ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাকরি বাঁচাতে নীতি-আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: তোপ দাগলেন ড. মোমেন
প্রিজন ভ্যান থেকে সাবেক এমপি তুহিনের আকুতি: ‘অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি, ন্যায়বিচার চাই’
বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে ইফতার বিতরণ: শেখ হাসিনার দ্রুত প্রত্যাবর্তনে দোয়া কামনা
বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির অদম্য প্রতিরোধের মুখে ঢাকায় এসেছিলেন ইয়াহিয়া
সংস্কারের মুখোশে দমন: ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই যখন নিরাপদ না, তখন সাধারণ মানুষের কথা কে ভাববে?
জ্বালানি সংকটে ভরসা রূপপুর: শেখ হাসিনার মেগা প্রজেক্টেই স্বস্তিতে দেশ
ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের পর এবার জাতীয় ভোটেও জালিয়াতির নীল নকশায় জামায়াত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে এক বিশাল ‘ভোট জালিয়াতির নীল নকশা’র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে ভোট গণনায় অস্বাভাবিক দেরি এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই ছাত্রশিবিরের নাটকীয় জয়ের পর সেই একই মডেল জাতীয় নির্বাচনে প্রয়োগের জোরালো আলামত পাওয়া যাচ্ছে। জাল সিল উদ্ধার, পোস্টাল ব্যালট কারসাজি এবং বিজি প্রেস থেকে ব্যালট সরানোর মতো গুরুতর অভিযোগগুলো এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ডাকসু, রাকসু, চাকসু, জাকসু ও জকসু নির্বাচনে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা গেছে—ভোট শেষ হওয়ার পর গণনা সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চাকসু) নির্বাচনে ভোর ৪টা পর্যন্ত গণনা চলার পর দেখা গেছে, ২৪টি
পদের সবকটিতেই ছাত্রশিবির জয়ী হয়েছে। একইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ডাকসু) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও (রাকসু) শীর্ষ পদগুলো তাদের দখলে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে এই ‘ভোট গণনায় বিলম্ব’ ছিল আসলে ফলাফলের নীল নকশা বাস্তবায়নের একটি মহড়া। গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবারের জাতীয় নির্বাচনেও ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হতে পারে। যুক্তি হিসেবে তিনি ‘রেফারেন্ডাম’ বা গণভোট এবং বিপুল সংখ্যক ‘পোস্টাল ব্যালট’ গণনার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতার পর সরকারের এই ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে জনমনে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ভোট গণনার এই বাড়তি সময় আসলে ব্যালট বক্স পরিবর্তনের বা ভুয়া ব্যালট ঢোকানোর
কৌশল হতে পারে। জালিয়াতির এই শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে গত ৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুরের একটি প্রেস থেকে ভোটের ৬টি জাল সিল উদ্ধারের ঘটনায়। এই ঘটনায় সরাসরি জড়িত অভিযোগে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি সৌরভ হোসেন ওরফে শরীফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনের দিন ব্যালট পেপারে গণহারে সিল মারার জন্য এই ভুয়া সিলগুলো গোপনে তৈরি করা হচ্ছিল। শুধু দেশেই নয়, বাহরাইনে অবস্থানরত জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালট সংগ্রহ করে কারসাজির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিজি প্রেস থেকে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার গোপনে সরিয়ে বিশেষ নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতা তারেক রহমানও এই আশঙ্কাই প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে,
“মোনাফেকের দল গোপনে নকল ব্যালট পেপার ছাপাচ্ছে এবং নকল সিল বানাচ্ছে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজি প্রেস থেকে ব্যালট সরানোর অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে এটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক কারচুপি। জামায়াত-শিবির যেভাবে ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে তাদের মডেল সফল করেছে, এখন জাতীয় পর্যায়ে সেটির প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনের ভেতরে থাকা মিত্রদের সহায়তায় তারা যদি নকল ব্যালট ও সিলের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র দখল করতে পারে, তবে সাধারণ মানুষের রায়ের কোনো প্রতিফলনই ঘটবে না।
পদের সবকটিতেই ছাত্রশিবির জয়ী হয়েছে। একইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ডাকসু) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও (রাকসু) শীর্ষ পদগুলো তাদের দখলে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে এই ‘ভোট গণনায় বিলম্ব’ ছিল আসলে ফলাফলের নীল নকশা বাস্তবায়নের একটি মহড়া। গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবারের জাতীয় নির্বাচনেও ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হতে পারে। যুক্তি হিসেবে তিনি ‘রেফারেন্ডাম’ বা গণভোট এবং বিপুল সংখ্যক ‘পোস্টাল ব্যালট’ গণনার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতার পর সরকারের এই ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে জনমনে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ভোট গণনার এই বাড়তি সময় আসলে ব্যালট বক্স পরিবর্তনের বা ভুয়া ব্যালট ঢোকানোর
কৌশল হতে পারে। জালিয়াতির এই শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে গত ৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুরের একটি প্রেস থেকে ভোটের ৬টি জাল সিল উদ্ধারের ঘটনায়। এই ঘটনায় সরাসরি জড়িত অভিযোগে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি সৌরভ হোসেন ওরফে শরীফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনের দিন ব্যালট পেপারে গণহারে সিল মারার জন্য এই ভুয়া সিলগুলো গোপনে তৈরি করা হচ্ছিল। শুধু দেশেই নয়, বাহরাইনে অবস্থানরত জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালট সংগ্রহ করে কারসাজির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিজি প্রেস থেকে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার গোপনে সরিয়ে বিশেষ নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতা তারেক রহমানও এই আশঙ্কাই প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে,
“মোনাফেকের দল গোপনে নকল ব্যালট পেপার ছাপাচ্ছে এবং নকল সিল বানাচ্ছে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজি প্রেস থেকে ব্যালট সরানোর অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে এটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক কারচুপি। জামায়াত-শিবির যেভাবে ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে তাদের মডেল সফল করেছে, এখন জাতীয় পর্যায়ে সেটির প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনের ভেতরে থাকা মিত্রদের সহায়তায় তারা যদি নকল ব্যালট ও সিলের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র দখল করতে পারে, তবে সাধারণ মানুষের রায়ের কোনো প্রতিফলনই ঘটবে না।



