ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
ফসলি জমি কেটে খাল খনন
ময়মনসিংহের নান্দাইলে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন ফসলি জমি নষ্ট করে রাতে অবৈধভাবে খাল খননের অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।
ভুক্তভোগী কৃষকরা বলেন, এখানে আগে কোনো খালের অস্তিত্ব ছিল না। অথচ, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানা জমির ওপর জোরপূর্বক খাল খনন করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকের ফসলি মাঠের ওপর ১২ ফুট প্রস্থের খাল খননের কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু সেখানে আগের কোনো খালের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শুধু কৃষকের ফসলি মাঠ রয়েছে।
ইউপি সদস্য মাহবুব আলম ও তার সহযোগীরা রাতে এ খনন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
ভুক্তভোগী কৃষক জসিম উদ্দিন ও ফাইজুল
ইসলাম বলেন, এই অবৈধ খাল খননের ফলে দুই গ্রামের শত শত কৃষকের কৃষি উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। কৃষকদের যাতায়াত ও চাষাবাদে নানা জটিলতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজ উদ্দিন, নবী হোসেন ও রুহুল আমিন জানান, ব্যক্তি স্বার্থে কৃষকের রুটিরুজি বন্ধ করার এই অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তা না হলে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানা জমিসহ তাদের ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ বিষয়ে জানতে ইউপি সদস্য মাহাবুব আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা জান্নাত বলেন, এ নিয়ে কৃষকদের একটি অভিযোগ পেয়েছি। সরকারিভাবে উপজেলা পরিষদ বা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে খাল
খননের কোনো অনুমোদন বা প্রকল্প দেওয়া হয়নি। বিষয়টি সমাধানের জন্য খাল খননকারী ও ভুক্তভোগী কৃষকদের নিয়ে একটি শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
ইসলাম বলেন, এই অবৈধ খাল খননের ফলে দুই গ্রামের শত শত কৃষকের কৃষি উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। কৃষকদের যাতায়াত ও চাষাবাদে নানা জটিলতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজ উদ্দিন, নবী হোসেন ও রুহুল আমিন জানান, ব্যক্তি স্বার্থে কৃষকের রুটিরুজি বন্ধ করার এই অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তা না হলে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানা জমিসহ তাদের ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ বিষয়ে জানতে ইউপি সদস্য মাহাবুব আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা জান্নাত বলেন, এ নিয়ে কৃষকদের একটি অভিযোগ পেয়েছি। সরকারিভাবে উপজেলা পরিষদ বা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে খাল
খননের কোনো অনুমোদন বা প্রকল্প দেওয়া হয়নি। বিষয়টি সমাধানের জন্য খাল খননকারী ও ভুক্তভোগী কৃষকদের নিয়ে একটি শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।



