ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ স্বীকৃতি কুবির
রাবির হলের শূন্য সিটে ওরা কারা? ছাত্রদল পরিচয় দিলেও সভাপতির সন্দেহ ‘শিবির’
শামীম-মাসুদ-তোফাজ্জল হত্যা থেকে হামের টিকা-কাণ্ড: জাবি ছাত্রলীগের ৬ দফায় প্রতিবাদ কর্মসূচি
গান গেয়ে ভাইরাল সেই ঢাবি শিক্ষককে অব্যাহতি
ঢাবির সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে বরখাস্ত ৩ শিক্ষক, অব্যাহতি দুজনের
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের ৭৫০ বর্গফুট পতাকা শোডাউন
৮০% ছেলেই আনফিট তাই ছাত্রীকে লিভ টুগেদারের প্রস্তাব অধ্যাপকের
ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত শাবির দুই শিক্ষার্থী ৪ দিনের রিমান্ডে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী স্বাগত দাস পার্থ ও শান্ত তারা আদনান। শান্ত তারা আদনান নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য ও জুলাই হামলা মামলার আসামি।
সোমবার (২৩ জুন) সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হারুন-অর-রশীদ এ বিষয়ে আদেশ দেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা মো. তাজউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক শেষে আদালতের বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে সকাল পৌনে
১০টায় আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। বেলা ১১টায় রিমান্ডের শুনানি চলাকালে আদালত চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা আদালতের এজলাস কক্ষের বারান্দায় অবস্থান নেন। পরে পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আসামি দুজনকে আদালত থেকে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ২ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মেসে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ওই দুই ছাত্রের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ১৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী ছাত্রী। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে শিশুও নারী নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করার পর ওই দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
১০টায় আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। বেলা ১১টায় রিমান্ডের শুনানি চলাকালে আদালত চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা আদালতের এজলাস কক্ষের বারান্দায় অবস্থান নেন। পরে পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আসামি দুজনকে আদালত থেকে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ২ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মেসে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ওই দুই ছাত্রের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ১৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী ছাত্রী। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে শিশুও নারী নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করার পর ওই দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।



