ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুলতানুল আউলিয়া শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) মাজারে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে সুন্নিপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
বাংলাদেশে মার্কিন সামরিক প্রবেশাধিকারে চুক্তি: চীন-ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ার আশঙ্কা
আসন্ন বাজেটে বাড়ানো হচ্ছে নিত্যপণ্যের ওপর করের বোঝা: কী আছে স্বল্প আয়ের মানুষের ভাগ্যে?
নারী নেতৃত্ব হারাম বলে কী টিভি এডিটরস কাউন্সিলে জায়গা হয়নি নাজনীন মুন্নী?
গণভবন লুট ও ৩২ নম্বর ভাঙচুরকারীদের ওপর প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়েছে : গোলাম মাওলা রনি
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজের জন্য বন্দর খুলে দিচ্ছে বাংলাদেশ
জঙ্গিগোষ্ঠী আল হিম্মাহ’র প্রশিক্ষক সাবেক সেনা সদস্যকে দুর্গম টিলা থেকে গ্রেপ্তার, আলামত উদ্ধার
পদ্মা ব্যারাজের হঠকারী প্রকল্প: বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ উপেক্ষিত, তিন দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা
৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘হঠকারী’ পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প: বন্যা-লবণাক্ততার আশঙ্কা
নেই সমীক্ষা, নেই জনপ্রকাশ: বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
গঙ্গার ন্যায্য হিস্যা হারানোর ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ?
ফারাক্কার ভুল থেকে শিক্ষা নেয়নি পাউবো: পদ্মা ব্যারাজে উজান-ভাটি দুই দিকেই বিপদ
বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গা/পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবনা (পিডিপিপি) অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রণীত এই পিডিপিপিতে প্রকল্পের বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
কিন্তু এই বিশাল প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য আদৌ উপকারী কি না, তা নিয়ে কোনো বস্তুনিষ্ঠ সমীক্ষা না থাকায় এবং প্রকল্পের সম্ভাব্য নেতিবাচক দিকগুলো সম্পূর্ণ উপেক্ষিত থাকায় পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞ
মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এশীয় প্রবৃদ্ধি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং জাতিসংঘের উন্নয়ন গবেষণার সাবেক প্রধান নজরুল ইসলাম এই প্রকল্পের তিনটি মারাত্মক ঝুঁকির দিক তুলে ধরেছেন এবং পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্ক (বেন) সম্মিলিতভাবে এই প্রকল্পকে হঠকারী পদক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করেছে। পিডিপিপিতে শুধু সুবিধা, নেই কোনো ঝুঁকির মূল্যায়ন পাউবো প্রণীত পিডিপিপিতে এই প্রকল্পের সপক্ষে কেবল একটিমাত্র যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে — পদ্মায় শুষ্ক মৌসুমের পানি ধরে রেখে তা দক্ষিণ-পশ্চিমের নদ-নদীতে প্রবাহিত করা যাবে। কিন্তু উজান ও ভাটি উভয় এলাকায় এই প্রকল্পের যে গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, সে বিষয়ে পিডিপিপিতে কোনো উল্লেখ বা আলোচনা নেই। অধ্যাপক নজরুল ইসলামের প্রশ্ন — প্রকল্প
প্রস্তুতকারীরা কি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছেন যে এই প্রকল্প বাংলাদেশের উপকারে আসবে? এবং যদি সমীক্ষা থেকেও থাকে, তাহলে তা জনগণের কাছে প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? প্রথম বিপদ: উজানে বন্যা ও পাড়ভাঙন ব্যারাজ নির্মিত হলে এর উজানে নদীতে পলি জমে তলদেশ ভরাট হয়ে যাবে। এর ফলে প্রস্তাবিত স্থান পাংশা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার নদীর দুই তীরে বন্যা ও পাড়ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করবে। এই আশঙ্কার সপক্ষে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ভারতের ফারাক্কা বাঁধের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। ফারাক্কার কারণে উজানে বিহারের পাটনা পর্যন্ত গঙ্গার তলদেশ প্রায় ২০ ফুট উঁচু হয়ে গেছে এবং বন্যা ও পাড়ভাঙন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্ষতির মাত্রা এতটাই তীব্র
যে বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দেওয়ার দাবিতে সেখানে প্রবল আন্দোলন গড়ে উঠেছে। দ্বিতীয় বিপদ: ভাটিতে লবণাক্ততার অগ্রাসন ব্যারাজের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে যতটুকু পানি দক্ষিণ-পশ্চিমে সরানো হবে, দেশের মধ্যাঞ্চল ও মেঘনা মোহনার জন্য ঠিক ততটুকু পানিই কমে যাবে। এর প্রত্যক্ষ পরিণতি হবে আড়িয়াল খাঁসহ অন্যান্য নদীর প্রবাহ হ্রাস এবং মেঘনা মোহনা দিয়ে লবণাক্ততা দেশের আরও ভেতরে প্রবেশ — যা কৃষি, পানীয় জল ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করবে। তৃতীয় বিপদ: ভারতের কাছে গঙ্গার ন্যায্য হিস্যা হারানোর ঝুঁকি সবচেয়ে কূটনৈতিকভাবে বিপজ্জনক দিকটি তুলে ধরেছেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। তিনি বলছেন, পদ্মা ব্যারাজ চালু হলে ভারত দাবি করবে যে এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের পানি
সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে — ফলে গঙ্গার হিস্যা বৃদ্ধির দাবিতে আর কোনো জোরালো অবস্থান নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রকল্পের বিষয়ে ভারত নিজেই খুবই উৎসাহী। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ভারত এই প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছিল, কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার সেই সময় এই পথে পা দেয়নি। বড়াল নদের শিক্ষা: ব্যারাজ নয়, প্রতিবন্ধকতা সরানোই সমাধান বিশেষজ্ঞরা বিকল্প একটি পথের কথা বলছেন যার কার্যকারিতা ইতিমধ্যে প্রমাণিত। রাজশাহীর চারঘাটে ১৯৮৪ সালে এরশাদ সরকারের আমলে পাউবো নির্মিত স্লুইসগেটের কারণে বড়াল নদে গঙ্গার প্রবাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বাপা ও বেনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর গত বছর ওই স্লুইসগেট আংশিকভাবে উন্মোচন করা হলে প্রায় ৪০ বছর পর বড়ালে আবার গঙ্গার
পানি প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। অধ্যাপক নজরুল ইসলামের মতে, পাউবোর উচিত এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া। আরও একটি বিশাল ও প্রশ্নবিদ্ধ কাঠামো নির্মাণের পেছনে না ছুটে, ইতিপূর্বে নির্মিত ক্ষতিকর কাঠামোগুলো অপসারণেই বরং মনোযোগ দেওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ সংগঠনের সুপারিশ বাপা ও বেন সরকারের কাছে দুটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করেছে। প্রথমত, আন্তর্জাতিক নদ-নদীর ব্যবহারবিষয়ক জাতিসংঘের ১৯৯৭ সালের চুক্তি স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করে তার ভিত্তিতে ভারতের কাছ থেকে গঙ্গার শুষ্ক মৌসুমের প্রবাহে বাংলাদেশের হিস্যা বৃদ্ধির জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো এবং আসন্ন গঙ্গা চুক্তি নবায়নে এই দাবির প্রতিফলন ঘটানো। দ্বিতীয়ত, গঙ্গার সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরের সব শাখা নদীর সংযোগ অবারিত করা এবং প্রবাহ বিঘ্নকারী সব প্রতিবন্ধকতা দূর করা,
যাতে গঙ্গার বর্ষাকালীন প্রবাহ এসব নদী দিয়ে স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হতে পারে। অধ্যাপক নজরুল ইসলামের মতে, একদিকে গঙ্গার ন্যায্য হিস্যা আদায় এবং অন্যদিকে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করে বর্ষাকালীন প্রবাহের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা — এই দুই ধারায় অগ্রসর হওয়াই বাংলাদেশের নদীব্যবস্থার জন্য সত্যিকারের সমাধান। বস্তুনিষ্ঠ সমীক্ষা ছাড়া ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়া নবগঠিত বিএনপি সরকারের জন্য সঠিক হবে না বলে স্পষ্টভাবে মত দিয়েছেন তিনি।
মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এশীয় প্রবৃদ্ধি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং জাতিসংঘের উন্নয়ন গবেষণার সাবেক প্রধান নজরুল ইসলাম এই প্রকল্পের তিনটি মারাত্মক ঝুঁকির দিক তুলে ধরেছেন এবং পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্ক (বেন) সম্মিলিতভাবে এই প্রকল্পকে হঠকারী পদক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করেছে। পিডিপিপিতে শুধু সুবিধা, নেই কোনো ঝুঁকির মূল্যায়ন পাউবো প্রণীত পিডিপিপিতে এই প্রকল্পের সপক্ষে কেবল একটিমাত্র যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে — পদ্মায় শুষ্ক মৌসুমের পানি ধরে রেখে তা দক্ষিণ-পশ্চিমের নদ-নদীতে প্রবাহিত করা যাবে। কিন্তু উজান ও ভাটি উভয় এলাকায় এই প্রকল্পের যে গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, সে বিষয়ে পিডিপিপিতে কোনো উল্লেখ বা আলোচনা নেই। অধ্যাপক নজরুল ইসলামের প্রশ্ন — প্রকল্প
প্রস্তুতকারীরা কি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছেন যে এই প্রকল্প বাংলাদেশের উপকারে আসবে? এবং যদি সমীক্ষা থেকেও থাকে, তাহলে তা জনগণের কাছে প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? প্রথম বিপদ: উজানে বন্যা ও পাড়ভাঙন ব্যারাজ নির্মিত হলে এর উজানে নদীতে পলি জমে তলদেশ ভরাট হয়ে যাবে। এর ফলে প্রস্তাবিত স্থান পাংশা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার নদীর দুই তীরে বন্যা ও পাড়ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করবে। এই আশঙ্কার সপক্ষে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ভারতের ফারাক্কা বাঁধের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। ফারাক্কার কারণে উজানে বিহারের পাটনা পর্যন্ত গঙ্গার তলদেশ প্রায় ২০ ফুট উঁচু হয়ে গেছে এবং বন্যা ও পাড়ভাঙন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্ষতির মাত্রা এতটাই তীব্র
যে বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দেওয়ার দাবিতে সেখানে প্রবল আন্দোলন গড়ে উঠেছে। দ্বিতীয় বিপদ: ভাটিতে লবণাক্ততার অগ্রাসন ব্যারাজের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে যতটুকু পানি দক্ষিণ-পশ্চিমে সরানো হবে, দেশের মধ্যাঞ্চল ও মেঘনা মোহনার জন্য ঠিক ততটুকু পানিই কমে যাবে। এর প্রত্যক্ষ পরিণতি হবে আড়িয়াল খাঁসহ অন্যান্য নদীর প্রবাহ হ্রাস এবং মেঘনা মোহনা দিয়ে লবণাক্ততা দেশের আরও ভেতরে প্রবেশ — যা কৃষি, পানীয় জল ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করবে। তৃতীয় বিপদ: ভারতের কাছে গঙ্গার ন্যায্য হিস্যা হারানোর ঝুঁকি সবচেয়ে কূটনৈতিকভাবে বিপজ্জনক দিকটি তুলে ধরেছেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। তিনি বলছেন, পদ্মা ব্যারাজ চালু হলে ভারত দাবি করবে যে এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের পানি
সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে — ফলে গঙ্গার হিস্যা বৃদ্ধির দাবিতে আর কোনো জোরালো অবস্থান নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রকল্পের বিষয়ে ভারত নিজেই খুবই উৎসাহী। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ভারত এই প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছিল, কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার সেই সময় এই পথে পা দেয়নি। বড়াল নদের শিক্ষা: ব্যারাজ নয়, প্রতিবন্ধকতা সরানোই সমাধান বিশেষজ্ঞরা বিকল্প একটি পথের কথা বলছেন যার কার্যকারিতা ইতিমধ্যে প্রমাণিত। রাজশাহীর চারঘাটে ১৯৮৪ সালে এরশাদ সরকারের আমলে পাউবো নির্মিত স্লুইসগেটের কারণে বড়াল নদে গঙ্গার প্রবাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বাপা ও বেনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর গত বছর ওই স্লুইসগেট আংশিকভাবে উন্মোচন করা হলে প্রায় ৪০ বছর পর বড়ালে আবার গঙ্গার
পানি প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। অধ্যাপক নজরুল ইসলামের মতে, পাউবোর উচিত এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া। আরও একটি বিশাল ও প্রশ্নবিদ্ধ কাঠামো নির্মাণের পেছনে না ছুটে, ইতিপূর্বে নির্মিত ক্ষতিকর কাঠামোগুলো অপসারণেই বরং মনোযোগ দেওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ সংগঠনের সুপারিশ বাপা ও বেন সরকারের কাছে দুটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করেছে। প্রথমত, আন্তর্জাতিক নদ-নদীর ব্যবহারবিষয়ক জাতিসংঘের ১৯৯৭ সালের চুক্তি স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করে তার ভিত্তিতে ভারতের কাছ থেকে গঙ্গার শুষ্ক মৌসুমের প্রবাহে বাংলাদেশের হিস্যা বৃদ্ধির জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো এবং আসন্ন গঙ্গা চুক্তি নবায়নে এই দাবির প্রতিফলন ঘটানো। দ্বিতীয়ত, গঙ্গার সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরের সব শাখা নদীর সংযোগ অবারিত করা এবং প্রবাহ বিঘ্নকারী সব প্রতিবন্ধকতা দূর করা,
যাতে গঙ্গার বর্ষাকালীন প্রবাহ এসব নদী দিয়ে স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হতে পারে। অধ্যাপক নজরুল ইসলামের মতে, একদিকে গঙ্গার ন্যায্য হিস্যা আদায় এবং অন্যদিকে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করে বর্ষাকালীন প্রবাহের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা — এই দুই ধারায় অগ্রসর হওয়াই বাংলাদেশের নদীব্যবস্থার জন্য সত্যিকারের সমাধান। বস্তুনিষ্ঠ সমীক্ষা ছাড়া ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়া নবগঠিত বিএনপি সরকারের জন্য সঠিক হবে না বলে স্পষ্টভাবে মত দিয়েছেন তিনি।



