ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ল পৌনে ৩ কোটি টাকার সড়ক, বাঁশ-বালুর বস্তায় ঠেকা!
আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, মিত্র, আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি: এমপি নাছির চৌধুরী
‘শেখ হাসিনা থেকে ১০ লাখ টাকা পাওয়া’ আহসান জুলাই যোদ্ধা নন- দাবি বিএনপি নেতার, জামায়াত নেতার ভাষ্য, ‘সারজিসও ছাত্রলীগ করত’
শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা, হাতেনাতে ধৃত জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাতে ছাড়
৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি কক্সবাজার মহাসড়কে বাস থামিয়ে লুটে নেওয়া ৫৭ লাখ টাকা
প্রভাষক পরিচয়ে এইচএসসির উত্তরপত্র দেখেন অফিস সহকারী
অস্ত্রের মুখে প্রবাসীর স্ত্রী থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি ও নিপীড়ন, যুবদলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে বিএনপি-জামাতপন্থীদের যশোর প্রেসক্লাব দখল, নির্বাচিত কমিটিকে ‘মবের মাধ্যমে’ উচ্ছেদ
যশোর প্রেসক্লাবে ৫ আগস্ট বিএনপি-জামাতপন্থী সাংবাদিকদের মাধ্যমে জোরপূর্বক ক্লাবের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর পুরো ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তাঁর নির্দেশে বিএনপি-জামাতপন্থীদের যশোর প্রেসক্লাব দখল
বিদ্যমান কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশের কথা উল্লেখ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রেসক্লাবে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রেসক্লাবের একাধিক নেতা অভিযোগ করেছেন, এ সময় উপস্থিত বিএনপি-জামায়াতপন্থী কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে বিভিন্ন বক্তব্য ও হুমকি দেন।
অভিযোগ রয়েছে, তারা বর্তমান কমিটির বৈধতা অস্বীকার করে ক্লাবের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দেন।
প্রেসক্লাবের নির্বাচিত এক সদস্য বলেন, বিএনপিপন্থী সাংবাদিক আহসান কবীর বাবু দখলের
ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ‘দেশে এখন ফ্যাসিবাদ নেই এবং পুরনো পদ্ধতিতে প্রেসক্লাব পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। বর্তমান কমিটির কোনো বৈধতা নেই’। এরপরই প্রেসক্লাবের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে বলে ঘোষণা দেন বিএনপিপন্থী সাংবাদিক আহসান কবীর বাবু। এসময় বর্তমান কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওয়াহাবুজ্জামান ঝন্টু ও সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদুর রহমানের বর্তমান কমিটি প্রেসক্লাবে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একই সময়ে জামায়াতপন্থী সাংবাদিক আকরামুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার ও রাজনৈতিক বাস্তবতা প্রেসক্লাব আমাদের অধিকার। ফ্যাসিবাদের জায়গা যশোরে হবে না। এছাড়া আনোয়ারুল কবীর নান্টু বর্তমান কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে আপস করার আহ্বান জানান অন্যথায় অতীতের মতো পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলে হুমকি দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রামের কাগজের সম্পাদক মবিনুল ইসলাম ও
দৈনিক কল্যানের সম্পাদক একরাম উদ দ্দৌলাও বক্তব্য দিয়ে বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করায় বর্তমান কমিটি বহাল থাকবে না এবং একটি অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেবে। যদিও মবিনুল ইসলামের প্রকশনা ও সম্পাদনায় প্রকাশিত গ্রামের কাগজ পত্রিকাটির অর্থায়ন করেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। আর দৈনিক কল্যানের সম্পাদক একরাম উদ দৌল্লা একসময় জড়িত ছিলেন ফ্রিডম পার্টিতে, মুক্তিযোদ্ধা না হলেও তিনি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে নিজের নামে মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এদিকে বিদ্যমান কমিটির পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, অতীতে যশোর প্রেসক্লাবে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত ঘটনার উদাহরণ টেনে বর্তমান পদক্ষেপকে সমর্থন করা হয়। এ সময় ফরাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল ও আমিনুর
রহমান মামুন প্রকাশ্যে ওই অবস্থানের পক্ষে ছিলেন এবং পুরো প্রক্রিয়ায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়। যদিও ফরাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল হচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কিন্তু তিনি বাংলাদেশ বেতারের যশোর প্রতিনিধি হওয়ার বিনিময়ে নিজেও এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে একাধিক নির্বাচত সাংবাদিক নেতা মন্তব্য করেছেন। বর্তমান কমিটির নেতারা দাবি করেন, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, সংগঠনের গঠনতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী উপায়ে কোনো সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, মতপার্থক্য থাকলেও তা গঠনতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় সমাধান হওয়া উচিত। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দপ্তরেরও কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।
ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ‘দেশে এখন ফ্যাসিবাদ নেই এবং পুরনো পদ্ধতিতে প্রেসক্লাব পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। বর্তমান কমিটির কোনো বৈধতা নেই’। এরপরই প্রেসক্লাবের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে বলে ঘোষণা দেন বিএনপিপন্থী সাংবাদিক আহসান কবীর বাবু। এসময় বর্তমান কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওয়াহাবুজ্জামান ঝন্টু ও সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদুর রহমানের বর্তমান কমিটি প্রেসক্লাবে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একই সময়ে জামায়াতপন্থী সাংবাদিক আকরামুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার ও রাজনৈতিক বাস্তবতা প্রেসক্লাব আমাদের অধিকার। ফ্যাসিবাদের জায়গা যশোরে হবে না। এছাড়া আনোয়ারুল কবীর নান্টু বর্তমান কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে আপস করার আহ্বান জানান অন্যথায় অতীতের মতো পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলে হুমকি দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রামের কাগজের সম্পাদক মবিনুল ইসলাম ও
দৈনিক কল্যানের সম্পাদক একরাম উদ দ্দৌলাও বক্তব্য দিয়ে বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করায় বর্তমান কমিটি বহাল থাকবে না এবং একটি অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেবে। যদিও মবিনুল ইসলামের প্রকশনা ও সম্পাদনায় প্রকাশিত গ্রামের কাগজ পত্রিকাটির অর্থায়ন করেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। আর দৈনিক কল্যানের সম্পাদক একরাম উদ দৌল্লা একসময় জড়িত ছিলেন ফ্রিডম পার্টিতে, মুক্তিযোদ্ধা না হলেও তিনি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে নিজের নামে মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এদিকে বিদ্যমান কমিটির পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, অতীতে যশোর প্রেসক্লাবে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত ঘটনার উদাহরণ টেনে বর্তমান পদক্ষেপকে সমর্থন করা হয়। এ সময় ফরাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল ও আমিনুর
রহমান মামুন প্রকাশ্যে ওই অবস্থানের পক্ষে ছিলেন এবং পুরো প্রক্রিয়ায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়। যদিও ফরাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল হচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কিন্তু তিনি বাংলাদেশ বেতারের যশোর প্রতিনিধি হওয়ার বিনিময়ে নিজেও এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে একাধিক নির্বাচত সাংবাদিক নেতা মন্তব্য করেছেন। বর্তমান কমিটির নেতারা দাবি করেন, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, সংগঠনের গঠনতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী উপায়ে কোনো সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, মতপার্থক্য থাকলেও তা গঠনতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় সমাধান হওয়া উচিত। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দপ্তরেরও কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।



