জাহান্নামের বিষাক্ত বৃক্ষ জাক্কুম – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ অক্টোবর, ২০২৫

জাহান্নামের বিষাক্ত বৃক্ষ জাক্কুম

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ অক্টোবর, ২০২৫ |
পবিত্র কোরআনে জাহান্নামিদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির আলোচনায় একটি বিশেষ বৃক্ষের কথা পাওয়া যায়, যার নাম জাক্কুম। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আপ্যায়নের জন্য কি এটিই উত্তম, না জাক্কুম বৃক্ষ? সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য আমি এ সৃষ্টি করেছি পরীক্ষাস্বরূপ; এ বৃক্ষ জাহান্নামের তলদেশ হতে উদগত, এর গুচ্ছ শয়তানের মাথার মতো। সীমালঙ্ঘনকারীরা তা ভক্ষণ করবে এবং তা দিয়ে উদর পূর্ণ করবে। তার ওপর অবশ্যই তাদের জন্য ফুটন্ত পানির মিশ্রণ থাকবে, তারপর অবশ্যই ওদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের দিকে।’ (সুরা সাফফাত, আয়াত: ৬২-৬৮) তাফসিরবিদদের মতে, ‘জাক্কুম’ বৃক্ষের ফল খাওয়াও জাহান্নামীদের জন্য বড় কঠিন হবে। কারণ তা বড় দুর্গন্ধময়, তেঁতো এবং অতি ঘৃণ্য হবে। অনেকে বলেন যে, এটা পৃথিবীর একটি গাছ

এবং তা আরবে পরিচিত। ক্বুরত্ববি বলেন, এটি এক প্রকার তেঁতো গাছ, যা তিহামা নামক এলাকায় পাওয়া যায়। আর অনেকে বলেন যে, এটা পৃথিবীর কোন গাছ নয়, পৃথিবীর মানুষের নিকট তা অপরিচিত। (ফাতহুল ক্বাদির) সাঈদ ইবনে জুবাইর বলেন, ‘জাহান্নামিরা যখন ক্ষুধার কারণে খাদ্যের প্রার্থনা করবে তখন তাদের জাক্কুম খাওয়ানো হবে। ফলে তাদের মুখের চামড়া সম্পূর্ণ খসে পড়বে। এমনকি কোনো পরিচিত ব্যক্তি সেই মুখের চামড়া দেখেই তাদের চিনে নেবে। তারপর পিপাসায় ছটফট করে যখন পানি চাইবে তখন ফুটন্ত গরম তেল তাদের পান করতে দেওয়া হবে। ওই তেল হবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার। তা মুখের সামনে আসা মাত্রই মুখমণ্ডলের মাংস ঝলসে যাবে। আর যে সামান্য অংশ তাদের

পেটে গিয়ে পৌঁছবে তার ফলে নাড়িভূঁড়ি গলে যাবে। এমন অবস্থায় ওপর থেকে লোহার হাতুড়ি দিয়ে তাদের প্রহার করা হবে। ফলে দেহের এক একটি অংশ পৃথক হয়ে যাবে। তখন তারা চিত্কার করে মৃত্যু কামনা করতে থাকবে। এরপর তাদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে এবং নতুন শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।’ (তাফসিরে ইবনে কাসির : ১৬/২২২) রাসুল (সা.) জাক্কুমের ভয়াবহতা সম্পর্কে বলেন, ‘ওই জাক্কুমের সামান্য পরিমাণ যদি জাহান্নাম হতে পৃথিবীতে আসে তবে পৃথিবীর খাদ্য ও পানীয় তার বিষাক্ততায় বিনষ্ট হয়ে যাবে।’ (তিরমিজি, হাদিস: ২৫৮৫) তাই আমাদের উচিত, জাহান্নামের এই কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতি থেকে মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। জাহান্নাম ওয়াজিব হয়, এমন কাজ থেকে নিজেদের দূরে

রাখা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ২ বিলিয়ন ডলার বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন তারেক ‘যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা নিয়ে’ ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই বনানীর বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে রাতের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা শাপলা চত্বর গণহত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন সাবেক আইজিপি মামুন ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন সোহেল রানা ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ২৫ শিশু যাত্রাবাড়ীতে কুপিয়ে তরুণী হত্যা, একই ঘটনায় আহত ৩ বিশ্বকাপের দর্শকদের যাতায়াত খরচ ফিফাকে দেওয়ার দাবি মার্কিন নেতার মহামারিতে পরিণত হাম পরিস্থিতি, সন্নিকটে মানবিক বিপর্যয় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের নামে দু’বার অর্থ লোপাট: ফারুকীর নেতৃত্বে তুঘলকি দুর্নীতির নতুন মাত্রা জামালপুর জেলে বন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দিচ্ছে তারেক রহমানের আবার ইতিহাস বিকৃতি: ভাসানী মৃত্যুর তিন বছর পর ‘ধানের শীষ’ মার্কা তুলে দিলেন জিয়ার হাতে! আস্থাহীনতার চাপেই আর্থিক খাত: ব্যাংক পুনর্গঠন ও পুঁজিবাজারে অস্থিরতার দ্বৈত সংকট রাজস্ব আদায়ে হিমশিম: ৬ লক্ষ কোটি টাকার উচ্চাভিলাষী রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য সরকারের; ব্যাবসায়ীদের অপারগতা মাদ্রাসাগুলো হয়ে উঠছে জামায়াত-শিবির সহ উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠির আজ্ঞাবহ যোদ্ধা তৈরির প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মামলায় জামিন নেই, দীপু দাস-কে বর্বরভাবে পুড়িয়ে মারা আসামিরা সহজে জামিন পেলেন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ: সরকার জরুরি ভিত্তিতে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ চাইছে