ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাবিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, গালাগাল ও হুমকির অভিযোগ
ডুয়েটে নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, একাধিক শিক্ষার্থী আহত
যখন বাড়ির দেয়াল নিজেই একটা ভূগোলের বই হয়ে ওঠে!
উচ্চশিক্ষায় আবাসিক সংকট
ডুয়েটে ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ২৫
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় উত্তাল ক্যাম্পাস: প্রক্টরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, কার্যালয়ে তালা
সুর থামছে একে একে: কনসার্ট বাতিলের মিছিলে কি মৌলবাদের পদধ্বনি?
ঢাবি শিক্ষার্থীদের ‘মেরে ঠ্যাং ভেঙে’ দেওয়ার হুমকি দিলেন শিবিরপন্থী ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা
ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ‘মেরে ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার’ হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে ডাকসু নির্বাচনে উমামা ফাতেমার নেতৃত্বাধীন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের সদস্য পদপ্রার্থী আবির হাসান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে অভিযোগ করেন, সর্বমিত্র চাকমা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এ হুমকি দেন।
স্ট্যাটাসে আবির লেখেন, ‘আপনাদের একটা ইন্টারেস্টিং তথ্য দিই। সেদিন যখন প্রক্টর অফিসে আমার ফোন চেক করা হয় এবং আমি সেখানে বসা, তখন বামপন্থীরা হকারদের সঙ্গে মিছিল করছিল। এমন সময় কোত্থেকে সর্বমিত্র চাকমা রুমে ঢুকে বললেন, ‘আপনি শুধু অনুমতি দিন স্যার, হলপাড়া থেকে ১০টা
পোলাপান নিয়ে তাদের মেরে ঠ্যাং ভেঙে দিয়ে আসি।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমার তখন জিজ্ঞেস করতে মন চাইছিল, ছোটভাই, তোমার হল যেন কোনটা? নিজের হল থেকে দুইটা পোলাপান নিয়ে আসো তো পারলে, দেখি।’ এ বিষয়ে জানতে সর্বমিত্র চাকমাকে একাধিকবার ফোন করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের ঢাবি প্রতিনিধি তার বক্তব্য নিতে ডাকসু ভবনে যান, সেখানেও তাকে পাওয়া যায়নি। এর আগে ঢাবি ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান ও ভ্রাম্যমাণ হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও সদস্য সর্বমিত্র চাকমা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, এসব উচ্ছেদের প্রতিবাদে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা হকারদের
সঙ্গে নিয়ে মিছিল করেন। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে ডাকসুর সদস্যদের ‘মোরাল পুলিশিং’ এবং প্রশাসনিক ভূমিকা পালনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে, সোমবার দুপুরে আবির হাসান বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিসের বিরুদ্ধে মুঠোফোন চেক করে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগও দাখিল করেন। তিনি লিখিতভাবে জানান, প্রশাসনের এমন আচরণ শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।
পোলাপান নিয়ে তাদের মেরে ঠ্যাং ভেঙে দিয়ে আসি।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমার তখন জিজ্ঞেস করতে মন চাইছিল, ছোটভাই, তোমার হল যেন কোনটা? নিজের হল থেকে দুইটা পোলাপান নিয়ে আসো তো পারলে, দেখি।’ এ বিষয়ে জানতে সর্বমিত্র চাকমাকে একাধিকবার ফোন করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের ঢাবি প্রতিনিধি তার বক্তব্য নিতে ডাকসু ভবনে যান, সেখানেও তাকে পাওয়া যায়নি। এর আগে ঢাবি ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান ও ভ্রাম্যমাণ হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও সদস্য সর্বমিত্র চাকমা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, এসব উচ্ছেদের প্রতিবাদে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা হকারদের
সঙ্গে নিয়ে মিছিল করেন। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে ডাকসুর সদস্যদের ‘মোরাল পুলিশিং’ এবং প্রশাসনিক ভূমিকা পালনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে, সোমবার দুপুরে আবির হাসান বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিসের বিরুদ্ধে মুঠোফোন চেক করে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগও দাখিল করেন। তিনি লিখিতভাবে জানান, প্রশাসনের এমন আচরণ শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।



