ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে: কি.মি. প্রতি ব্যয় বাড়ল ৪২৩ কোটি টাকা, এক লাফেই ছাড়াল ১০ হাজার কোটি
১০ম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত
মতিঝিলের ‘ছাতা বোমা’র পর এবার আশুলিয়ায় দোকানে রেখে গেল ‘প্রেশার কুকার বোমা’
দলীয় কর্মীকে গুলি: ফেনীতে বিএনপি নেতা আলমগীর গ্রেপ্তার
নোয়াখালীতে গভীর রাতে ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, আহত ৫
কক্সবাজার হোটেলের কাছেই খালি মাঠে কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন
রোহিঙ্গা-ক্যাম্পে দিনদিন বাড়ছে সহিংসতা: মসজিদে যাওয়ার পথে উগ্রবাদী সংগঠন আরসা কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা
প্রাইভেট পড়ানোর নামে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াতের রোকন আটক
রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের পাকারমাথা এলাকায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণচেষ্টায় ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন ও গ্রাম্য চিকিৎসক ওমর ফারুককে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল ৩১শে জুলাই, শুক্রবার বিকেলে নিজ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন জানান, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগের ভিত্তিতে ওমর ফারুককে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসা করে
আসছেন। নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতেই শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। ফারুক জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। তার বড় ভাই আবু বক্কর একই ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি। এছাড়া তার বাবা মজিবুর রহমান স্থানীয়ভাবে ক্বারি হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন বাড়িতে কোরআন শিক্ষা দিয়ে থাকেন। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১২ই জুলাই প্রতিদিনের মতো শিশুটি পড়তে গেলে একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের কৌশলে বিদায় করে দেন ওমর ফারুক। এরপর শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটি ব্যথায় কান্না করে উঠলে তাড়াতাড়ি তাকে জামা পরিয়ে বাড়ি চলে যেতে বলেন। বাড়ি ফিরে কান্নাজড়িত অবস্থায় শিশুটি মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। শিশুটির মা বলেন, শিক্ষকতার
মতো বিশ্বাসের একটি জায়গায় এমন ঘটনার শিকার হতে হবে, তা কখনও ভাবেননি। বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা ক্বারি মজিবুর রহমানকে জানালে তিনি ঘটনাটি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন ওমর ফারুক ও তার পরিবারের সদস্যরা। ওমর ফারুকের দাবি, শিশুটি মূলত তার স্ত্রীর কাছেই পড়তে আসে। ঘটনার দিন স্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তিনি পড়াচ্ছিলেন, তবে কোনো ধরনের অনৈতিক আচরণ করেননি। তার বাবা মজিবুর রহমানও অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন বলেন, ওমর ফারুক তাদের সংগঠনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। অভিযোগের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তদন্তে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং আইন অনুযায়ী
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
আসছেন। নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতেই শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। ফারুক জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। তার বড় ভাই আবু বক্কর একই ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি। এছাড়া তার বাবা মজিবুর রহমান স্থানীয়ভাবে ক্বারি হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন বাড়িতে কোরআন শিক্ষা দিয়ে থাকেন। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১২ই জুলাই প্রতিদিনের মতো শিশুটি পড়তে গেলে একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের কৌশলে বিদায় করে দেন ওমর ফারুক। এরপর শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটি ব্যথায় কান্না করে উঠলে তাড়াতাড়ি তাকে জামা পরিয়ে বাড়ি চলে যেতে বলেন। বাড়ি ফিরে কান্নাজড়িত অবস্থায় শিশুটি মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। শিশুটির মা বলেন, শিক্ষকতার
মতো বিশ্বাসের একটি জায়গায় এমন ঘটনার শিকার হতে হবে, তা কখনও ভাবেননি। বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা ক্বারি মজিবুর রহমানকে জানালে তিনি ঘটনাটি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন ওমর ফারুক ও তার পরিবারের সদস্যরা। ওমর ফারুকের দাবি, শিশুটি মূলত তার স্ত্রীর কাছেই পড়তে আসে। ঘটনার দিন স্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তিনি পড়াচ্ছিলেন, তবে কোনো ধরনের অনৈতিক আচরণ করেননি। তার বাবা মজিবুর রহমানও অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন বলেন, ওমর ফারুক তাদের সংগঠনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। অভিযোগের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তদন্তে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং আইন অনুযায়ী
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।



