ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রামের ডাক। বিশেষ কলাম – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:১৬ অপরাহ্ণ

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রামের ডাক। বিশেষ কলাম

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:১৬ 72 ভিউ
গোলাম ছামদানী জনি : বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আওয়ামী লীগ কেবল একটি সংগঠনের নাম নয় এটি সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও আদর্শের ধারাবাহিকতার প্রতীক। দখলদার ইউনুস যখন রাষ্ট্র, গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে জনগণের সাথে তালবাহানা শুরু করেছে এমতাবস্থায় গত ৪ঠা জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে এমনই এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সাবেক ছাত্রনেতাদের প্রতি দেওয়া নির্দেশনা নিছক কোনো সাংগঠনিক বার্তা নয়; এটি একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান এবং সংগ্রামের ডাক। আসন্ন ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের অবস্থান আজ আর গোপন নয়। এই অবস্থান তৃণমূল পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে পৌঁছে দিতে সাবেক ছাত্রনেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্তমান

ও সাবেক নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক জনসংযোগ জোরদার করার। নেত্রী পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন এই সময় নীরব থাকার নয়, বিভ্রান্তির নয়; বরং সংগঠিত ও সচেতন রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণের সময়। দলকে সুসংগঠিত করার প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো নেতাকর্মীদের পুনরায় রাজনৈতিকভাবে জাগ্রত করা। দীর্ঘদিন ধরে নানা চাপ, ষড়যন্ত্র ও দমনমূলক বাস্তবতায় অনেক নেতাকর্মী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। সাবেক ছাত্রনেতারা তাঁদের সংগ্রামী অতীত, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং ত্যাগের ইতিহাস দিয়ে এই ভাঙন দূর করতে পারেন। রাজনৈতিক সংলাপ, মতবিনিময় ও আদর্শিক আলোচনার মধ্য দিয়েই নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও আস্থার পুনর্জন্ম ঘটানো সম্ভব। জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠন আজ সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। রাজনীতি

যদি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে তা ক্ষমতার খেলায় পরিণত হয়। জনসংযোগ মানে শুধু কথা বলা নয় এটি জনগণের বঞ্চনা, ক্ষোভ ও প্রত্যাশার ভাষা বোঝার একটি রাজনৈতিক দায়িত্ব। আওয়ামী লীগের শক্তি সবসময় জনগণের ভেতরেই নিহিত ছিল, এবং সেই শক্তিকে নতুন করে সংগঠিত করাই এই সময়ের প্রধান কর্তব্য। আদর্শিক দৃঢ়তা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে সংগঠন কে এগিয়ে নিতে হবে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো আপসকামী রাজনীতি নয়; এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধান এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের নাম। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতারাই এই আদর্শিক লড়াইকে সবচেয়ে স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরতে সক্ষম। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ রাজনৈতিক আচরণই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ একটি

রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্য রাজনৈতিক শক্তি। সবশেষে বলতে হয়, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা কোনো ক্ষণস্থায়ী রাজনৈতিক কৌশল নয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংগ্রামের অংশ যার লক্ষ্য দলীয় সংগঠনকে পুনর্জীবিত করা, আদর্শিক সংহতি দৃঢ় করা এবং জনগণের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে নতুন শক্তিতে প্রতিষ্ঠিত করা। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ যখন সংগঠিত থাকে, আদর্শে অবিচল থাকে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তখন কোনো অপশক্তিই তাকে রুখে দিতে পারে না। সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি রাস্তা থেকে যুদ্ধবিমান আর টকশো থেকে যুদ্ধাপরাধী: দুই প্রতিবেশী, দুই বাস্তবতা দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছেন ইউনূস জুলাই সনদ, এনসিপি আর শেষ বিকেলের আনুগত্য: হিসাব মিলে গেলে যখন নীতিও মেলে ভোটার তাড়ানো, জাল ভোট, আগাম সিল: সংসদ নির্বাচন নিয়ে টিআইবির ভয়াবহ প্রতিবেদন সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে। ছেলে ছাত্রলীগ করায় যারা বৃদ্ধ মানুষের রক্ত ঝরায়, তারা ক্ষমতার নয়, ঘৃণার উত্তরাধিকার বাংলাদেশে আবার ২০০১-২০০৬ এর দিনগুলো ফেরত আসছে গণতন্ত্রের সংকট কি বাড়ছে? সরকারের অবসান ঘটলেও কমেনি প্রভাব; ‘বিদেশি স্বার্থ রক্ষায়’ বহাল থাকছে বিতর্কিত সব চুক্তি: সাবেক এনএসআই কর্মকর্তার দাবি “বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি. “বিল” মিলামের মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি ভোট কেন্দ্র নাকি চোরের মেলা? বোঝা বড্ড দায়; একের পর এক সিল মারতে থাকা ভোটচোর ক্যামেরা দেখেই দিলেন চম্পট! সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিলুপ্তির একদিন পরই সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম চাকরি পেয়ে গেছেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চালু করা হয় এবং পতাকা উত্তোলন করা হয়। যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে। গণমাধ্যমে অস্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ: চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট’ তৈরির অভিযোগ ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’—মব ও ইউনূস সরকার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় খলিলুর রহমান ‘ডিপ স্টেটের’ চাপে, আলী রিয়াজ ও জামায়াতের কঠোর সমালোচনায় অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ