ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
কড়াইল বস্তিতে ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি: তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
প্রতিশ্রুতির রাজনীতি, নীরবতার কমিশন তারেক রহমান, বিএনপি, এনসিপি ও রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার মুখোশ
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
নির্বাচনি দৌড়ে ১০৭ নারী প্রার্থী, স্বতন্ত্রদের আধিক্য বেশি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রাথমিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৫৬৯ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন ১০৮ জন।
তবে এক শীর্ষ রাজনৈতিক নেত্রীর মৃত্যুর পর কার্যত নারী প্রার্থীর সংখ্যা নেমে এসেছে ১০৭ জনে। মোট প্রার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থীর হার দাঁড়ায় মাত্র ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলে এ সংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১১০টি আসনের বিপরীতে নারী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আগের সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী ছিলেন এক হাজার ৯৬৯ জন, যার মধ্যে নারী ছিলেন ৯৬ জন। সেই হিসেবে এবার নারী প্রার্থীর সংখ্যা সামান্য বেড়েছে।
তবে মূলধারার বড় রাজনৈতিক দলগুলো থেকে নারীদের মনোনয়ন প্রাপ্তির হার এখনও তুলনামূলক কম। এর ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনি মাঠে নেমেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার নারী প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি—৪০ জন। যা মোট নারী প্রার্থীর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি নারীদের রাজনীতিতে অনাগ্রহের চিত্র নয়; বরং দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবতার প্রতিফলন। এরই মধ্যে কয়েকজন পরিচিত নারী রাজনীতিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন। একাধিক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, জোটগত সিদ্ধান্ত বা দলীয় কৌশলের কারণে তারা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছেন। কোথাও কোথাও স্বতন্ত্র
প্রার্থী হওয়ার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাংগঠনিক পদ বা সদস্যপদও হারাতে হয়েছে। দলভিত্তিক নারী প্রার্থীর চিত্র বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি নারী প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি ১৩টি আসনে ১০ জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। এর মধ্যে দলের সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসনের নামও ছিল, যিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার মৃত্যুর পর ওই আসনগুলোতে বিকল্প প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে, ফলে বিএনপির নারী প্রার্থীর সংখ্যা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবারের নির্বাচনে সরাসরি কোনও নারী প্রার্থী দেয়নি। দলটি জানিয়েছে, তারা সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন দেবে। তরুণ নেতৃত্বাধীন নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের ৪৭ জন
প্রার্থীর মধ্যে তিনজন নারীকে মনোনয়ন দিয়েছে, যা শতকরা হিসাবে ৬ শতাংশের বেশি। বামপন্থি দলগুলো তুলনামূলকভাবে নারী প্রার্থী মনোনয়নে এগিয়ে। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাসদ—দুই অংশ মিলিয়ে মোট ১৪ জন নারী প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়া ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ছয়জন করে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিলেও দলগুলোর নির্বাচনি প্রভাব সীমিত। ধর্মভিত্তিক অধিকাংশ দল নারী প্রার্থী দেয়নি। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ তাদের নীতিগত অবস্থান। জাতীয় পার্টি পাঁচজন, গণসংহতি আন্দোলন চারজন, আমার বাংলাদেশ পার্টি তিনজন এবং গণঅধিকার পরিষদ তিনজন নারী প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়া সাতটি নিবন্ধিত দল মাত্র একজন
করে নারী প্রার্থী দিয়েছে, যা মানবাধিকারকর্মীদের মতে প্রতীকী অংশগ্রহণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শহরাঞ্চলে নারীদের উপস্থিতি বেশি আসনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শহর ও আধা-শহরাঞ্চলে নারী প্রার্থীর উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েকটি আসনে একাধিক নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঢাকা–৭, ঢাকা–১২, চট্টগ্রাম–১০ এবং নেত্রকোণা–৪ আসনে একাধিক নারী প্রার্থী থাকায় ভোটের প্রতিযোগিতা যেমন বেড়েছে, তেমনি রাজনৈতিক সমীকরণও জটিল হয়েছে। নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সংস্কার ভাবনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধানে সমান রাজনৈতিক অধিকারের নিশ্চয়তা থাকলেও সরাসরি সংসদ নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বড় দলগুলো এখনো বিজয়-সম্ভাবনাময় আসনে নারী প্রার্থী দিতে অনীহা দেখাচ্ছে। নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে সরাসরি নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে একাধিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রস্তাবনায় বলা
হয়, প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় একটি সাধারণ আসনের পাশাপাশি একটি সংরক্ষিত আসন থাকতে পারে, যেখানে নারীরা সরাসরি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এতে সংসদে নারীর সংখ্যা বাড়লেও সেটিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখার আহ্বান জানানো হয়। জুলাই সনদ ও বর্তমান বাস্তবতা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত ‘জুলাই সনদ’-এ সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে সংস্কার প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টিই থাকবে, তবে রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিটি সাধারণ নির্বাচনে অন্তত ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের ৩৩ শতাংশ নারী করার প্রস্তাব রয়েছে। তবে এবারের মনোনয়ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড় কোনও দলই এই ৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। ব্যতিক্রম
হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি সামান্য বেশি হারে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পেরেছে। বিএনপি তিনটি আসনে নারী প্রার্থী দেওয়ায় সাময়িকভাবে ৪ শতাংশের বেশি হার দেখালেও সাম্প্রতিক পরিবর্তনে সেই হার কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এক নজরে নারী প্রার্থীদের পরিসংখ্যান স্বতন্ত্র— ৪০ বিএনপি — ১৩ বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) — ১০ ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ — ৬ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) — ৬ জাতীয় পার্টি — ৫ বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) — ৪ গণসংহতি আন্দোলন — ৪ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) — ৩ গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) —৩ গণফোরাম — ২ ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) — ২ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি — ২ জাতীয় পার্টি (জেপি) — ১ ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ — ১ নাগরিক ঐক্য — ১ বাংলাদেশ লেবার পার্টি — ১ বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টি — ১ বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) — ১ বাংলাদেশ মুসলিম লীগ — ১
তবে মূলধারার বড় রাজনৈতিক দলগুলো থেকে নারীদের মনোনয়ন প্রাপ্তির হার এখনও তুলনামূলক কম। এর ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনি মাঠে নেমেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার নারী প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি—৪০ জন। যা মোট নারী প্রার্থীর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি নারীদের রাজনীতিতে অনাগ্রহের চিত্র নয়; বরং দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবতার প্রতিফলন। এরই মধ্যে কয়েকজন পরিচিত নারী রাজনীতিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন। একাধিক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, জোটগত সিদ্ধান্ত বা দলীয় কৌশলের কারণে তারা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছেন। কোথাও কোথাও স্বতন্ত্র
প্রার্থী হওয়ার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাংগঠনিক পদ বা সদস্যপদও হারাতে হয়েছে। দলভিত্তিক নারী প্রার্থীর চিত্র বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি নারী প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি ১৩টি আসনে ১০ জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। এর মধ্যে দলের সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসনের নামও ছিল, যিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার মৃত্যুর পর ওই আসনগুলোতে বিকল্প প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে, ফলে বিএনপির নারী প্রার্থীর সংখ্যা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবারের নির্বাচনে সরাসরি কোনও নারী প্রার্থী দেয়নি। দলটি জানিয়েছে, তারা সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন দেবে। তরুণ নেতৃত্বাধীন নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের ৪৭ জন
প্রার্থীর মধ্যে তিনজন নারীকে মনোনয়ন দিয়েছে, যা শতকরা হিসাবে ৬ শতাংশের বেশি। বামপন্থি দলগুলো তুলনামূলকভাবে নারী প্রার্থী মনোনয়নে এগিয়ে। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাসদ—দুই অংশ মিলিয়ে মোট ১৪ জন নারী প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়া ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ছয়জন করে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিলেও দলগুলোর নির্বাচনি প্রভাব সীমিত। ধর্মভিত্তিক অধিকাংশ দল নারী প্রার্থী দেয়নি। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ তাদের নীতিগত অবস্থান। জাতীয় পার্টি পাঁচজন, গণসংহতি আন্দোলন চারজন, আমার বাংলাদেশ পার্টি তিনজন এবং গণঅধিকার পরিষদ তিনজন নারী প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়া সাতটি নিবন্ধিত দল মাত্র একজন
করে নারী প্রার্থী দিয়েছে, যা মানবাধিকারকর্মীদের মতে প্রতীকী অংশগ্রহণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শহরাঞ্চলে নারীদের উপস্থিতি বেশি আসনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শহর ও আধা-শহরাঞ্চলে নারী প্রার্থীর উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েকটি আসনে একাধিক নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঢাকা–৭, ঢাকা–১২, চট্টগ্রাম–১০ এবং নেত্রকোণা–৪ আসনে একাধিক নারী প্রার্থী থাকায় ভোটের প্রতিযোগিতা যেমন বেড়েছে, তেমনি রাজনৈতিক সমীকরণও জটিল হয়েছে। নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সংস্কার ভাবনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধানে সমান রাজনৈতিক অধিকারের নিশ্চয়তা থাকলেও সরাসরি সংসদ নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বড় দলগুলো এখনো বিজয়-সম্ভাবনাময় আসনে নারী প্রার্থী দিতে অনীহা দেখাচ্ছে। নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে সরাসরি নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে একাধিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রস্তাবনায় বলা
হয়, প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় একটি সাধারণ আসনের পাশাপাশি একটি সংরক্ষিত আসন থাকতে পারে, যেখানে নারীরা সরাসরি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এতে সংসদে নারীর সংখ্যা বাড়লেও সেটিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখার আহ্বান জানানো হয়। জুলাই সনদ ও বর্তমান বাস্তবতা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত ‘জুলাই সনদ’-এ সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে সংস্কার প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টিই থাকবে, তবে রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিটি সাধারণ নির্বাচনে অন্তত ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের ৩৩ শতাংশ নারী করার প্রস্তাব রয়েছে। তবে এবারের মনোনয়ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড় কোনও দলই এই ৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। ব্যতিক্রম
হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি সামান্য বেশি হারে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পেরেছে। বিএনপি তিনটি আসনে নারী প্রার্থী দেওয়ায় সাময়িকভাবে ৪ শতাংশের বেশি হার দেখালেও সাম্প্রতিক পরিবর্তনে সেই হার কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এক নজরে নারী প্রার্থীদের পরিসংখ্যান স্বতন্ত্র— ৪০ বিএনপি — ১৩ বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) — ১০ ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ — ৬ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) — ৬ জাতীয় পার্টি — ৫ বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) — ৪ গণসংহতি আন্দোলন — ৪ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) — ৩ গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) —৩ গণফোরাম — ২ ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) — ২ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি — ২ জাতীয় পার্টি (জেপি) — ১ ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ — ১ নাগরিক ঐক্য — ১ বাংলাদেশ লেবার পার্টি — ১ বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টি — ১ বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) — ১ বাংলাদেশ মুসলিম লীগ — ১



