ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুনাহকে তুচ্ছজ্ঞান করার পরিণতি
হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
ঈদুল ফিতরের কতদিন পর শাওয়ালের রোজা রাখতে হবে?
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেশজুড়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন
শোলাকিয়ায় ঈদ জামাতে রেকর্ড মুসল্লি
মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় জুমাতুল বিদা পালিত
যে বছর রমজান আসবে দুবার, ঈদ হবে ৩টি
দুই হাজার ধর্মীয় স্কুল পুনরুজ্জীবিত করবে ইন্দোনেশিয়ার সরকার
জাতীয় শিক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুই হাজারের বেশি ধর্মীয় স্কুল বা মাদরাসা পুনরুজ্জীবিত করবে ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় দ্রুততম সময়ে এই কর্মসূচি শেষ করতে চায়। গত ১ অক্টোবর বুধবার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব কামারুদ্দিন আমিন বলেন, ‘এই প্রকল্প এবং এ সংক্রান্ত বাজেট একটি বড় দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রকল্পটি সতর্কতা ও যত্নের সঙ্গে সময় মতো বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি জানান, বরাদ্দকৃত অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিগগিরই এই পুনর্জীবন কর্মসূচির বিস্তারিত, নিয়ম, প্রক্রিয়া এবং দরপত্র সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে।
ইসলামিক শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক আমিন সুয়িত্নো বলেন, এই কর্মসূচি প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর ‘কুইক-উইন’ উদ্যোগগুলোর একটি। তবে
২০২৫ সালে লক্ষ্যকৃত দুই হাজার ১২০টি মাদরাসার মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৯০টি সংস্কার করা হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো মাঝারি থেকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এই কুইক-উইন কর্মসূচির মাধ্যমে জরুরি চাহিদাগুলোর সমাধান নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচিত মাদরাসাগুলোর উপযুক্ততা মূল্যায়ন করে মাদরাসাগুলোকে ডিজিটালাইজেশন করা হবে। মাদরাসার পাঠক্রম, অবকাঠামো, প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থী বিষয়ক পরিচালক নায়ু খোদিজাহ বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে পুনর্জীবন কাজ পরিচালনা করা হবে। এই কাজ অবশ্যই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্মাণ মানদণ্ড অনুসরণ করে করা হবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পুনর্জীবন কর্মসূচির লক্ষ্য হলো মাদরাসাগুলোকে আধুনিক করে গড়ে তোলা এবং জাতীয় শিক্ষা সংস্কারকে আরো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা। সূত্র: আনতারা নিউজ
ডটকম
২০২৫ সালে লক্ষ্যকৃত দুই হাজার ১২০টি মাদরাসার মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৯০টি সংস্কার করা হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো মাঝারি থেকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এই কুইক-উইন কর্মসূচির মাধ্যমে জরুরি চাহিদাগুলোর সমাধান নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচিত মাদরাসাগুলোর উপযুক্ততা মূল্যায়ন করে মাদরাসাগুলোকে ডিজিটালাইজেশন করা হবে। মাদরাসার পাঠক্রম, অবকাঠামো, প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থী বিষয়ক পরিচালক নায়ু খোদিজাহ বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে পুনর্জীবন কাজ পরিচালনা করা হবে। এই কাজ অবশ্যই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্মাণ মানদণ্ড অনুসরণ করে করা হবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পুনর্জীবন কর্মসূচির লক্ষ্য হলো মাদরাসাগুলোকে আধুনিক করে গড়ে তোলা এবং জাতীয় শিক্ষা সংস্কারকে আরো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা। সূত্র: আনতারা নিউজ
ডটকম



