ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যে রাজনীতি সন্তানের হাতে কলম নয়, কফিন তুলে দিতে চায়—সেই জামাত-শিবিরের আগ্রাসন রুখুন, এই ভাঁওতাবাজ নির্বাচন বয়কট করুন।
আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে
বিএনপির সমালোচনায় ফুটে উঠছে ইউনুসের সাথে অন্তর্দ্বন্দ্বের চিত্র
এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা
ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হকের একটি নির্বাচনি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
ঢাকায় গুলি করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে হত্যা
পিতার রাজনৈতিক বিরোধের বলি ১৭ বছরের রাকিব ইসলাম এই প্রতিহিংসা রাজনীতির শেষ কোথায়..!
বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া ইউনিয়নে ১৭ বছর বয়সী কিশোর মোঃ রাকিব ইসলামকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনা এখন শুধু একটি নৃশংস অপরাধ নয়, এটি একটি ভয়ংকর বার্তার নাম। অভিযোগ উঠেছে, মূল লক্ষ্য ছিলেন তার বাবা। বাবাকে না পেয়ে ছেলেকেই তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়।
রাকিব ছিলেন হিলচিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ দ্বীন ইসলামের ছেলে।
২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। বিকেলের দিকে বাড়ি থেকে বের হয় রাকিব। এরপর আর ফিরে আসেনি। কিছু সময় পর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করা হলেও কোনো সন্ধান মেলেনি।
পরিবারের দাবি, এটি কোনো সাধারণ নিখোঁজের ঘটনা ছিল না। শুরু থেকেই তারা
অপহরণের আশঙ্কা করেন। পরিবার ও স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, অপহরণকারীদের মূল লক্ষ্য ছিলেন মোঃ দ্বীন ইসলাম। ঘটনার আগে তাকে খোঁজা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তাকে না পেয়ে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে তুলে নেওয়া হয়। এই অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে এটি ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিরোধ থেকে উদ্ভূত একটি ভয়ংকর প্রতিশোধমূলক অপরাধের ইঙ্গিত দেয়। তবে এই দিকটি তদন্তে কতটা গুরুত্ব পেয়েছে, তা আজও স্পষ্ট নয়। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর—এই ১০ দিন রাকিব কোথায় ছিল, কী অবস্থায় ছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জনসমক্ষে আসেনি। এই সময় কোনো মুক্তিপণের দাবিও জানানো হয়নি, যা অপহরণের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন আরও গভীর করে পরিবারের আশঙ্কা, এই সময় তাকে
আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সকালে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা একটি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে সেটি রাকিব ইসলামের মরদেহ বলে শনাক্ত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মরদেহটি ছিল ক্ষতবিক্ষত। এতে স্পষ্ট হয়, তাকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর মরদেহ প্রকাশ্যে ফেলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে অপরাধীরা ভয়হীনতারই পরিচয় দেয়। ঘটনার পর হত্যা মামলা দায়ের করা হলেও এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। খুনিদের পরিচয়ও শনাক্ত হয়নি। মোবাইল ফোনের তথ্য, সম্ভাব্য শত্রুতা, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ, ঘটনার আগে পাওয়া হুমকি—এসব দিক তদন্তে কতটা গুরুত্ব পেয়েছে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট
ব্যাখ্যা নেই। একজন ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতার ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা করা হলো, অথচ খুনিরা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি একজন রাজনৈতিক নেতার সন্তানও নিরাপদ না থাকে, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? রাকিব ইসলাম হত্যাকাণ্ড কেবল একটি কিশোরের মৃত্যু নয়। এটি অপরাধীদের দুঃসাহস, তদন্তের দুর্বলতা এবং বিচারহীনতার প্রতিচ্ছবি। যদি সত্যিই বাবাকে না পেয়ে ছেলেকে হত্যা করা হয়ে থাকে, তবে সেটি সমাজের জন্য এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। এই মামলার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্ত শুধু রাকিবের পরিবারের জন্য নয়, পুরো এলাকার মানুষের আস্থার জন্য জরুরি। ন্যায়বিচার বিলম্বিত হলে, সেটিই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়।
অপহরণের আশঙ্কা করেন। পরিবার ও স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, অপহরণকারীদের মূল লক্ষ্য ছিলেন মোঃ দ্বীন ইসলাম। ঘটনার আগে তাকে খোঁজা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তাকে না পেয়ে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে তুলে নেওয়া হয়। এই অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে এটি ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিরোধ থেকে উদ্ভূত একটি ভয়ংকর প্রতিশোধমূলক অপরাধের ইঙ্গিত দেয়। তবে এই দিকটি তদন্তে কতটা গুরুত্ব পেয়েছে, তা আজও স্পষ্ট নয়। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর—এই ১০ দিন রাকিব কোথায় ছিল, কী অবস্থায় ছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জনসমক্ষে আসেনি। এই সময় কোনো মুক্তিপণের দাবিও জানানো হয়নি, যা অপহরণের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন আরও গভীর করে পরিবারের আশঙ্কা, এই সময় তাকে
আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সকালে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা একটি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে সেটি রাকিব ইসলামের মরদেহ বলে শনাক্ত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মরদেহটি ছিল ক্ষতবিক্ষত। এতে স্পষ্ট হয়, তাকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর মরদেহ প্রকাশ্যে ফেলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে অপরাধীরা ভয়হীনতারই পরিচয় দেয়। ঘটনার পর হত্যা মামলা দায়ের করা হলেও এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। খুনিদের পরিচয়ও শনাক্ত হয়নি। মোবাইল ফোনের তথ্য, সম্ভাব্য শত্রুতা, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ, ঘটনার আগে পাওয়া হুমকি—এসব দিক তদন্তে কতটা গুরুত্ব পেয়েছে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট
ব্যাখ্যা নেই। একজন ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতার ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা করা হলো, অথচ খুনিরা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি একজন রাজনৈতিক নেতার সন্তানও নিরাপদ না থাকে, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? রাকিব ইসলাম হত্যাকাণ্ড কেবল একটি কিশোরের মৃত্যু নয়। এটি অপরাধীদের দুঃসাহস, তদন্তের দুর্বলতা এবং বিচারহীনতার প্রতিচ্ছবি। যদি সত্যিই বাবাকে না পেয়ে ছেলেকে হত্যা করা হয়ে থাকে, তবে সেটি সমাজের জন্য এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। এই মামলার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্ত শুধু রাকিবের পরিবারের জন্য নয়, পুরো এলাকার মানুষের আস্থার জন্য জরুরি। ন্যায়বিচার বিলম্বিত হলে, সেটিই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়।



