ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতিতে মরিয়া বিএনপি-জামায়াত!
বিএনপির মিথ্যাচারে দিশেহারা জনগণ, চলছে লুটপাটের মহোৎসব
তারেক সিন্ডিকেটে বোবাকান্না, প্রাণহানির শঙ্কায় দেশ ছাড়লেন ব্যবসায়ী
মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর কোন অবদান ছিলো না বলায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ; জমিয়তে উলামায়ে নেতাকে গলাধাক্কা
জয় বাংলা বললে গ্রেপ্তার হতে হবে এমন বাস্তবতা কখনো কল্পনা করিনি: মুক্তিযোদ্ধা লুতফা হাসীন রোজী
জুলাই-আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে ডিপ স্টেটের সাথে যোগাযোগ ছিল, তাদের গাইডলাইন অনুসরণ করেই কাজ হয়েছে-আসিফ মাহমুদ
ব্রেক চাপলেও থামেনি পদ্মায় ডোবা বাসটি
ডিপ স্টেটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিলেন জুলাই দাঙ্গাবাজরা: সত্য ফাঁস করলেন আসিফ!
রাষ্ট্রের অন্দরমহলে সক্রিয় তথাকথিত ‘ডিপ স্টেট’ বা অদৃশ্য শক্তির ভয়ংকর নীলনকশার কথা ফাঁস করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এনসিপি আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ অফার করা হয়েছিল।
আসিফ মাহমুদের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের পর গঠিত সরকারের পেছনে যে গভীর নেপথ্য শক্তির যোগসূত্র ছিল, এই বক্তব্যের মাধ্যমে তারই সত্যতা সামনে এলো।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা যখন সরকারের দায়িত্বে ছিলাম, শুরুর দিকে আমাদের বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন,
যাদেরকে আসলে ‘ডিপ স্টেট’ বলা হয়, তাদের কাছ থেকে আমাদের অফার করা হয়েছিল—আপনারা শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত—সেটি আপনারা শেষ করুন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।” তিনি আরও দাবি করেন, এই প্রস্তাবের শর্ত অনুযায়ী আইনি মারপ্যাঁচে বিএনপি ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখার কলাকৌশলও তাঁদের শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আসিফ মাহমুদের দাবি, তাঁরা এই সমঝোতায় যাননি এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে পদত্যাগ করেছেন। তবে সমালোচকরা বলছেন, ক্ষমতার অন্দরমহলে এমন প্রভাবশালী ‘ডিপ স্টেটের’ সক্রিয়তা প্রমাণ করে যে পটপরিবর্তনের পেছনে অদৃশ্য সুতো ছিল। আসিফ মাহমুদের এই চাঞ্চল্যকর তথ্যের পাশাপাশি দেশের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়েও তীব্র বিতর্ক চলছে। অভিযোগ রয়েছে, মার্কিন স্বার্থ রক্ষা এবং বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের
শর্তে ইউনূসকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছিল। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ঠিকানার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানগত গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এশিয়া-আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। চীনের নৌসামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নৌঘাঁটি করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং ৯৯ বছরের জন্য দ্বীপের এক-তৃতীয়াংশ লিজ চায়। সূত্র বলছে, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা আগেই সতর্ক করেছিলেন যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে পূর্ব তিমুরের মতো একটি পৃথক ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে। নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই পশ্চিমা এজেন্ডার “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, আসিফ মাহমুদের এই চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ হাজির করেছে। এটি স্পষ্ট করে যে, ক্ষমতার পালাবদলের নেপথ্যে কেবল রাজপথের আন্দোলনই নয়, বরং সক্রিয় ছিল অদৃশ্য শক্তির গভীর মনস্তাত্ত্বিক খেলা ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি। একদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আটকে রাখার নীল নকশা, অন্যদিকে সেন্টমার্টিন কিংবা বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে পরাশক্তিগুলোর আধিপত্যের লড়াই—সব মিলিয়ে বাংলাদেশ আজ এক চরম সার্বভৌম সংকটের মুখে।
যাদেরকে আসলে ‘ডিপ স্টেট’ বলা হয়, তাদের কাছ থেকে আমাদের অফার করা হয়েছিল—আপনারা শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত—সেটি আপনারা শেষ করুন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।” তিনি আরও দাবি করেন, এই প্রস্তাবের শর্ত অনুযায়ী আইনি মারপ্যাঁচে বিএনপি ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখার কলাকৌশলও তাঁদের শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আসিফ মাহমুদের দাবি, তাঁরা এই সমঝোতায় যাননি এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে পদত্যাগ করেছেন। তবে সমালোচকরা বলছেন, ক্ষমতার অন্দরমহলে এমন প্রভাবশালী ‘ডিপ স্টেটের’ সক্রিয়তা প্রমাণ করে যে পটপরিবর্তনের পেছনে অদৃশ্য সুতো ছিল। আসিফ মাহমুদের এই চাঞ্চল্যকর তথ্যের পাশাপাশি দেশের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়েও তীব্র বিতর্ক চলছে। অভিযোগ রয়েছে, মার্কিন স্বার্থ রক্ষা এবং বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের
শর্তে ইউনূসকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছিল। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ঠিকানার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানগত গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এশিয়া-আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। চীনের নৌসামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নৌঘাঁটি করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং ৯৯ বছরের জন্য দ্বীপের এক-তৃতীয়াংশ লিজ চায়। সূত্র বলছে, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা আগেই সতর্ক করেছিলেন যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে পূর্ব তিমুরের মতো একটি পৃথক ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে। নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই পশ্চিমা এজেন্ডার “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, আসিফ মাহমুদের এই চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ হাজির করেছে। এটি স্পষ্ট করে যে, ক্ষমতার পালাবদলের নেপথ্যে কেবল রাজপথের আন্দোলনই নয়, বরং সক্রিয় ছিল অদৃশ্য শক্তির গভীর মনস্তাত্ত্বিক খেলা ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি। একদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আটকে রাখার নীল নকশা, অন্যদিকে সেন্টমার্টিন কিংবা বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে পরাশক্তিগুলোর আধিপত্যের লড়াই—সব মিলিয়ে বাংলাদেশ আজ এক চরম সার্বভৌম সংকটের মুখে।



