আরো উদ্বেগ আনার জন্য আছে একের পর এক মাদ্রাসা হুজুরদের দণ্ড-প্রতাপ! সম্প্রতি ১১ বছরের মাদরাসা ছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হবার খবরে আমাদের সবার মাথায় বাজ পড়ার দশা। অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির গর্ভে থাকা শিশুর বয়স প্রায় ২৭ সপ্তাহের বেশি (প্রায় ৭ থেকে সাড়ে ৭ মাস)। শিশুটির বয়স এখন ১২ বছর, উচ্চতা সাড়ে চার ফুটের কম এবং ওজন মাত্র ২৯ কেজি। শিশুটির সরু
কোমরের তুলনায় গর্ভস্থ বাচ্চার মাথার মাপ অনেক বেশি। এটি বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া শিশুটির রক্তশূন্যতাও আছে। যা এমনিতেও তার জন্য যেকোনো সময় নানান জটিলতার কারণ হতে পারে। বিকৃত যৌনাচারের বলি হওয়া ১২ বছরের শিশুটির ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা পড়লাম ঢাকা পোস্টের একটা বিস্তারিত প্রতিবেদনে। ধর্ষণের শিকার শিশুটির এখন জীবন নিয়েই শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কখনো মসজিদের বারান্দায় কোলে বসিয়ে, কখনো মাদরাসার রুমে আটকে রেখে যিনি এই পাশবিকতা যে করেছে তার বক্তব্যের একটা ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই ভিডিওতে ধর্ষক শিক্ষক সব অস্বীকার করছেন, সবই মিথ্যা বানোয়াট। এই বাচ্চা মেয়ে বোরকা পরতো না, মাথায় হিজাব দিতো না, তাকে
কন্ট্রোল করা যেতো না…..তার মায়ের আবার বিয়ে হয়েছে, সে সৎ বাবার সাথে থেকেছে….ব্লা ব্লা কত অভিযোগ তার! অথচ এই ঘটনার শিকার অন্তঃসত্ত্বা শিশুটিই কেবল নয়, তার অন্যান্য সহপাঠীরাও এই একই লালসার শিকার হয়েছে বলেও শিশুটি জানায়। শিশুটির মা তার সাথে আদতে থাকতেন না। বেশ অনেকদিন পর তিনি বাড়িতে মেয়ের কাছে থাকতে আসেন। তার ভাষ্যমতে, “বাড়িতে আসি, তো আসার পরে ওর কাছে শুইলে আমি দেখলাম, ওর পেটটা একটু বড়। তারপরও আমি এসব ভাবি নাই। ভাবছি, ছোট মানুষের লগে আর কেউ করব এই কাম! তো আমি ডাক্তারের কাছে গেলাম, ডাক্তার কইল ছয় মাসের প্রেগন্যান্ট। পরে আমার মেয়েরে চাপ দিছি। বলি- এই ঘটনা
কার লগে করছস? কয়- আমার লগে সাগর হুজুর এমন করছে। সাগর হুজুর কিন্তু ওই দিন থেকেই ভাগছে যেদিন আমি সিলেট থেকে এলাকায় আসছি। ওই দিন থেকেই সাগর হুজুর পলাতক। তো ওর ভাই মামুন মিয়ারে বললাম, ওর ভাই বলে আমরা এইডা সমাধান কইরা ফেলি। যেটা হইছে, হইছে।” এইসব পড়তে পড়তে মাথাটা খারাপ হয়ে যায়। বাকী কিছু আসলে ভাবা যায় না। এই দেশে, এই সমাজে সুস্থ থাকার কায়দাটা আসলে কী! একটু ভালো কিছু ভাববেন, ভালো কিছু করবেন তার জন্য কীভাবে জীবন যাপন করলে ভালো হয়? কেউ কেউ বলেন ইগনোর করো! কত কিছুই আর ইগনোর করা যায়! আর ইগনোরটাই বা কেন করবো!? অনেক কিছু
লিখতে এসে লিখলামও অনেকটা। তবে খেই হারিয়ে ফেলেছি। মাদ্রাসা, হুজুর, ধর্ষণ, নারী নিপীড়ন, ভায়োলেন্স এসব নিয়ে ভেবে ভেবে আমরা সবাই পাগল হয়ে যাবো আর রাষ্ট্র শুধু নিয়ম কপচাবে। যে নিয়মে লেখা এসবই হবে, হতেই থাকবে, নাগরিক তথা দর্শক হিসেবে তোমরা এসব বিনা টিকেটে দেখে যাবা।
আর বুকভরা যন্ত্রণা নিয়ে মারা গেছে। এদিকে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে নুসরাত হত্যার সাত বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে, প্রতিবেদন অনুযায়ী, দণ্ডিত আসামিদের ফাঁসির রায় এখনো কার্যকর হয়নি, যা নিয়ে পরিবার ও মানবাধিকার কর্মীরা আজও উদ্বেগ প্রকাশ করে চলেছেন। আমাদের এই উদ্বেগটুকুই সম্বল। আরো উদ্বেগ আনার জন্য আছে একের পর এক মাদ্রাসা হুজুরদের দণ্ড-প্রতাপ! সম্প্রতি ১১ বছরের মাদরাসা ছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হবার খবরে আমাদের সবার মাথায় বাজ পড়ার দশা। অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির গর্ভে থাকা শিশুর বয়স প্রায় ২৭ সপ্তাহের বেশি (প্রায় ৭ থেকে সাড়ে ৭ মাস)। শিশুটির বয়স এখন ১২ বছর, উচ্চতা সাড়ে চার ফুটের কম এবং ওজন মাত্র ২৯ কেজি। শিশুটির সরু
কোমরের তুলনায় গর্ভস্থ বাচ্চার মাথার মাপ অনেক বেশি। এটি বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া শিশুটির রক্তশূন্যতাও আছে। যা এমনিতেও তার জন্য যেকোনো সময় নানান জটিলতার কারণ হতে পারে। বিকৃত যৌনাচারের বলি হওয়া ১২ বছরের শিশুটির ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা পড়লাম ঢাকা পোস্টের একটা বিস্তারিত প্রতিবেদনে। ধর্ষণের শিকার শিশুটির এখন জীবন নিয়েই শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কখনো মসজিদের বারান্দায় কোলে বসিয়ে, কখনো মাদরাসার রুমে আটকে রেখে যিনি এই পাশবিকতা যে করেছে তার বক্তব্যের একটা ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই ভিডিওতে ধর্ষক শিক্ষক সব অস্বীকার করছেন, সবই মিথ্যা বানোয়াট। এই বাচ্চা মেয়ে বোরকা পরতো না, মাথায় হিজাব দিতো না, তাকে
কন্ট্রোল করা যেতো না…..তার মায়ের আবার বিয়ে হয়েছে, সে সৎ বাবার সাথে থেকেছে….ব্লা ব্লা কত অভিযোগ তার! অথচ এই ঘটনার শিকার অন্তঃসত্ত্বা শিশুটিই কেবল নয়, তার অন্যান্য সহপাঠীরাও এই একই লালসার শিকার হয়েছে বলেও শিশুটি জানায়। শিশুটির মা তার সাথে আদতে থাকতেন না। বেশ অনেকদিন পর তিনি বাড়িতে মেয়ের কাছে থাকতে আসেন। তার ভাষ্যমতে, “বাড়িতে আসি, তো আসার পরে ওর কাছে শুইলে আমি দেখলাম, ওর পেটটা একটু বড়। তারপরও আমি এসব ভাবি নাই। ভাবছি, ছোট মানুষের লগে আর কেউ করব এই কাম! তো আমি ডাক্তারের কাছে গেলাম, ডাক্তার কইল ছয় মাসের প্রেগন্যান্ট। পরে আমার মেয়েরে চাপ দিছি। বলি- এই ঘটনা
কার লগে করছস? কয়- আমার লগে সাগর হুজুর এমন করছে। সাগর হুজুর কিন্তু ওই দিন থেকেই ভাগছে যেদিন আমি সিলেট থেকে এলাকায় আসছি। ওই দিন থেকেই সাগর হুজুর পলাতক। তো ওর ভাই মামুন মিয়ারে বললাম, ওর ভাই বলে আমরা এইডা সমাধান কইরা ফেলি। যেটা হইছে, হইছে।” এইসব পড়তে পড়তে মাথাটা খারাপ হয়ে যায়। বাকী কিছু আসলে ভাবা যায় না। এই দেশে, এই সমাজে সুস্থ থাকার কায়দাটা আসলে কী! একটু ভালো কিছু ভাববেন, ভালো কিছু করবেন তার জন্য কীভাবে জীবন যাপন করলে ভালো হয়? কেউ কেউ বলেন ইগনোর করো! কত কিছুই আর ইগনোর করা যায়! আর ইগনোরটাই বা কেন করবো!? অনেক কিছু
লিখতে এসে লিখলামও অনেকটা। তবে খেই হারিয়ে ফেলেছি। মাদ্রাসা, হুজুর, ধর্ষণ, নারী নিপীড়ন, ভায়োলেন্স এসব নিয়ে ভেবে ভেবে আমরা সবাই পাগল হয়ে যাবো আর রাষ্ট্র শুধু নিয়ম কপচাবে। যে নিয়মে লেখা এসবই হবে, হতেই থাকবে, নাগরিক তথা দর্শক হিসেবে তোমরা এসব বিনা টিকেটে দেখে যাবা।



