ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাস ভাড়া বাড়াল সরকার
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় থমকে যাচ্ছে গার্মেন্টস খাত, ক্রয়াদেশ চলে যাচ্ছে ভারতে
সেচ সংকটে বিপর্যয়: “কৃষি কার্ড” নিয়ে পাম্পে পাম্পে ঘুরেও ডিজেল পাচ্ছেন না কৃষক, বোরো ধানে চিটা পড়ার আশঙ্কা
আদানির ইউনিট বন্ধ, জ্বালানি সংকটে লোডশেডিং বেড়েই চলেছে
গ্যাস সংকটের দায় আওয়ামী লীগ সরকারের ঘাড়ে চাপানো তথ্যমন্ত্রীর বিভ্রান্তিকর বক্তব্য: ফ্যাক্টস কী বলছে
ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে
বাসভাড়া বাড়ছে বৃহস্পতিবার
তেলের লাইনে দাঁড়াতেও ‘ভাড়া চালক’ সংকটে নতুন ব্যবসা
জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রল পাম্পের সামনে গাড়ির দীর্ঘ লাইন এখন নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে। দিন-রাত ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সময়মতো জ্বালানি না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
তেলের দাম বাড়ানোর পর পরিস্থিতির উন্নতি হবে—এমন আশা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বরং গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এই সংকটকেই সুযোগে পরিণত করে নতুন ধরনের ব্যবসা শুরু করেছে অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘সেবা এক্সওয়াইজেড’। প্রতিষ্ঠানটি ‘ফুয়েল রিফুয়েলিং ড্রাইভার সার্ভিস’ নামে এমন একটি সেবা চালু করেছে, যেখানে গ্রাহকের গাড়ি নিয়ে তাদের কর্মীরা তেলের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবেন।
ঘণ্টাভিত্তিক পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে। দিনের বেলায়
প্রতি ঘণ্টায় ১৭৫.৫২ টাকা এবং রাতে ২২৪.৬৮ টাকা হারে চার্জ নেওয়া হচ্ছে। চাইলে আংশিক সময়ের জন্যও ভাড়াটে চালক নেওয়া যাচ্ছে—অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষার বোঝা ভাগ করে নিচ্ছেন সেবাকর্মীরা। তবে এ ধরনের সেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলছেন, এটি মূলত জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতার প্রতিফলন, যেখানে সংকট সমাধানের বদলে তা কেন্দ্র করে নতুন ব্যবসার প্রসার ঘটছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে ‘সংকটে নতুন পেশার সুযোগ’ হিসেবে দেখলেও অনেকে এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগকে পুঁজি করে ব্যবসা করার উদাহরণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এদিকে এই সেবা আপাতত শুধু প্রাইভেট কারের জন্য সীমিত থাকায় মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের দুর্ভোগ আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। তাদের
ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা না ফিরলে এমন অস্বাভাবিক পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হতে পারে। আর এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমার বদলে আরও বাড়ার আশঙ্কাই বেশি।
প্রতি ঘণ্টায় ১৭৫.৫২ টাকা এবং রাতে ২২৪.৬৮ টাকা হারে চার্জ নেওয়া হচ্ছে। চাইলে আংশিক সময়ের জন্যও ভাড়াটে চালক নেওয়া যাচ্ছে—অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষার বোঝা ভাগ করে নিচ্ছেন সেবাকর্মীরা। তবে এ ধরনের সেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলছেন, এটি মূলত জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতার প্রতিফলন, যেখানে সংকট সমাধানের বদলে তা কেন্দ্র করে নতুন ব্যবসার প্রসার ঘটছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে ‘সংকটে নতুন পেশার সুযোগ’ হিসেবে দেখলেও অনেকে এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগকে পুঁজি করে ব্যবসা করার উদাহরণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এদিকে এই সেবা আপাতত শুধু প্রাইভেট কারের জন্য সীমিত থাকায় মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের দুর্ভোগ আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। তাদের
ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা না ফিরলে এমন অস্বাভাবিক পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হতে পারে। আর এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমার বদলে আরও বাড়ার আশঙ্কাই বেশি।



