ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
ড. ইউনূসের সঙ্গে খালার দ্বন্দ্বের জেরে ক্ষতির শিকার আমি
যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর খালার (শেখ হাসিনা) মধ্যে দ্বন্দ্ব আছে। এর জেরে তিনি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
রোববার গার্ডিয়ানে টিউলিপের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ হয়েছে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক ড্যানিয়েল বফি। সাক্ষাৎকারের শেষাংশে টিউলিপ দ্বন্দ্ব সম্পর্কিত ওই মন্তব্য করেন।
গত জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সিটি মন্ত্রী ছিলেন টিউলিপ। তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বেশ ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিতি। সাক্ষাৎকারের শুরুতে টিউলিপ সম্পর্কে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেটের এই এমপি ঢাকার পূর্বাচলে প্রভাব খাটিয়ে নিজের মা, ভাই ও বোনের জন্য একটি প্লট দখলে নিয়েছেন। এরপরই টিউলিপ সিদ্দিকের বক্তব্য যোগ
করা হয়েছে। টিউলিপ বলেছেন, ‘এটি পুরোপুরি হাস্যকর।’ সাক্ষাৎকারে টিউলিপকে জিজ্ঞেস করা হয় আগামী ১১ আগস্ট মামলার শুনানিতে কি তিনি সরাসরি বা ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন? জবাবে টিউলিপ বলেন, ‘আমি এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক তলবপত্র দেখিনি। আমি কয়েকদিনের মধ্যেই একটি সাজানো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। অথচ এখনও জানি না আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো কী কী।’ যুক্তরাজ্যে টিউলিপ এখন তাঁর স্বামী ক্রিস পার্সি ও দুই সন্তান নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের প্রসঙ্গ তোলা হলে টিউলিপ বলেন, ‘আমি এখানে আমার খালাকে রক্ষা করতে আসিনি। আমি জানি তাঁর (শেখ হাসিনা) সরকারের কীভাবে পতন হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। আমি প্রত্যাশা রাখি, বাংলাদেশের মানুষ
তাদের কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাবে।’ সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে টিউলিপ অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতি তাঁর জীবন বদলে দিয়েছে। গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক সাক্ষাৎকারের বিবরণীতে লিখেছেন, কিছু ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টিউলিপ তাঁর খালার মাধ্যমে রাশিয়ান এক কোম্পানি থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আত্মসাৎ করেছেন। চুক্তিটি ছিল বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সংশ্লিষ্ট। ২০১৩ সালে মস্কোতে তোলা শেখ হাসিনা, ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টিউলিপের একটি ছবি অনিয়মের সন্দেহকে নতুন করে উসকে দেয়। ছবিটি প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেছেন, ‘আমার খালা তখন রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। তাকে দেখতে আমি ও আমার বোন লন্ডন থেকে সেখানে যাই। আমি কোনো ধরনের রাজনৈতিক আলোচনায় জড়িত ছিলাম না। আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম,
আনন্দ করছিলাম। সফরের শেষ দিনে, রাজনীতিবিদ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ছবিটি তখনই তোলা হয়। পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের মুহুর্তটি ছিল মাত্র দুই মিনিটের।’ সাক্ষাৎকারের বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছর অধ্যাপক ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরের সময় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেন টিউলিপ। তবে অধ্যাপক ইউনুস তা প্রত্যাখ্যান করেন। যুক্তরাজ্যের অর্গানাইজড ক্রাইম এজেন্সি শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পর্কিত দুই ব্যক্তির লন্ডনের প্রায় ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পত্তি জব্দ করেছে। এর মধ্যে একটিতে টিউলিপ সিদ্দিকের মা বাস করতেন এবং এখনও তাদের কিছু জিনিসপত্র সেখানে আছে। এ প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেন, ‘এটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’
করা হয়েছে। টিউলিপ বলেছেন, ‘এটি পুরোপুরি হাস্যকর।’ সাক্ষাৎকারে টিউলিপকে জিজ্ঞেস করা হয় আগামী ১১ আগস্ট মামলার শুনানিতে কি তিনি সরাসরি বা ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন? জবাবে টিউলিপ বলেন, ‘আমি এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক তলবপত্র দেখিনি। আমি কয়েকদিনের মধ্যেই একটি সাজানো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। অথচ এখনও জানি না আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো কী কী।’ যুক্তরাজ্যে টিউলিপ এখন তাঁর স্বামী ক্রিস পার্সি ও দুই সন্তান নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের প্রসঙ্গ তোলা হলে টিউলিপ বলেন, ‘আমি এখানে আমার খালাকে রক্ষা করতে আসিনি। আমি জানি তাঁর (শেখ হাসিনা) সরকারের কীভাবে পতন হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। আমি প্রত্যাশা রাখি, বাংলাদেশের মানুষ
তাদের কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাবে।’ সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে টিউলিপ অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতি তাঁর জীবন বদলে দিয়েছে। গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক সাক্ষাৎকারের বিবরণীতে লিখেছেন, কিছু ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টিউলিপ তাঁর খালার মাধ্যমে রাশিয়ান এক কোম্পানি থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আত্মসাৎ করেছেন। চুক্তিটি ছিল বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সংশ্লিষ্ট। ২০১৩ সালে মস্কোতে তোলা শেখ হাসিনা, ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টিউলিপের একটি ছবি অনিয়মের সন্দেহকে নতুন করে উসকে দেয়। ছবিটি প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেছেন, ‘আমার খালা তখন রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। তাকে দেখতে আমি ও আমার বোন লন্ডন থেকে সেখানে যাই। আমি কোনো ধরনের রাজনৈতিক আলোচনায় জড়িত ছিলাম না। আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম,
আনন্দ করছিলাম। সফরের শেষ দিনে, রাজনীতিবিদ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ছবিটি তখনই তোলা হয়। পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের মুহুর্তটি ছিল মাত্র দুই মিনিটের।’ সাক্ষাৎকারের বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছর অধ্যাপক ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরের সময় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেন টিউলিপ। তবে অধ্যাপক ইউনুস তা প্রত্যাখ্যান করেন। যুক্তরাজ্যের অর্গানাইজড ক্রাইম এজেন্সি শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পর্কিত দুই ব্যক্তির লন্ডনের প্রায় ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পত্তি জব্দ করেছে। এর মধ্যে একটিতে টিউলিপ সিদ্দিকের মা বাস করতেন এবং এখনও তাদের কিছু জিনিসপত্র সেখানে আছে। এ প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেন, ‘এটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’



