ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১১ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থীদের প্রতি জামায়াতের অসহযোগিতা: অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও মুনাফেকির অভিযোগ
চট্টগ্রামের অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে ধানের শীষ
‘রাজাকার, আলবদর, কিছুই রবে নারে’, স্লোগানে ঢাবি ক্যাম্পাসে ঘুরল পিকআপ
গুলশানে শতকোটি টাকার জমি দখল করলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা
শেখ হাসিনা শান্তি ও অগ্রগতির এক দৃঢ় প্রতীক
ডিসিরা বাসায়, গণভোটের ফল ঝুলছে : কী বানানো হয়েছে রাতভর?
ভোট প্রত্যাখান করায় দেশবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন শেখ হাসিনা
নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-কে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিষয়টি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডব্লিউআইওএন। এছাড়াও বিএনপির একটি বিশেষ সূত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলের চেয়ারম্যান ও সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে। সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপির বড় জয়ের পর এই উদ্যোগকে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমানোর সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের আগ থেকেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে। ভারত ছাড়া পার্শবর্তী দেশ হিসেবে স্থিতিশীল বাংলাদেশ সম্ভব নয় সেটা ৫ আগস্টের পর থেকেই বুঝেছিল
বিএনপি। কিন্তু জামায়াত-এনসিপিসহ পাকিস্তানপন্থী দলগুলোর কারণে তারা প্রথমে নীরব ছিল। পরে বাস্তবতা বুঝে তারা নানাভাবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করেছে। হুমায়ুন কবির বলেন, আঞ্চলিক বিষয়গুলো নতুন সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষ্য সহযোগিতা শক্তিশালী করা তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে। তিনি আরও জানান, সময় স্বল্পতা থাকলেও শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাঠানোর বিষয়ে সরকার আন্তরিক থাকবে। তিনি এই সম্ভাব্য আমন্ত্রণকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সৌহার্দ্যের বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, নতুন সরকার আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি গ্রহণ করতে চায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সংগঠন সার্ক এবং বিমসটেক -কে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ইঙ্গিত দেন। প্রতিবেদনে আরও বলা
হয়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই বার্তা এসেছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই নির্বাচনকে দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছে বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। মোদী এক বার্তায় বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশ-এর বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে তিনি নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
বিএনপি। কিন্তু জামায়াত-এনসিপিসহ পাকিস্তানপন্থী দলগুলোর কারণে তারা প্রথমে নীরব ছিল। পরে বাস্তবতা বুঝে তারা নানাভাবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করেছে। হুমায়ুন কবির বলেন, আঞ্চলিক বিষয়গুলো নতুন সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষ্য সহযোগিতা শক্তিশালী করা তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে। তিনি আরও জানান, সময় স্বল্পতা থাকলেও শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাঠানোর বিষয়ে সরকার আন্তরিক থাকবে। তিনি এই সম্ভাব্য আমন্ত্রণকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সৌহার্দ্যের বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, নতুন সরকার আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি গ্রহণ করতে চায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সংগঠন সার্ক এবং বিমসটেক -কে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ইঙ্গিত দেন। প্রতিবেদনে আরও বলা
হয়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই বার্তা এসেছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই নির্বাচনকে দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছে বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। মোদী এক বার্তায় বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশ-এর বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে তিনি নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।



