প্রয়াণের তিন দশক পর খোলা হলো প্রিন্সেস ডায়ানার টাইম ক্যাপসুল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৫
     ৬:০২ অপরাহ্ণ

প্রয়াণের তিন দশক পর খোলা হলো প্রিন্সেস ডায়ানার টাইম ক্যাপসুল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৫ | ৬:০২ 80 ভিউ
প্রয়াণের তিন দশকেরও বেশি সময় পর অবশেষে খোলা হলো ব্রিটেনের প্রয়াত প্রিন্সেস অব ওয়েলস ডায়ানার রেখে যাওয়া টাইম ক্যাপসুল। লন্ডনের গ্রেট অরমন্ড স্ট্রিট হাসপাতাল ফর চিলড্রেন (জিওএসএইচ)-এ এই ছোট বাক্সটি পুঁতে রাখা হয়েছিল। হাসপাতালের সভাপতি হিসেবেই ডায়ানা ১৯৯১ সালের মার্চে ভ্যারাইটি ক্লাব বিল্ডিংয়ের ভিত্তির নিচে সীসা-আবৃত কাঠের সেই টাইম ক্যাপসুলটি স্থাপন করেছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের জন্য নতুন ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণকাজ শুরুর সময় ক্যাপসুলটি বেরিয়ে আসে বলে সিএনএন জানিয়েছে। বুধবার জিওএসএইচের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া বা ওই সময় হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন—এমন কয়েকজন কর্মী মিলেই বাক্সটি উন্মোচন করেন। ভেতরে পাওয়া গেছে নব্বইয়ের দশকের শুরুর জীবনের এক টুকরো প্রতিচ্ছবি। এর

মধ্যে ছিল পকেট টেলিভিশন, কাইলি মিনোগের একটি সিডি এবং কিছু গাছের বীজ। ‘ব্লু পিটার’ নামের শিশুতোষ টিভি শোর এক প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছিল দুই শিশু—সিলভিয়া ফাউলকেস ও ডেভিড ওয়াটসন। তাদের হাতেই ঠিক হয়েছিল ক্যাপসুলের ভেতর কী রাখা হবে। তারা দিয়েছিল কাইলি মিনোগের ‘রিদম অব লাভ’ অ্যালবামের সিডি, একটি ইউরোপীয় পাসপোর্ট, পুনর্ব্যবহৃত কাগজ, পকেট টিভি, নির্বাচিত ব্রিটিশ মুদ্রা, তুষারকণার হলোগ্রাম, কিউ গার্ডেনসের গাছের বীজ ও সৌরশক্তিচালিত ক্যালকুলেটর। এছাড়া ছিল তাদের লেখা চিঠি, দ্য টাইমস পত্রিকার একটি কপি এবং প্রিন্সেস ডায়ানার একটি ছবি। আর্কাইভ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিন দশক মাটির নিচে থাকার পরও অধিকাংশ জিনিস অক্ষত রয়েছে। শুধু কিছু কাগজে সামান্য পানি ঢুকে ক্ষতি হয়েছে। টাইম ক্যাপসুলটি

তোলার কাজে সহায়তা করা রোচনা রেডকার, যিনি বর্তমানে শিশু ক্যান্সার ও অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন ইউনিটের ফেলো, বলেন—‘আমি মাত্র ছয় মাস আগে জিওএসএইচে যোগ দিয়েছি এবং ক্যাপসুলটি তোলার কাজে যুক্ত হতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। যেই বছরে আমি জন্মেছিলাম, সেই বছরেই এটি মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল।’ হাসপাতালের সিনিয়র হেলথ প্লে স্পেশালিস্ট জ্যানেট হোমস বলেন, ‘পকেট টিভি দেখে অনেক স্মৃতি ভেসে উঠল। আমি আমার স্বামীর জন্যও একটি কিনেছিলাম, যখন তিনি সারা দেশে কোচ চালাতেন। তখন এগুলো খুবই দামি ছিল।’ জিওএসএইচের নির্বাহী পরিচালক জেসন ডসন, যিনি ক্যাপসুল উন্মোচন তদারকি করেন, বলেন—‘এটি ছিল বেশ আবেগঘন মুহূর্ত… যেন প্রজন্মের রেখে যাওয়া স্মৃতির সঙ্গে আমাদের সংযোগ তৈরি হলো।’ প্রিন্সেস ডায়ানা ১৯৮৯ থেকে

১৯৯৭ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হাসপাতালটির সভাপতি ছিলেন। তিনি বহুবার এখানে সফর করেন, কখনও আবার তাঁর দুই পুত্র প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারিকে সঙ্গে নিয়ে আসেন। এরও আগে, ১৮৭২ সালে ওয়েলসের তৎকালীন রাজকুমারী আলেকজান্দ্রা হাসপাতালের পুরনো ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সেবার তিনিও একটি টাইম ক্যাপসুল রেখেছিলেন, যাতে ছিল রানী ভিক্টোরিয়ার ছবি ও দ্য টাইমস-এর একটি কপি। তবে সেটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে নতুন হাসপাতাল ভবনের সংস্কার কাজ শেষ হলে জিওএসএইচ একটি নতুন টাইম ক্যাপসুল স্থাপন করার পরিকল্পনা করছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে? কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার ২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার খবর কী সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া রাজধানীতে আজ কোথায় কী