ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
টানা দরপতনে পুঁজিবাজার
দেশের পুঁজিবাজারে চলছে টানা দরপতন। রোববার (১৯ অক্টোবর) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বড় ধস নেমেছে। সূচক, লেনদেন ও বিনিয়োগ; সব ক্ষেত্রেই দেখা দিয়েছে নেতিবাচক প্রবণতা। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, “মার্জিন ঋণ নিয়ে গুজব” এই পতনের অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
ডিএসইতে এদিন ৩৯৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে মাত্র ৪৪টির দর বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ৩১৪টির। বাকি ৩৮টি অপরিবর্তিত রয়েছে। সূচকের দিক থেকে দেখা যায়-
ডিএসইএক্স সূচক ৭৫ পয়েন্ট বা ১.৪৭ শতাংশ কমে ৫,০৪৪ পয়েন্টে নেমেছে; যা গত ৯ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন।
ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) ২৪ পয়েন্ট বা ২.২১ শতাংশ কমে ১,০৬২ পয়েন্টে।
ডিএসই-৩০ সূচক ৩০ পয়েন্ট বা
১.৫১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১,৯৩৮ পয়েন্টে। লেনদেনেও দেখা দিয়েছে বড় ধস। এদিন মোট লেনদেন হয়েছে মাত্র ৪৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকার, যা গত ২৫ জুনের পর সর্বনিম্ন। বাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আল-আমিন বলেন, ‘মার্জিন ঋণ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও ব্রোকারেজ হাউজ নিজেদের স্বার্থে গুজব ছড়াচ্ছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্যানিক সেল দিচ্ছেন, যা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু মার্জিন ঋণ আইন এখনো পাস হয়নি, তাই যারা এর অপব্যাখ্যা দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ দেশের অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) একই চিত্র দেখা গেছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০ কোটি ৭০ লাখ
টাকার, আগের দিনের তুলনায় সামান্য বেশি হলেও বাজারে সামগ্রিক মনোভাব ছিল নেতিবাচক।
১.৫১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১,৯৩৮ পয়েন্টে। লেনদেনেও দেখা দিয়েছে বড় ধস। এদিন মোট লেনদেন হয়েছে মাত্র ৪৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকার, যা গত ২৫ জুনের পর সর্বনিম্ন। বাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আল-আমিন বলেন, ‘মার্জিন ঋণ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও ব্রোকারেজ হাউজ নিজেদের স্বার্থে গুজব ছড়াচ্ছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্যানিক সেল দিচ্ছেন, যা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু মার্জিন ঋণ আইন এখনো পাস হয়নি, তাই যারা এর অপব্যাখ্যা দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ দেশের অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) একই চিত্র দেখা গেছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০ কোটি ৭০ লাখ
টাকার, আগের দিনের তুলনায় সামান্য বেশি হলেও বাজারে সামগ্রিক মনোভাব ছিল নেতিবাচক।



