ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৪ আগস্ট শিশু-ধর্ষণচেষ্টার দায়ে বেত্রাঘাত খেয়ে ১৯ দিন পর আরেক শিশুকে ধর্ষণ, জামায়াত কর্মী আটক
ভৈরবে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা
রংপুরে শিক্ষক পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিবৃতি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের
সদরঘাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আটক ১০
মাদকবিরোধী অভিযানে গোলাগুলি, তিন পুলিশ সদস্য আহত, আটক ২
জামায়াত নেতার মাদরাসা থেকে সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার
সুযোগ মতো একেক সময় একেক ছাত্রকে নিয়ে টয়লেটে ঢুকতেন মাদ্রাসার মুহতামিম, এবং…
প্রশিক্ষণার্থীদের সার্টিফিকেট বানিয়ে নিতে বলেন অধ্যক্ষ
মানিকগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ফাতেমা নারগিসের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া এ কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন কোর্স শেষ করা তিন ব্যাচের ৯০ জন প্রশিক্ষণার্থী সার্টিফিকেট পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। অথচ তাদের কাছ থেকে লেভেল পরীক্ষার নামে সরকারি ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণার্থী জাকারিয়া বলেন, ‘আমি ১১তম ব্যাচের ছাত্র। আমার প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর আরও দুইটি ব্যাচ ভর্তি হয়েছে। অথচ এখনও আমার সার্টিফিকেট পাইনি। আমার কাছ থেকে লেভেল পরীক্ষার নামে ১১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরীক্ষাই নেওয়া হয়নি। অধ্যক্ষ ফাতেমা নারগিস আমাদেরকে কম্পিউটার দোকান থেকে সার্টিফিকেট বানিয়ে নিতে বলেছেন।’ ৮ম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থী শান্ত মিয়া বলেন, ‘আমার কাছ থেকে পরীক্ষা
বাবদ তখন ৬৫০ টাকা নেওয়া হয়েছিল। কোর্স শেষ হলেও সার্টিফিকেট হাতে পাইনি।’ ফয়সাল নামের আরেক প্রশিক্ষণার্থী বলেন, ড্রাইভিং শাখা থেকে ১৪৫০ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। পরে চাপের মুখে ১৩শ’ টাকা করে ফেরত দিয়েছেন ড্রাইভিং শিক্ষক হামিদ। ড্রাইভিং ইন্সট্রাক্টর (ব্যবহারিক) মো. আব্দুল হামিদ বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে লেভেল পরীক্ষার জন্য ১৪৫০ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। লেভেল পরীক্ষার দেরি হবে এ কারণে তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। মানিকগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ফাতেমা নারগিস বলেন, ফরম বাবদ ১০০ টাকা দিয়ে অফিসের উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়। এবং প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫৫০ টাকা তাদের সার্টিফিকেট দেওয়ার সময় ফেরত দেওয়া হবে। আর প্রশিক্ষণার্থীদের জাল সার্টিফিকেট
বানিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেক সময় নিরুপায় হয়ে কিছু করতে হয়। তাই ওদের এমন কথা বলেছিলাম।
বাবদ তখন ৬৫০ টাকা নেওয়া হয়েছিল। কোর্স শেষ হলেও সার্টিফিকেট হাতে পাইনি।’ ফয়সাল নামের আরেক প্রশিক্ষণার্থী বলেন, ড্রাইভিং শাখা থেকে ১৪৫০ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। পরে চাপের মুখে ১৩শ’ টাকা করে ফেরত দিয়েছেন ড্রাইভিং শিক্ষক হামিদ। ড্রাইভিং ইন্সট্রাক্টর (ব্যবহারিক) মো. আব্দুল হামিদ বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে লেভেল পরীক্ষার জন্য ১৪৫০ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। লেভেল পরীক্ষার দেরি হবে এ কারণে তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। মানিকগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ফাতেমা নারগিস বলেন, ফরম বাবদ ১০০ টাকা দিয়ে অফিসের উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়। এবং প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫৫০ টাকা তাদের সার্টিফিকেট দেওয়ার সময় ফেরত দেওয়া হবে। আর প্রশিক্ষণার্থীদের জাল সার্টিফিকেট
বানিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেক সময় নিরুপায় হয়ে কিছু করতে হয়। তাই ওদের এমন কথা বলেছিলাম।



