ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাবি প্রক্টরের পদত্যাগ
স্কুল-কলেজের চেয়ে বেশি ঈদের ছুটি মাদরাসায়
মাদ্রাসায় নিয়োগের এক সপ্তাহের মধ্যেই শিশু ছাত্রকে বলাৎকার করে শ্রীঘরে হাফেজ
যবিপ্রবিতে জামায়াতপন্থি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ
ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বৈছা নেতাদের বৈষম্যমূলক গণমামলা: শত শত মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন হুমকিতে
জাবি ছাত্রদলের উদ্যোগে বাস ট্র্যাকিং অ্যাপ উদ্বোধন
কলেজে ভর্তিতে ৬ হাজার টাকা সহায়তা পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা, আবেদন যেভাবে
পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ৬ দফা, চট্টগ্রামে আমরণ অনশন কর্মসূচির হুঁ
জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের জন্য বরাদ্দ ৩০ শতাংশ প্রমোশন কোটা বাতিলসহ ছয় দফা দাবিতে চট্টগ্রামেও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার সকাল থেকেই ক্লাশ ও পরীক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে দুপুরে নগরীর জামাল খানের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। তবে বিকাল ৫টার দিকে আন্দোলনরতরা সড়ক থেকে উঠে যান।
সরেজমিন দেখা যায়, দুপুরে ছয় দফা দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ডসহ মিছিল নিয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা। এ সময় জামালখান এলাকার দ্বিমুখী সড়কের একপাশজুড়ে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে
থাকে তারা। তাদের অবস্থানের কারণে সড়কের একপাশ দিয়ে যানবাহণ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্রাফট ইন্সট্রাক্টররা কারিগরি ব্যাকগ্রাউন্ডের নন। অধিকাংশই অষ্টম শ্রেণি কিংবা এসএসসি পাশ, যাদের মূল দায়িত্ব ল্যাব সহকারী হিসেবে কাজ করা। তাদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত কারিগরি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা যারা পলিটেকনিক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, আমাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। আমরা বারবার দাবি জানিয়ে যাচ্ছি, আমাদের কথায় কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত করছে না। অথচ আমাদের দাবিগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারিগরি শিক্ষাকে যদি বাঁচাতে হয়, তাহলে দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নিতে হবে।
থাকে তারা। তাদের অবস্থানের কারণে সড়কের একপাশ দিয়ে যানবাহণ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্রাফট ইন্সট্রাক্টররা কারিগরি ব্যাকগ্রাউন্ডের নন। অধিকাংশই অষ্টম শ্রেণি কিংবা এসএসসি পাশ, যাদের মূল দায়িত্ব ল্যাব সহকারী হিসেবে কাজ করা। তাদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত কারিগরি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা যারা পলিটেকনিক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, আমাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। আমরা বারবার দাবি জানিয়ে যাচ্ছি, আমাদের কথায় কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত করছে না। অথচ আমাদের দাবিগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারিগরি শিক্ষাকে যদি বাঁচাতে হয়, তাহলে দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নিতে হবে।



