ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামে একদিনেই ছাত্রলীগের তিন মিছিল, উদ্দীপ্ত সারাদেশের নেতাকর্মীরা
২০২৪-এর সংঘাত ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের তিনটি পৃথক স্থানে ‘মিছিল’ বের করেছে।
আজ ২৪শে এপ্রিল, শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরের বিভিন্ন এলাকায় এই কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়, যার ভিডিও চিত্র পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই উদ্দীপ্ত হন সারাদেশের নেতাকর্মীরা। প্রশংসায় ভাসান চট্টগ্রামের কর্মীদের। একইসাথে উৎসাহ অনুভব করেন নিজেরাও।
আজকের এই মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল দলীয় ব্যানার এবং মুখে ছিল ‘তেল দে গ্যাস দে–নইলে গদি ছাইড়া দে, বিদ্যুৎ দে টিকা দে–নইলে গদি ছাইড়া দে; শেখ হাসিনা আসবে–বাংলাদেশ হাসবে’সহ নানা স্লোগান।
মূলত তিনটি প্রধান পয়েন্টে এই তৎপরতা দেখা গেছে
সকালে ওমরগণি এম.ই.এস কলেজ ছাত্রলীগের ব্যানারে শতাধিক
কর্মীর একটি মিছিল জিইসি মোড় থেকে শুরু হয়ে গোলপাহাড় মোড়ের দিকে যায়। জুমার নামাজের পর সিআরবি এলাকা থেকে চট্টগ্রাম উত্তর-দক্ষিণ ও মহানগর ছাত্রলীগের ব্যানারে অনুরূপ আরেকটি বিশাল মিছিল বের হয়ে টাইগারপাস মোড়ের দিকে অগ্রসর হয়। এরপর বিকাল ৪টার দিকে লাল টুপি পরিহিত শতাধিক নেতাকর্মীর সমন্বয়য়ে একটি মিছিল নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় মিছিল করে দেশের বর্তমান বিভিন্ন সংকট নিয়ে জনগণের পক্ষে স্লোগান দেয়। বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার পর প্রকাশ্য মিছিলে আসা সংগঠনটির এই ভিডিওগুলো মূলত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ থেকে প্রচার করা হয়, এরপর সাধারণ জনগণ শেয়ার করে দেয়। ভিডিওগুলোতে অংশগ্রহণকারীদের খুব ধীরে মিছিল শেষ করে প্রস্থান করতে দেখা
গেছে। পুলিশের প্রতিক্রিয়া: “শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে” ছাত্রলীগের এই কর্মসূচি কেন্দ্র করে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নগরের পুলিশের সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ গণমাধ্যমকে জানান: “আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো বিশ্লেষণ করে মিছিলে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমে অংশ নেওয়া কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না; দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
কর্মীর একটি মিছিল জিইসি মোড় থেকে শুরু হয়ে গোলপাহাড় মোড়ের দিকে যায়। জুমার নামাজের পর সিআরবি এলাকা থেকে চট্টগ্রাম উত্তর-দক্ষিণ ও মহানগর ছাত্রলীগের ব্যানারে অনুরূপ আরেকটি বিশাল মিছিল বের হয়ে টাইগারপাস মোড়ের দিকে অগ্রসর হয়। এরপর বিকাল ৪টার দিকে লাল টুপি পরিহিত শতাধিক নেতাকর্মীর সমন্বয়য়ে একটি মিছিল নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় মিছিল করে দেশের বর্তমান বিভিন্ন সংকট নিয়ে জনগণের পক্ষে স্লোগান দেয়। বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার পর প্রকাশ্য মিছিলে আসা সংগঠনটির এই ভিডিওগুলো মূলত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ থেকে প্রচার করা হয়, এরপর সাধারণ জনগণ শেয়ার করে দেয়। ভিডিওগুলোতে অংশগ্রহণকারীদের খুব ধীরে মিছিল শেষ করে প্রস্থান করতে দেখা
গেছে। পুলিশের প্রতিক্রিয়া: “শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে” ছাত্রলীগের এই কর্মসূচি কেন্দ্র করে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নগরের পুলিশের সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ গণমাধ্যমকে জানান: “আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো বিশ্লেষণ করে মিছিলে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমে অংশ নেওয়া কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না; দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”



