ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশনের কার্যক্রম শুরু
ঢাকায় কার্যক্রম শুরু করেছে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশন। তিন বছর মেয়াদি এ মিশন চালুর জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং জাতিসংঘের পক্ষে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেন।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও বিকাশের লক্ষ্যে মিশন চালুর বিষয়ে সমঝোতা স্মারকটি সই হয়েছে।
গত আগস্ট থেকে জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয়ের বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ততা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কার্যালয়টি বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মানবাধিকার সংস্কার এগিয়ে নিতে এবং গণপ্রতিবাদের ওপর মারাত্মক দমন-পীড়নের বিষয়ে একটি বিস্তৃত তথ্যানুসন্ধান তদন্ত পরিচালনা করতে কাজ করে যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, ভলকার তুর্ক বলেছেন, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বাংলাদেশের মানবাধিকারের প্রতি প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়, যা দেশের রূপান্তরের মূল ভিত্তি। তিনি বলেন, এটি আমার কার্যালয়কে আমাদের তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে প্রদত্ত সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে আরও ভালোভাবে সহায়তা করতে এবং সরকার, সুশীল সমাজ এবং অন্যদের সঙ্গে সরাসরি স্থানীয়ভাবে আমাদের দক্ষতা ও সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের মৌলিক সংস্কারগুলোতে অংশ নিতে সক্ষম করবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন মানবাধিকার মিশনটি সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেবে, যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিশ্রুতি পূরণে সহযোগিতা করা যায়। একই সঙ্গে এটি সরকার ও সুশীল সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
বলা হয়, ভলকার তুর্ক বলেছেন, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বাংলাদেশের মানবাধিকারের প্রতি প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়, যা দেশের রূপান্তরের মূল ভিত্তি। তিনি বলেন, এটি আমার কার্যালয়কে আমাদের তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে প্রদত্ত সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে আরও ভালোভাবে সহায়তা করতে এবং সরকার, সুশীল সমাজ এবং অন্যদের সঙ্গে সরাসরি স্থানীয়ভাবে আমাদের দক্ষতা ও সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের মৌলিক সংস্কারগুলোতে অংশ নিতে সক্ষম করবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন মানবাধিকার মিশনটি সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেবে, যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিশ্রুতি পূরণে সহযোগিতা করা যায়। একই সঙ্গে এটি সরকার ও সুশীল সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।



