ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আসলে ‘বাণিজ্য অস্ত্র’, দেশকে পঙ্গু করার ষড়যন্ত্র: মাহবুব কামাল
‘নতুন বন্দোবস্তের’ ফল মিলতে শুরু করেছে, সরকার ঋণনির্ভর হয়ে পড়েছে: মোহাম্মদ আলী আরাফাত
নৌবাহিনী প্রধান ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান: বেরিয়ে আসছে দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য
অপরাধ জগতে নতুন আতঙ্ক দেখতে সাধারণ কলম, আসলে ভয়ংকর পিস্তল! পাকিস্তান থেকে জঙ্গিদের হাতে আসছে নতুন অস্ত্র
অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট নিয়ে আইপিইউর উদ্বেগ, সমর্থন জানাল আরআরএজিও
১৮ মাস কারাবন্দী ডাবলু সরকার মায়ের মৃত্যুতেও প্যারোল মেলেনি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ
‘নোবেলের টাকা ও কর নিয়ে ইউনূস মারাত্মক অ্যালার্জি আছে’, দাবি সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যানের
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কর দেওয়া নিয়ে অনীহা বা ‘অ্যালার্জি’র বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান। তিনি দাবি করেছেন, ড. ইউনূস নোবেল পাওয়ার পর সেই পুরস্কারের অর্থের ওপর কর মওকুফের জন্য তাঁর ওপর বিভিন্ন পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এমনকি খোদ নোবেল কমিটি থেকেও এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
সম্প্রতি একটি টকশোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বদিউর রহমান এসব কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচিত হচ্ছে।
বদিউর রহমান বলেন, ড. ইউনূস নোবেল পাওয়ার পর তাঁর প্রতিনিধিরা এনবিআরে এসে অনুরোধ করেন যেন পুরস্কারের অর্থের ওপর কর ধার্য করা না হয়।
তখন তিনি ইউনূসের প্রতিনিধিদের ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশ দেখিয়ে আশ্বস্ত করেন যে, ব্যাংকিং চ্যানেলে আসা যেকোনো বিদেশি রেমিট্যান্স বা আয় করমুক্ত। ফলে নোবেলের টাকা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। সাবেক এই এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আইনে পরিষ্কার বলা আছে, বৈধ পথে আসা বিদেশি রেমিট্যান্স করমুক্ত। আমি তাদের সেকশনটি কপি করে দেখিয়েছি। কিন্তু তারা একটি লিখিত সার্টিফিকেটের জন্য পীড়াপীড়ি করতে থাকেন। আমি বলেছিলাম, আইনে যখন বিধান আছেই, তখন আলাদা সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই।’ বদিউর রহমানের দাবি অনুযায়ী, বিষয়টি সেখানেই থেমে থাকেনি। ইউনূসের প্রতিনিধিদের পর নোবেল কমিটি থেকেও তাঁর কাছে টেলিফোন আসে। সেখানেও পুরস্কারের অর্থের ওপর কর না ধরার বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়। সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূসের প্রতিনিধিকে
দেওয়া একটি হিউমারাস বা কৌতুকপূর্ণ প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে বদিউর রহমান বলেন, ‘ইউনূস সাহেবের লোক যখন আবার আসলেন, তখন আমি তাকে বললাম—ইউনূস সাহেবকে গিয়ে বইলেন, বদিউর রহমান যদি নোবেল পেতেন, তবে করমুক্ত হলেও দেশের কল্যাণের জন্য তিনি নিজ থেকেই কিছু কর সরকারকে দিয়ে দিতেন।’ বদিউর রহমান তাঁর বক্তব্যে ড. ইউনূসের কর প্রদানের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘তখনই আমি টের পেয়েছি যে কর নিয়ে ওনার কী ধরনের অ্যালার্জি আছে। এরপরেও তো তিনি করের বিরুদ্ধে মামলা করে হেরে গিয়ে শেষ পর্যন্ত কর পরিশোধ করেছেন।’ উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ও তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কর ফাঁকি এবং কর মওকুফ সংক্রান্ত বেশ
কিছু মামলা উচ্চ আদালতে চলমান ছিল। সম্প্রতি দানকরের একটি মামলায় আদালত ড. ইউনূসকে কয়েক কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন, যা পরবর্তীতে তিনি পরিশোধ করেন।
তখন তিনি ইউনূসের প্রতিনিধিদের ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশ দেখিয়ে আশ্বস্ত করেন যে, ব্যাংকিং চ্যানেলে আসা যেকোনো বিদেশি রেমিট্যান্স বা আয় করমুক্ত। ফলে নোবেলের টাকা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। সাবেক এই এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আইনে পরিষ্কার বলা আছে, বৈধ পথে আসা বিদেশি রেমিট্যান্স করমুক্ত। আমি তাদের সেকশনটি কপি করে দেখিয়েছি। কিন্তু তারা একটি লিখিত সার্টিফিকেটের জন্য পীড়াপীড়ি করতে থাকেন। আমি বলেছিলাম, আইনে যখন বিধান আছেই, তখন আলাদা সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই।’ বদিউর রহমানের দাবি অনুযায়ী, বিষয়টি সেখানেই থেমে থাকেনি। ইউনূসের প্রতিনিধিদের পর নোবেল কমিটি থেকেও তাঁর কাছে টেলিফোন আসে। সেখানেও পুরস্কারের অর্থের ওপর কর না ধরার বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়। সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূসের প্রতিনিধিকে
দেওয়া একটি হিউমারাস বা কৌতুকপূর্ণ প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে বদিউর রহমান বলেন, ‘ইউনূস সাহেবের লোক যখন আবার আসলেন, তখন আমি তাকে বললাম—ইউনূস সাহেবকে গিয়ে বইলেন, বদিউর রহমান যদি নোবেল পেতেন, তবে করমুক্ত হলেও দেশের কল্যাণের জন্য তিনি নিজ থেকেই কিছু কর সরকারকে দিয়ে দিতেন।’ বদিউর রহমান তাঁর বক্তব্যে ড. ইউনূসের কর প্রদানের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘তখনই আমি টের পেয়েছি যে কর নিয়ে ওনার কী ধরনের অ্যালার্জি আছে। এরপরেও তো তিনি করের বিরুদ্ধে মামলা করে হেরে গিয়ে শেষ পর্যন্ত কর পরিশোধ করেছেন।’ উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ও তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কর ফাঁকি এবং কর মওকুফ সংক্রান্ত বেশ
কিছু মামলা উচ্চ আদালতে চলমান ছিল। সম্প্রতি দানকরের একটি মামলায় আদালত ড. ইউনূসকে কয়েক কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন, যা পরবর্তীতে তিনি পরিশোধ করেন।



