ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমার নৌবাহিনী অনুপ্রবেশ করে জেলেদের ওপর হামলা ও লুটপাট
যদি গোয়েন্দা লাগে, আমি লোক সাপ্লাই দিব: ওসিকে জামায়াতের প্রার্থী
চট্টগ্রাম বন্দরের ৩ প্রবেশপথ অবরোধ
ক্ষমতার নিশ্চয়তা ছাড়া ফিরবেন না তারেক: মায়ের বিপদেও ভরসা শুধুই ‘অনলাইন’—সমালোচনায় মুখর সাংবাদিক রুবিনা
সেনাবাহিনীকে ‘পোষা কুকুর’ আখ্যা: কার প্রশ্রয়ে পার পেলেন উগ্রপন্থী সাইফুল?
ওয়ান-ইলেভেনের মত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব মাইনাসের খেলা চলছে বিদেশ থেকে
প্রতারণা ও অপকৌশলে শেখ হাসিনার সততা-নিষ্ঠা প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না: ব্যাংকের লকার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের বিবৃতি
তারেক রহমানের দেশে ফেরায় ‘ত্রিমুখী’ বাধা: নেপথ্যে ড. ইউনূস, জামায়াত ও সেনাবাহিনীর একাংশ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, তখন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে চলছে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। অভিযোগ উঠেছে, নিছক আইনি জটিলতা নয়, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি অংশের কঠোর আপত্তির কারণেই দেশে ফিরতে পারছেন না তিনি।
এক নজরে,
ড. ইউনূসের অনীহা: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস চান না তারেক রহমান এখনই দেশে ফিরে রাজনীতির হাল ধরুক; নিরাপত্তার অযুহাত দেখিয়ে তাকে আটকানো হচ্ছে।
জামায়াত ও সেনাবাহিনীর আপত্তি: জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি বিশাল অংশ তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছে।
মাইনাস ফর্মুলা আতঙ্ক: গোয়েন্দা তথ্যে উঠে
এসেছে, তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে ‘মাইনাস’ করার পুরনো ছক নতুন করে বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ: সরকার তাদের সংস্কার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এই মুহূর্তে তারেক রহমানের উপস্থিতি ও রাজনৈতিক প্রভাব এড়িয়ে চলতে চাইছে। বিস্তারিত সংবাদ, বিএনপির হাইকমান্ড ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন খোদ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অভিযোগ রয়েছে, ড. ইউনূস মুখে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সহায়তার কথা বললেও, বাস্তবে তারেক রহমানকে দেশে আসতে না দেওয়াটা এক ধরনের ‘রাজনৈতিক ভণ্ডামি’। গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তার অযুহাত দেখিয়ে মূলত তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার বা ‘মাইনাস’ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকার
মনে করছে, এই মুহূর্তে তিনি দেশে ফিরলে সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তারেক রহমানের ফেরার পথে কেবল সরকার নয়, বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামীও। সূত্রমতে, জামায়াতে ইসলামীর নীতিনির্ধারকরা এই মুহূর্তে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন চাইছেন না এবং এ বিষয়ে তারা সরকারের কাছে তাদের আপত্তি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরেও বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে, সেনাবাহিনীর একটি বিশাল অংশ চায় না তারেক জিয়া এখনই দেশে ফিরে আসুক। ফলে প্রশাসনিক ও সামরিক—উভয় দিক থেকেই এক ধরণের ‘অদৃশ্য দেয়াল’ তৈরি করা হয়েছে তারেক রহমানের সামনে। মায়ের এই চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় তারেক রহমান দেশে ফেরার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলেও
তিনি কার্যত অসহায়। তিনি স্বীকার করেছেন যে, দেশে ফেরার বিষয়টি এখন আর তার ‘একক সিদ্ধান্তে’ নেই। আন্তর্জাতিক চাপ, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ এবং সরকারের কৌশলী অবস্থানের কারণে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মানবিক আবেগের চেয়ে এখানে রাজনৈতিক স্বার্থই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথকে জটিল করে তুলতে পারে।
এসেছে, তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে ‘মাইনাস’ করার পুরনো ছক নতুন করে বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ: সরকার তাদের সংস্কার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এই মুহূর্তে তারেক রহমানের উপস্থিতি ও রাজনৈতিক প্রভাব এড়িয়ে চলতে চাইছে। বিস্তারিত সংবাদ, বিএনপির হাইকমান্ড ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন খোদ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অভিযোগ রয়েছে, ড. ইউনূস মুখে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সহায়তার কথা বললেও, বাস্তবে তারেক রহমানকে দেশে আসতে না দেওয়াটা এক ধরনের ‘রাজনৈতিক ভণ্ডামি’। গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তার অযুহাত দেখিয়ে মূলত তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার বা ‘মাইনাস’ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকার
মনে করছে, এই মুহূর্তে তিনি দেশে ফিরলে সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তারেক রহমানের ফেরার পথে কেবল সরকার নয়, বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামীও। সূত্রমতে, জামায়াতে ইসলামীর নীতিনির্ধারকরা এই মুহূর্তে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন চাইছেন না এবং এ বিষয়ে তারা সরকারের কাছে তাদের আপত্তি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরেও বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে, সেনাবাহিনীর একটি বিশাল অংশ চায় না তারেক জিয়া এখনই দেশে ফিরে আসুক। ফলে প্রশাসনিক ও সামরিক—উভয় দিক থেকেই এক ধরণের ‘অদৃশ্য দেয়াল’ তৈরি করা হয়েছে তারেক রহমানের সামনে। মায়ের এই চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় তারেক রহমান দেশে ফেরার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলেও
তিনি কার্যত অসহায়। তিনি স্বীকার করেছেন যে, দেশে ফেরার বিষয়টি এখন আর তার ‘একক সিদ্ধান্তে’ নেই। আন্তর্জাতিক চাপ, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ এবং সরকারের কৌশলী অবস্থানের কারণে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মানবিক আবেগের চেয়ে এখানে রাজনৈতিক স্বার্থই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথকে জটিল করে তুলতে পারে।



