ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্যাস সংকটের পিছনে বিএনপি-জামাতের সিন্ডিকেট: কৃত্রিম অভাব তৈরি করে রাজনৈতিক লাভের খেলা
ক্ষমা চাইলেন আমির হামজা
পিতার রাজনৈতিক বিরোধের বলি ১৭ বছরের রাকিব ইসলাম এই প্রতিহিংসা রাজনীতির শেষ কোথায়..!
যে রাজনীতি সন্তানের হাতে কলম নয়, কফিন তুলে দিতে চায়—সেই জামাত-শিবিরের আগ্রাসন রুখুন, এই ভাঁওতাবাজ নির্বাচন বয়কট করুন।
আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে
বিএনপির সমালোচনায় ফুটে উঠছে ইউনুসের সাথে অন্তর্দ্বন্দ্বের চিত্র
তাবলিগের ছদ্মবেশে দলে দলে পাকিস্তানি জঙ্গি ঢুকছে বাংলাদেশে
সাম্প্রতিক সময়ে গোয়েন্দা সূত্র থেকে অভিযোগ এসেছে, তাবলিগ জামাতের নাম ব্যবহার করে পাকিস্তানি জঙ্গি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। বিশেষ করে করাচি থেকে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে এই প্রবেশ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইউনুস সরকারের অধীনে বিশেষ বিমান পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে, যাতে পাকিস্তানি জঙ্গিদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করা যায় এবং আমেরিকা থেকে নতুন বোয়িং আনা যায়। সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে বিশেষ বিমানে করে পাকিস্তান থেকে প্রচুর অস্ত্র দেশে এসেছে, এবং অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকেরা এখন তাবলিগের নামে ছদ্মবেশে আসছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সূত্র দাবি করেছে, ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন এর আগে জঙ্গিদের শোডাউন হতে পারে এবং সারাদেশে তাদের
নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা চলছে। সেনাবাহিনীর কিছু অংশও জঙ্গিদের দিকনির্দেশনা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে সাধারণ ভোটার ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবে না, এবং উশৃঙ্খল নন ভোটার যুবক দিয়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়া ও ভোট বাক্স জোরপূর্বক পূর্ণ করার জন্য অস্ত্রের মহড়া দেখানো হতে পারে। দেশপ্রেমিক নাগরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, দেশের নিরাপত্তা, ভোটের স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য সচেতন ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া অত্যাবশ্যক। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সতর্কতা, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত ও গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণই বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখতে পারে।
নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা চলছে। সেনাবাহিনীর কিছু অংশও জঙ্গিদের দিকনির্দেশনা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে সাধারণ ভোটার ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবে না, এবং উশৃঙ্খল নন ভোটার যুবক দিয়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়া ও ভোট বাক্স জোরপূর্বক পূর্ণ করার জন্য অস্ত্রের মহড়া দেখানো হতে পারে। দেশপ্রেমিক নাগরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, দেশের নিরাপত্তা, ভোটের স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য সচেতন ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া অত্যাবশ্যক। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সতর্কতা, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত ও গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণই বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখতে পারে।



