ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন
নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি
এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন
নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী
জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ঢাকায় পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যু
রাজধানীর গুলশানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফায়াজ আহমেদ (৪৩) নামে এক পাকিস্তানি নাগরিক মারা গেছেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ভোর ৪টায় তার মৃত্যু হয়।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মৃত্যুর খবরটি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। তার মরদেহ পাকিস্তানে নিয়ে যেতে আজই (শনিবার) ঢাকায় পৌঁছেছেন তার বড় ভাই মো. সেলিম আখতার (৫৫)। মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সব ধরনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।’
পুলিশ ও ফায়াজের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফায়াজ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ইপিজেড এলাকায় ভালটেক্স ইন্টারন্যাশন বিডি লিমিটেড নামে একটি মোজার কোম্পানিতে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ
করতেন। তিনি সোমবার (২৪ নভেম্বর) শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং সেখানেই তার স্ট্রোক হয়। সেখানে থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যু ও মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে গুলশান থানার উপপরিদর্শক তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘এটি একটি স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা। তাই কোনো ধরনের সাধারণ ডায়েরি হয়নি। মরদেহটি যেহেতু দেশের বাইরে নেওয়া হবে এবং আমাদের থানা এলাকার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে, সে কারণে থানা-পুলিশ সহযোগিতা করছে। আশা করছি, তার ভাইয়ের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মরদেহটি
পাকিস্তানে পাঠানোর ব্যবস্থা হবে।’ ফাইয়াজের পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য ঘেঁটে জানা গেছে, চলতি মাসের ১২ তারিখ তিনি পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আসেন। ২২ তারিখ তিনি প্রথম শারীরিক জটিলতা অনুভব করেন। এর দুই দিন পর চট্টগ্রামের হাসপাতালে ভর্তি হন। ফায়েজ আহমেদ সর্বশেষ ৩ নভেম্বর পাকিস্তানে যান। গত ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশের মাল্টিপোল ভিসা পান।
করতেন। তিনি সোমবার (২৪ নভেম্বর) শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং সেখানেই তার স্ট্রোক হয়। সেখানে থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যু ও মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে গুলশান থানার উপপরিদর্শক তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘এটি একটি স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা। তাই কোনো ধরনের সাধারণ ডায়েরি হয়নি। মরদেহটি যেহেতু দেশের বাইরে নেওয়া হবে এবং আমাদের থানা এলাকার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে, সে কারণে থানা-পুলিশ সহযোগিতা করছে। আশা করছি, তার ভাইয়ের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মরদেহটি
পাকিস্তানে পাঠানোর ব্যবস্থা হবে।’ ফাইয়াজের পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য ঘেঁটে জানা গেছে, চলতি মাসের ১২ তারিখ তিনি পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আসেন। ২২ তারিখ তিনি প্রথম শারীরিক জটিলতা অনুভব করেন। এর দুই দিন পর চট্টগ্রামের হাসপাতালে ভর্তি হন। ফায়েজ আহমেদ সর্বশেষ ৩ নভেম্বর পাকিস্তানে যান। গত ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশের মাল্টিপোল ভিসা পান।



