ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চার দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস
ইমাম-খাদেম সম্মানীর তালিকা তৈরিতে অসততা “সৎ লোকের শাসন” দাবিদার জামায়াতে ইসলামীর
সেনাবাহিনীর দুই বছরের ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানেও অধরা জুলাই আন্দোলনে জেল পালানো ৬৯০ অপরাধী, তালিকায় দুই শীর্ষ জঙ্গি
চাঁদার দাবিতে নোয়াখালীতে বিয়ের গাড়ীতে গুলি : গুলিবিদ্ধ ৫
রাজস্ব ঘাটতির বোঝা এবার হকারদের কাঁধে, নতুন ফি কাঠামোয় ক্ষোভ; মূল্য বৃদ্ধির আশংকায় ক্রেতারা
ফাঁস হয়ে গেলো প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য প্রস্তুত করা দাবিদাওয়ার লম্বা ফর্দ
আরাফাত ময়দানে জিয়াউর রহমানের ‘জিয়া ট্রি’ নিয়ে তারেক রহমানের দাবি: সৌদি ঐতিহাসিক দলিলে মেলেনি সত্যতা
দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বেনগাজীর গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাদের নিরাপদ ও মানবিকভাবে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৬টায় লিবিয়ার বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। দেশে ফেরা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ৩ নারী, এক শিশু এবং ১৫ জন অসুস্থ ব্যক্তি।
জানা গেছে, এসব বাংলাদেশি উন্নত জীবনের আশায় অনিয়মিত পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সমুদ্রপথে অভিযানের সময় তারা উদ্ধার বা আটক হন। পরে দীর্ঘ সময় লিবিয়ার গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর পরিবেশে বন্দি জীবন
কাটান। বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, লিবিয়ায় আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন এবং আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বশেষ এই ১৭৪ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। দূতাবাস আরও জানায়, বেনগাজীর গ্যানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিয়মিত সাক্ষাৎকার গ্রহণ, পরিচয় যাচাই এবং প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এসব কেন্দ্রে অবস্থানরত অবশিষ্ট বাংলাদেশিদেরও পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এর আগে একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়ে গত ৭ আগস্ট লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছিলেন ৩৪০ বাংলাদেশি। সর্বশেষ ১৭৪ জনসহ চলতি মাসে মোট ৫১৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে
আনা হলো। বাংলাদেশ দূতাবাস সকলকে দালাল ও মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে না পড়ে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনপথ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদিত এবং আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
কাটান। বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, লিবিয়ায় আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন এবং আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বশেষ এই ১৭৪ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। দূতাবাস আরও জানায়, বেনগাজীর গ্যানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিয়মিত সাক্ষাৎকার গ্রহণ, পরিচয় যাচাই এবং প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এসব কেন্দ্রে অবস্থানরত অবশিষ্ট বাংলাদেশিদেরও পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এর আগে একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়ে গত ৭ আগস্ট লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছিলেন ৩৪০ বাংলাদেশি। সর্বশেষ ১৭৪ জনসহ চলতি মাসে মোট ৫১৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে
আনা হলো। বাংলাদেশ দূতাবাস সকলকে দালাল ও মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে না পড়ে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনপথ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদিত এবং আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।



